স্ট্রিম প্রতিবেদক

নড়াইলের তুলারামপুর এলাকায় তেল না পাওয়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে এক পেট্রোল পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় নিহত হন নাহিদ সরদার, আহত হন জিহাদ মোল্যা। স্ট্রিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিং স্টেশনে ডিজেল নিতে এসে ট্রাকচালকের সঙ্গে ম্যানেজার নাহিদের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে রাত ২টার দিকে নাহিদ ও জিহাদ মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পাম্প থেকে কিছু দূরে তাদের ট্রাকচাপা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিকমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি তেল না পেয়ে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দেওয়ার ঘটনার ভিডিও হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। লিংক: এখানে, এখানে, এখানে
তবে যাচাই করে দেখা যায়, ভিডিওটিতে একাধিক অসংগতি রয়েছে, ভিডিওটির বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল অসংগতি ইঙ্গিত করে, এটি বাস্তব সিসিটিভি ফুটেজ নয়; বরং এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি।
সবচেয়ে স্পষ্ট ত্রুটি ধরা পড়ে ভিডিওর শুরুতেই। প্রায় ০:০২ সেকেন্ডে কয়েকজন মানুষ পেছন দিক থেকে হঠাৎ এমনভাবে দৃশ্যে আসে, যেন তারা কোথা থেকে উদয় হলো, তা বোঝাই যায় না। তাদের শরীরের আকার, চলনের ভঙ্গি এবং অবস্থান পরিবর্তন এতটাই অস্বাভাবিক যে তা সাধারণ সিসিটিভি ফুটেজের স্বাভাবিক ফ্রেম বলে মনে হয় না।
আরও বড় অসংগতি দেখা যায় প্রায় ০:০৪ সেকেন্ডে। সেখানে এক ব্যক্তিকে হঠাৎ দুই ব্যক্তিতে বিভক্ত হতে দেখা যায়। এরপর দৌড় শুরু হলে দুইটি অবয়বই অস্বাভাবিকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়। বাস্তব ভিডিওতে মোশন ব্লার, ছায়া বা কম রেজল্যুশনের কারণে কিছু বিভ্রম তৈরি হতে পারে। কিন্তু একজন মানুষের অবয়ব হঠাৎ দ্বিখণ্ডিত হয়ে দুইটি আলাদা চরিত্রে রূপ নেওয়া, আবার সেই দুইজন মানুষ অস্বাভাবিকভাবে হারিয়ে যাওয়া, জেনারেটিভ এআই ভিডিওর পরিচিত ত্রুটির মধ্যে পড়ে।
ভিডিওজুড়ে আরও কিছু লক্ষণও সন্দেহ বাড়ায়। বিভিন্ন ফ্রেমে মানুষের দৌড়ের ভঙ্গি স্বাভাবিক নয়, ট্রাকচাপার পর আশপাশের মানুষের প্রতিক্রিয়াতেও বাস্তবসম্মত সমন্বয় নেই। সংঘর্ষের মতো গুরুতর একটি দৃশ্যে সাধারণত চারপাশের চলাচল ও প্রতিক্রিয়ায় ধারাবাহিকতা থাকে, কিন্তু এখানে সেই স্বাভাবিকতা অনুপস্থিত।
এদিকে, ভিডিওটি আপলোড করা এক ফেসবুক ব্যবহারকারী নিজের মন্তব্যেই লিখেছেন, ‘ডিসক্লাইমার - ভিডিও ক্লিপ এআই মেকিং।’ অর্থাৎ পোস্টদাতার পক্ষ থেকেই ক্লিপটি এআই-তৈরি বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
নড়াইলের ট্রাকচাপার ঘটনা মূলত একটি অভিযোগভিত্তিক সংবাদ। কিন্তু সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছড়ানো ভিডিওটি আসল সিসিটিভি ফুটেজ বলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। ভিডিওর ভিজ্যুয়াল অসংগতি এবং পোস্টদাতার নিজস্ব ডিসক্লাইমার, দুই দিক থেকেই এটি এআই-তৈরি বা কৃত্রিমভাবে বানানো ক্লিপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘটনার পরে আপডেটে প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই মামলার একমাত্র আসামি ট্রাকচালক সুজাত আলীকে যশোরের বাঘারপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। পাশাপাশি বেনাপোল ট্রাক টার্মিনাল থেকে জব্দ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ট্রাক। র্যাব বলছে, তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপককে অনুসরণ করে ট্রাকচাপায় হত্যার কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন সুজাত আলী।

নড়াইলের তুলারামপুর এলাকায় তেল না পাওয়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে এক পেট্রোল পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় নিহত হন নাহিদ সরদার, আহত হন জিহাদ মোল্যা। স্ট্রিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিং স্টেশনে ডিজেল নিতে এসে ট্রাকচালকের সঙ্গে ম্যানেজার নাহিদের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে রাত ২টার দিকে নাহিদ ও জিহাদ মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পাম্প থেকে কিছু দূরে তাদের ট্রাকচাপা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিকমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি তেল না পেয়ে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দেওয়ার ঘটনার ভিডিও হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। লিংক: এখানে, এখানে, এখানে
তবে যাচাই করে দেখা যায়, ভিডিওটিতে একাধিক অসংগতি রয়েছে, ভিডিওটির বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল অসংগতি ইঙ্গিত করে, এটি বাস্তব সিসিটিভি ফুটেজ নয়; বরং এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি।
সবচেয়ে স্পষ্ট ত্রুটি ধরা পড়ে ভিডিওর শুরুতেই। প্রায় ০:০২ সেকেন্ডে কয়েকজন মানুষ পেছন দিক থেকে হঠাৎ এমনভাবে দৃশ্যে আসে, যেন তারা কোথা থেকে উদয় হলো, তা বোঝাই যায় না। তাদের শরীরের আকার, চলনের ভঙ্গি এবং অবস্থান পরিবর্তন এতটাই অস্বাভাবিক যে তা সাধারণ সিসিটিভি ফুটেজের স্বাভাবিক ফ্রেম বলে মনে হয় না।
আরও বড় অসংগতি দেখা যায় প্রায় ০:০৪ সেকেন্ডে। সেখানে এক ব্যক্তিকে হঠাৎ দুই ব্যক্তিতে বিভক্ত হতে দেখা যায়। এরপর দৌড় শুরু হলে দুইটি অবয়বই অস্বাভাবিকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়। বাস্তব ভিডিওতে মোশন ব্লার, ছায়া বা কম রেজল্যুশনের কারণে কিছু বিভ্রম তৈরি হতে পারে। কিন্তু একজন মানুষের অবয়ব হঠাৎ দ্বিখণ্ডিত হয়ে দুইটি আলাদা চরিত্রে রূপ নেওয়া, আবার সেই দুইজন মানুষ অস্বাভাবিকভাবে হারিয়ে যাওয়া, জেনারেটিভ এআই ভিডিওর পরিচিত ত্রুটির মধ্যে পড়ে।
ভিডিওজুড়ে আরও কিছু লক্ষণও সন্দেহ বাড়ায়। বিভিন্ন ফ্রেমে মানুষের দৌড়ের ভঙ্গি স্বাভাবিক নয়, ট্রাকচাপার পর আশপাশের মানুষের প্রতিক্রিয়াতেও বাস্তবসম্মত সমন্বয় নেই। সংঘর্ষের মতো গুরুতর একটি দৃশ্যে সাধারণত চারপাশের চলাচল ও প্রতিক্রিয়ায় ধারাবাহিকতা থাকে, কিন্তু এখানে সেই স্বাভাবিকতা অনুপস্থিত।
এদিকে, ভিডিওটি আপলোড করা এক ফেসবুক ব্যবহারকারী নিজের মন্তব্যেই লিখেছেন, ‘ডিসক্লাইমার - ভিডিও ক্লিপ এআই মেকিং।’ অর্থাৎ পোস্টদাতার পক্ষ থেকেই ক্লিপটি এআই-তৈরি বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
নড়াইলের ট্রাকচাপার ঘটনা মূলত একটি অভিযোগভিত্তিক সংবাদ। কিন্তু সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছড়ানো ভিডিওটি আসল সিসিটিভি ফুটেজ বলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। ভিডিওর ভিজ্যুয়াল অসংগতি এবং পোস্টদাতার নিজস্ব ডিসক্লাইমার, দুই দিক থেকেই এটি এআই-তৈরি বা কৃত্রিমভাবে বানানো ক্লিপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘটনার পরে আপডেটে প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই মামলার একমাত্র আসামি ট্রাকচালক সুজাত আলীকে যশোরের বাঘারপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। পাশাপাশি বেনাপোল ট্রাক টার্মিনাল থেকে জব্দ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ট্রাক। র্যাব বলছে, তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপককে অনুসরণ করে ট্রাকচাপায় হত্যার কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন সুজাত আলী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অপতথ্যের ছড়াছড়ি। ছাত্র সংসদ, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরেও সমানে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য কিংবা বিকৃত তথ্য। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা হচ্ছে, যা ফ্যাক্টচেক রিপোর্টেও স্পষ্ট।
১ দিন আগে
জিক মাধ্যমে ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গভীর রাতে তেল আসার সংবাদে শত শত মোটরসাইকেল একটি ফিলিং স্টেশনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং অনেক চালক স্টেশন চত্বরে ঘুমিয়ে পড়েছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ব্যবহৃত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
২ দিন আগে
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে নতুন করে মৃত্যু বা আহত হওয়ার জল্পনার কথা সামনে এনেছে।
২০ দিন আগে
ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা দাবি, ভিডিও ও ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আকাশে পাল্টাপাল্টি হামলার শিরোনামের আড়ালে অনলাইনে ঘুরছে নেতাদের মৃত্যু, বেঁচে থাকা, টার্গেট ধ্বংস, বিমানবন্দরে হামলা, এমনকি শেষকৃত্যের মতো দৃশ্যের দাবিও।
০৩ মার্চ ২০২৬