আল-জাজিরার এক্সপ্লেইনার
স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে নৈশভোজে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আক্রমণকারী ট্রাম্প এবং তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করেই এই হামলা চালিয়েছিল।
এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ জুন মাসে হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। প্রশ্ন উঠছে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হামলার শিকার হন, সেখানে বিশ্বকাপ আয়োজন কতটা নিরাপদ?
বিশ্বকাপের ১০৪ ম্যাচের মধ্যে ৭৮ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি ফুটবল ভক্তের সমাগম হবে। খোদ প্রেসিডেন্টের ওপর হামলা হওয়ার পর ভক্তরা এখন নিজেদের এবং দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। সামাজিক মাধ্যমে একজন ভক্ত লিখেছেন, ‘কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত ভবনে একজন সশস্ত্র ব্যক্তি ঢুকে পড়ে এবং প্রেসিডেন্টের ওপর গুলি চালায়। সাধারণ খেলোয়াড় ও দর্শকরা নিরাপদ থাকবে কীভাবে?’
অনেক ভক্ত বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে খেলা দেখা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হবে, তা নিয়েও অনেকে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ জানিয়েছেন।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ম্যাসিমিলিয়ানো মন্তানারি মনে করেন, এই হামলা বিশ্বকাপের নিরাপত্তা প্রস্তুতির ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। তিনি আল জাজিরাকে জানান, এই ঘটনা নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস বা প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বরাবরের মতোই সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। বর্তমান বিশ্বে নানা ধরনের আন্তর্জাতিক অস্থিরতা চলছে। এই হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আগত ফুটবল ভক্তদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাবে না।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
এই ঘটনার পর ফিফা বিশ্বকাপের নিরাপত্তা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে আল জাজিরার পক্ষ থেকে মন্তব্য চাওয়া হলেও তারা মন্তব্য করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের ঢিলেঢালা বন্দুক আইন এবং অহরহ বন্দুক হামলায় অনেক ফুটবল ভক্তই চিন্তিত। তারা বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে খেলাগুলো বাতিল করা উচিত।
গান ভায়োলেন্স আর্কাইভের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে দেশটিতে ইতিমধ্যে ১২৬ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং ৫ হাজার ৩০০ জন আহত হয়েছে।
অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে উপস্থিত থাকেন, তবে তা দর্শকদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কেট উইলটন নামে একজন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘আয়োজক দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প হয়তো কোনো না কোনো ম্যাচে উপস্থিত থাকবেন। যদি তিনি নিজে হত্যার লক্ষ্যবস্তু হন, তবে তাঁর উপস্থিতিতে সাধারণ দর্শকও কি ঝুঁকিতে পড়বে না?’
ট্রাম্পের সঙ্গে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। গত ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গত মাসে ইউএস ওপেন পুরুষ টেনিস ফাইনালে ট্রাম্পের উপস্থিতির কারণে দর্শকরা নিরাপত্তা তল্লাশিতে দীর্ঘ সময় ভোগান্তির শিকার হয়েছিলেন।
ওয়াশিংটনের এই হামলার ঘটনা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে বৃহত্তর আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত কয়েক মাসে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অভিবাসন-বিরোধী কড়াকড়ি অভিযান চালানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-এর (আইসিই) ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টড লায়ন্স জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের সময় তাদের বাহিনী মাঠে থাকবে।
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পোর্ট সিকিউরিটির প্রধান মন্তানারি বলেন, ভক্তদের ইভেন্টের অতিথি হিসেবে দেখা উচিত। তাদের সম্ভাব্য হুমকি বা অপরাধী হিসেবে দেখা অনুচিত। কোনো নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মাঠে মোতায়েন করলে তাদের যতটা সম্ভব গোপনীয়তা বজায় রাখা উচিত।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপের মতো বড় বৈশ্বিক ইভেন্টগুলো যেন কেবলই খেলার ইভেন্ট হিসেবে থাকে। সেগুলো যেন কোনোভাবেই নিরাপত্তা বা পুলিশের ইভেন্টে পরিণত না হয়। নিরাপত্তা এবং সেবার সমন্বয় একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করা জরুরি।
মন্তানারি বলেন, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে দর্শকদের জাতীয়তা বা প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে বৈষম্য করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে এমন দৃষ্টান্তই অনুসরণ করা উচিত। যেকোনো ফুটবল বিশ্বকাপে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা। এমন বড় ইভেন্ট কোনো একটি দেশের পক্ষে একা নিরাপদ রাখা সম্ভব নয়। ইভেন্ট নিরাপদ রাখা মানে শুধু স্টেডিয়াম সুরক্ষিত রাখা নয়, পুরো কমিউনিটিকে সুরক্ষা দেওয়া। এজন্য সরকার, ব্যবসায়ী এবং সুশীল সমাজের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারত্ব প্রয়োজন।
গত সপ্তাহে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ), অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ ১২০টির বেশি সংগঠন ২০২৬ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রে আগত বিদেশিদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে। তারা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ফিফা, আয়োজক শহরগুলো বা মার্কিন সরকার থেকে নিরাপত্তা বা মৌলিক অধিকারের কোনো কার্যকর নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে নৈশভোজে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আক্রমণকারী ট্রাম্প এবং তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করেই এই হামলা চালিয়েছিল।
এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ জুন মাসে হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। প্রশ্ন উঠছে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হামলার শিকার হন, সেখানে বিশ্বকাপ আয়োজন কতটা নিরাপদ?
বিশ্বকাপের ১০৪ ম্যাচের মধ্যে ৭৮ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি ফুটবল ভক্তের সমাগম হবে। খোদ প্রেসিডেন্টের ওপর হামলা হওয়ার পর ভক্তরা এখন নিজেদের এবং দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। সামাজিক মাধ্যমে একজন ভক্ত লিখেছেন, ‘কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত ভবনে একজন সশস্ত্র ব্যক্তি ঢুকে পড়ে এবং প্রেসিডেন্টের ওপর গুলি চালায়। সাধারণ খেলোয়াড় ও দর্শকরা নিরাপদ থাকবে কীভাবে?’
অনেক ভক্ত বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে খেলা দেখা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হবে, তা নিয়েও অনেকে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ জানিয়েছেন।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ম্যাসিমিলিয়ানো মন্তানারি মনে করেন, এই হামলা বিশ্বকাপের নিরাপত্তা প্রস্তুতির ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। তিনি আল জাজিরাকে জানান, এই ঘটনা নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস বা প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বরাবরের মতোই সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। বর্তমান বিশ্বে নানা ধরনের আন্তর্জাতিক অস্থিরতা চলছে। এই হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আগত ফুটবল ভক্তদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাবে না।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
এই ঘটনার পর ফিফা বিশ্বকাপের নিরাপত্তা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে আল জাজিরার পক্ষ থেকে মন্তব্য চাওয়া হলেও তারা মন্তব্য করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের ঢিলেঢালা বন্দুক আইন এবং অহরহ বন্দুক হামলায় অনেক ফুটবল ভক্তই চিন্তিত। তারা বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে খেলাগুলো বাতিল করা উচিত।
গান ভায়োলেন্স আর্কাইভের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে দেশটিতে ইতিমধ্যে ১২৬ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং ৫ হাজার ৩০০ জন আহত হয়েছে।
অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে উপস্থিত থাকেন, তবে তা দর্শকদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কেট উইলটন নামে একজন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘আয়োজক দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প হয়তো কোনো না কোনো ম্যাচে উপস্থিত থাকবেন। যদি তিনি নিজে হত্যার লক্ষ্যবস্তু হন, তবে তাঁর উপস্থিতিতে সাধারণ দর্শকও কি ঝুঁকিতে পড়বে না?’
ট্রাম্পের সঙ্গে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। গত ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গত মাসে ইউএস ওপেন পুরুষ টেনিস ফাইনালে ট্রাম্পের উপস্থিতির কারণে দর্শকরা নিরাপত্তা তল্লাশিতে দীর্ঘ সময় ভোগান্তির শিকার হয়েছিলেন।
ওয়াশিংটনের এই হামলার ঘটনা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে বৃহত্তর আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত কয়েক মাসে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অভিবাসন-বিরোধী কড়াকড়ি অভিযান চালানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-এর (আইসিই) ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টড লায়ন্স জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের সময় তাদের বাহিনী মাঠে থাকবে।
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পোর্ট সিকিউরিটির প্রধান মন্তানারি বলেন, ভক্তদের ইভেন্টের অতিথি হিসেবে দেখা উচিত। তাদের সম্ভাব্য হুমকি বা অপরাধী হিসেবে দেখা অনুচিত। কোনো নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মাঠে মোতায়েন করলে তাদের যতটা সম্ভব গোপনীয়তা বজায় রাখা উচিত।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপের মতো বড় বৈশ্বিক ইভেন্টগুলো যেন কেবলই খেলার ইভেন্ট হিসেবে থাকে। সেগুলো যেন কোনোভাবেই নিরাপত্তা বা পুলিশের ইভেন্টে পরিণত না হয়। নিরাপত্তা এবং সেবার সমন্বয় একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করা জরুরি।
মন্তানারি বলেন, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে দর্শকদের জাতীয়তা বা প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে বৈষম্য করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে এমন দৃষ্টান্তই অনুসরণ করা উচিত। যেকোনো ফুটবল বিশ্বকাপে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা। এমন বড় ইভেন্ট কোনো একটি দেশের পক্ষে একা নিরাপদ রাখা সম্ভব নয়। ইভেন্ট নিরাপদ রাখা মানে শুধু স্টেডিয়াম সুরক্ষিত রাখা নয়, পুরো কমিউনিটিকে সুরক্ষা দেওয়া। এজন্য সরকার, ব্যবসায়ী এবং সুশীল সমাজের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারত্ব প্রয়োজন।
গত সপ্তাহে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ), অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ ১২০টির বেশি সংগঠন ২০২৬ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রে আগত বিদেশিদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে। তারা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ফিফা, আয়োজক শহরগুলো বা মার্কিন সরকার থেকে নিরাপত্তা বা মৌলিক অধিকারের কোনো কার্যকর নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ‘ডাইনেস্টির’ উদাহরণ। এই পরিবারের উত্থান ও বিস্তার দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ডাইনেস্টি অর্থ হলো একই পরিবার বা বংশের ধারাবাহিক শাসন, প্রভাব বা ক্ষমতা ধরে রাখা।
১০ ঘণ্টা আগে
এটি শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের বক্তব্য। সম্প্রতি তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে নকল প্রতিরোধ নিয়ে কথা বলার সময় মন্তব্যটি করেছিলেন। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক ‘ট্রল’। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা তো বটেই, নানা বয়সী মানুষ দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের আদল
১ দিন আগে
‘রবলক্স’ এই প্রজন্মের শিশুদের কাছে কেবল একটি গেম নয়, বরং এক বিশাল ডিজিটাল বিচরণক্ষেত্র যা সৃজনশীলতার আবরণে ঢাকা। তবে এর জনপ্রিয়তার আড়ালে দানা বেঁধেছে নানাবিধ সাইবার ঝুঁকি। এই গেম আমাদের অতীতের ‘ব্লু হোয়েল’ বা ‘মোমো চ্যালেঞ্জ’-এর মতো আত্মঘাতী ও ভয়ংকর গেমগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। বিশেষ করে জেনার
১ দিন আগে
সম্প্রতি প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাস ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এবং আন্তঃজেলা রুটে বাসযাত্রীদের জন্য নতুন ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
২ দিন আগে