বিশ্বকাপের নক্ষত্র–১৪
স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বে সাধারণত ইউরোপ বা লাতিন আমেরিকার খেলোয়াড়দের একচেটিয়া আধিপত্য দেখা যায়। বিশ্বের তাবড় তাবড় ক্লাবগুলোতে তাদেরই জয়জয়কার। সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সন হিউং-মিন।
গত এক দশক ধরে এশিয়ান ফুটবলের কথা উঠলেই তাঁর নাম আসে সবার আগে। গতি আর দুই পায়ের জাদুতে ফুটবল ভক্তদের মুগ্ধ করে রেখেছেন এই তারকা।
সনকে আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা ‘ক্লিনিক্যাল ফিনিশার’ বলা হয়। লেফট উইং থেকে চোখের পলকে গতি পরিবর্তন করে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স লাইন ভেঙে বক্সে ঢুকে পড়তে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। সনের বড় শক্তি দুই পায়ের সমান দক্ষতা।
৩৩ বছর বয়সী সন হিউং-মিন লেফট উইঙ্গার বা ফরোয়ার্ডে খেলেন। জাতীয় দল ও ক্লাব উভয় জায়গাতেই ৭ নম্বর জার্সি তাঁর ট্রেডমার্ক। বর্তমানে মেজর লিগ সকারের দল লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির হয়ে খেলছেন। আমেরিকায় পাড়ি জমানোর আগে দীর্ঘ সময় ইউরোপের শীর্ষ লিগে রাজত্ব করেছেন এই কোরিয়ান।
লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেছিলেন, সনকে দলে নিতে না পারা তাঁর জীবনের অন্যতম আক্ষেপ।
ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলাও সনের প্রশংসা করে বলেন, বিগত সাত-আট বছর সন আমাদের ভালোই ভুগিয়েছেন।
টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে ২০২৪-২৫ মৌসুমে উয়েফা ইউরোপা লিগ জেতেন সন। ২০২১-২২ মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ২৩ গোল করে প্রথম এশিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে ‘গোল্ডেন বুট’ জয় করেন। দক্ষিণ কোরিয়া, বায়ার লেভারকুসেন এবং টটেনহ্যামের হয়ে মোট আটবার বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন।

এশিয়ান ফুটবলেও তাঁর অর্জন আকাশচুম্বী। দক্ষিণ কোরিয়াকে ২০১৮ এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক এনে দেন। এছাড়া একাধিকবার এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) বর্ষসেরা আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন।
জাতীয় দলের জার্সিতে সনের ঝুলিতে রয়েছে ৫৪ গোল। টটেনহ্যামের হয়ে করেছেন ১৭৩ গোল ও ১০১টি অ্যাসিস্ট। জার্মান ক্লাব বায়ার লেভারকুসেনের হয়ে করেছিলেন ২৯ গোল ও ১১টি অ্যাসিস্ট। ২০২৫-২৬ মৌসুমে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির হয়ে ইতোমধ্যে করেছেন ৯টি অ্যাসিস্ট।
বিশ্বকাপ ইতিহাস ও ২০২৬ আসরের লাস্ট ড্যান্স
২০১৮ বিশ্বকাপে নিজেদের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া তৎকালীন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-০ ব্যবধানে হারায়। এই হারে জার্মানি টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ে। ওই ম্যাচের শেষ গোল এসেছিল সনের পা থেকেই।
২০২২ বিশ্বকাপে চোখের ইনজুরি সত্ত্বেও তাঁর নেতৃত্বে কোরিয়া শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয়।
২০২৬ বিশ্বকাপে সনের হাত ধরেই আগের সব রেকর্ড ভাঙতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া। এশিয়ান ফুটবলের এই গ্লোবাল আইকন এখন কোরিয়ার তরুণ খেলোয়াড়দের প্রধান মেন্টর ও অধিনায়ক। এবারের আসরে এই তারকার পায়ের জাদু দেখার অপেক্ষায় রয়েছে পুরো বিশ্ব।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম এশিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ গোল এবং ৫০ অ্যাসিস্ট করার রেকর্ড সনের দখলে। ২০১৯ সালে বার্নলির বিপক্ষে গোলের জন্য ২০২০ সালে ফিফা ‘পুসকাস অ্যাওয়ার্ড’ বা বছরের সেরা গোলের স্বীকৃতি পান।

ফুটবল বিশ্বে সাধারণত ইউরোপ বা লাতিন আমেরিকার খেলোয়াড়দের একচেটিয়া আধিপত্য দেখা যায়। বিশ্বের তাবড় তাবড় ক্লাবগুলোতে তাদেরই জয়জয়কার। সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সন হিউং-মিন।
গত এক দশক ধরে এশিয়ান ফুটবলের কথা উঠলেই তাঁর নাম আসে সবার আগে। গতি আর দুই পায়ের জাদুতে ফুটবল ভক্তদের মুগ্ধ করে রেখেছেন এই তারকা।
সনকে আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা ‘ক্লিনিক্যাল ফিনিশার’ বলা হয়। লেফট উইং থেকে চোখের পলকে গতি পরিবর্তন করে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স লাইন ভেঙে বক্সে ঢুকে পড়তে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। সনের বড় শক্তি দুই পায়ের সমান দক্ষতা।
৩৩ বছর বয়সী সন হিউং-মিন লেফট উইঙ্গার বা ফরোয়ার্ডে খেলেন। জাতীয় দল ও ক্লাব উভয় জায়গাতেই ৭ নম্বর জার্সি তাঁর ট্রেডমার্ক। বর্তমানে মেজর লিগ সকারের দল লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির হয়ে খেলছেন। আমেরিকায় পাড়ি জমানোর আগে দীর্ঘ সময় ইউরোপের শীর্ষ লিগে রাজত্ব করেছেন এই কোরিয়ান।
লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেছিলেন, সনকে দলে নিতে না পারা তাঁর জীবনের অন্যতম আক্ষেপ।
ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলাও সনের প্রশংসা করে বলেন, বিগত সাত-আট বছর সন আমাদের ভালোই ভুগিয়েছেন।
টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে ২০২৪-২৫ মৌসুমে উয়েফা ইউরোপা লিগ জেতেন সন। ২০২১-২২ মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ২৩ গোল করে প্রথম এশিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে ‘গোল্ডেন বুট’ জয় করেন। দক্ষিণ কোরিয়া, বায়ার লেভারকুসেন এবং টটেনহ্যামের হয়ে মোট আটবার বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন।

এশিয়ান ফুটবলেও তাঁর অর্জন আকাশচুম্বী। দক্ষিণ কোরিয়াকে ২০১৮ এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক এনে দেন। এছাড়া একাধিকবার এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) বর্ষসেরা আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন।
জাতীয় দলের জার্সিতে সনের ঝুলিতে রয়েছে ৫৪ গোল। টটেনহ্যামের হয়ে করেছেন ১৭৩ গোল ও ১০১টি অ্যাসিস্ট। জার্মান ক্লাব বায়ার লেভারকুসেনের হয়ে করেছিলেন ২৯ গোল ও ১১টি অ্যাসিস্ট। ২০২৫-২৬ মৌসুমে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির হয়ে ইতোমধ্যে করেছেন ৯টি অ্যাসিস্ট।
বিশ্বকাপ ইতিহাস ও ২০২৬ আসরের লাস্ট ড্যান্স
২০১৮ বিশ্বকাপে নিজেদের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া তৎকালীন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-০ ব্যবধানে হারায়। এই হারে জার্মানি টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ে। ওই ম্যাচের শেষ গোল এসেছিল সনের পা থেকেই।
২০২২ বিশ্বকাপে চোখের ইনজুরি সত্ত্বেও তাঁর নেতৃত্বে কোরিয়া শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয়।
২০২৬ বিশ্বকাপে সনের হাত ধরেই আগের সব রেকর্ড ভাঙতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া। এশিয়ান ফুটবলের এই গ্লোবাল আইকন এখন কোরিয়ার তরুণ খেলোয়াড়দের প্রধান মেন্টর ও অধিনায়ক। এবারের আসরে এই তারকার পায়ের জাদু দেখার অপেক্ষায় রয়েছে পুরো বিশ্ব।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম এশিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ গোল এবং ৫০ অ্যাসিস্ট করার রেকর্ড সনের দখলে। ২০১৯ সালে বার্নলির বিপক্ষে গোলের জন্য ২০২০ সালে ফিফা ‘পুসকাস অ্যাওয়ার্ড’ বা বছরের সেরা গোলের স্বীকৃতি পান।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফুটবল মাঠে পর্তুগালের ভরসার নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে খেলেছেন ছয়টি বিশ্বকাপ। উয়েফার লিগের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে তাঁর ক্যারিয়ার।
৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে একটি প্রশ্ন জেগেছিল, তবে কি মহাকাব্যের শেষ পাতাটি পড়া হয়ে গেল? স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলের হৃদয়ভাঙা হারের পর সবাই যখন ধরে নিয়েছিলেন, নীল-সাদা জার্সিতে বোধহয় শেষবারের মতো লিওনেল মেসি মাঠে নেমেছেন, ঠিক তখনই স্বস্তির খবর পেলেন তাঁর ভক্তরা।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড ও ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনায় বিশ্ব ফুটবলে বিতর্ক থামছে না। এ ঘটনায় ফুটবলের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার (ফিফা) বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ)।
২৩ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন নয়। এবারও এমন অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তবে তদন্ত শেষে তারা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচে বেটিং বা ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
২৩ জুলাই ২০২৬