গত কয়েক বছর ধরে পৃথিবীর ফুসফুস অ্যামাজন রেইনফরেস্টের দাবানল বিশ্বজুড়ে মনোযোগ কেড়েছে। ব্রাজিলের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা দ্য ন্যাশনাল ফর স্পেস রিসার্চের (ইনপে) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত, আটমাসে অ্যামাজনে ৭৫ হাজারের বেশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হায়লা মোবাইলের প্রধান নির্বাহী বিজু নায়ারের বলছেন, অ্যামাজনের অগ্নিকান্ডের এ সব ঘটনার পেছনে প্রধান দায় স্মার্টফোনের। কিন্তু কিভাবে? জানাচ্ছেন মিনহাজ রহমান পিয়াস
বাংলা স্ট্রিম

অ্যামাজনের অগ্নিকান্ডের পেছনে গবাদি পশুর খামার ও কৃষকের জমি পরিষ্কার করাকে দায়ী করেন অনেকে। তবে এটাই একমাত্র কারণ নয়। এ সব অগ্নিকান্ডের বড় কারণ হলো- বন পুড়িয়ে সোনার মতো ধাতুর খনিতে প্রবেশের রাস্তা পরিস্কার করা। কেননা বেশিরভাগ খনি অ্যামাজন মহাবনের গাছপালার নিচে।
প্রযুক্তিভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ান্ডারোপলিসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্মার্টফোন তৈরিতে মূলত লোহা, অ্যালুমিনিয়াম, তামা, সোনা ও টিনের মতো ধাতু ব্যবহার করা হয়। এসব ধাতু সংগ্রহ করা হয় ব্রাজিল, পেরু এবং চীনের খনি থেকে। খনিগুলো বেশিরভাগই অ্যামাজন মহাবনে। ধাতুর এইসব খনি এবং মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাধা বনের গাছপালা। সেই বাধা দূর করতে সোনার মতো ধাতু আহরণকারীরা বনে আগুণ লাগিয়ে দেয়, যাতে গাছপালার মতো বাধা তাদের ধাতু আহরণে বাধা হয়ে দাড়াতে না পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অ্যামাজন মহাবন এখন আগুন আর খনির আওতায় চলে গেছে। শুধু সোনা তুলতেই পেরুর ‘মাদ্রে দে দিয়োস’ অঞ্চলে ধ্বংস হয়েছে ২ লক্ষ ৫০ হাজার একর বন। পুরো দক্ষিণ আমেরিকায় এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১৫ হাজার একর।
স্মার্টফোন কতটা দায়ী
একেকটি স্মার্টফোন বানাতে গড়ে ০.০৩৪ গ্রাম সোনা ব্যবহার হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য ২০০ টাকার বেশি। গ্লোবাল স্মার্টফোন মার্কেট এনালাইসিস এর তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে পুরো ১২২০ কোটির বেশি ফোন বিক্রি হয়েছে। মানে, শুধু স্মার্টফোনের জন্যই লেগেছে ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮০০ কেজি সোনা। আর এই সোনার বেশিরভাগই আহরণ করা হয়েছে অ্যমাজনের সোনার খনি থেকে। যা সংগ্রহ করতে অগ্নিকান্ডের মাধ্যমে বন ধ্বংসের মহোত্সব করেছে খনি থেকে সোনা আহরণে যুক্ত ব্যক্তিরা।
বিষয়টি শুধু গাছ কাটা বা পুড়িয়ে ফেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং ধাতু সংগ্রহ করতে গিয়ে অ্যামাজনের মাটির ২–৪ মিটার নিচে খোঁড়া হচ্ছে, যা কার্বনসমৃদ্ধ। এতে মাটি নষ্ট হচ্ছে, বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে কার্বন। সোনার সঙ্গে ব্যবহৃত হচ্ছে পারদ, যা বিষাক্ত করে দিচ্ছে পানি ও খাবার।
সমাধান কী?
গবেষণা বলছে, যদি আমরা মাত্র ১ বছরের জন্য ফোন বদলানো বন্ধ করি এবং মাত্র ২ কোটি ডিভাইস ট্রেড-ইন (পুরাতন ফোন কিনে ব্যবহার করা) করি, তাহলে ২০ লক্ষ গাড়ি না থাকলে যতটা কার্বন কমবে, ততটা কমানো সম্ভব। শুধু এর মাধ্যমেই ছয় লাখ ৮০ হাজার কেজি আকরিক খনন বন্ধ হবে। বাঁচবে চার লাখ ১০ হাজার কেজি সায়ানাইড, কমে যাবে পারদের ব্যবহার। বেঁচে যাবে অ্যামাজনের বন।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, প্রথম আলো, ওয়ান্ডারোপলিস, সিএলটাম্পা

অ্যামাজনের অগ্নিকান্ডের পেছনে গবাদি পশুর খামার ও কৃষকের জমি পরিষ্কার করাকে দায়ী করেন অনেকে। তবে এটাই একমাত্র কারণ নয়। এ সব অগ্নিকান্ডের বড় কারণ হলো- বন পুড়িয়ে সোনার মতো ধাতুর খনিতে প্রবেশের রাস্তা পরিস্কার করা। কেননা বেশিরভাগ খনি অ্যামাজন মহাবনের গাছপালার নিচে।
প্রযুক্তিভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ান্ডারোপলিসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্মার্টফোন তৈরিতে মূলত লোহা, অ্যালুমিনিয়াম, তামা, সোনা ও টিনের মতো ধাতু ব্যবহার করা হয়। এসব ধাতু সংগ্রহ করা হয় ব্রাজিল, পেরু এবং চীনের খনি থেকে। খনিগুলো বেশিরভাগই অ্যামাজন মহাবনে। ধাতুর এইসব খনি এবং মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাধা বনের গাছপালা। সেই বাধা দূর করতে সোনার মতো ধাতু আহরণকারীরা বনে আগুণ লাগিয়ে দেয়, যাতে গাছপালার মতো বাধা তাদের ধাতু আহরণে বাধা হয়ে দাড়াতে না পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অ্যামাজন মহাবন এখন আগুন আর খনির আওতায় চলে গেছে। শুধু সোনা তুলতেই পেরুর ‘মাদ্রে দে দিয়োস’ অঞ্চলে ধ্বংস হয়েছে ২ লক্ষ ৫০ হাজার একর বন। পুরো দক্ষিণ আমেরিকায় এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১৫ হাজার একর।
স্মার্টফোন কতটা দায়ী
একেকটি স্মার্টফোন বানাতে গড়ে ০.০৩৪ গ্রাম সোনা ব্যবহার হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য ২০০ টাকার বেশি। গ্লোবাল স্মার্টফোন মার্কেট এনালাইসিস এর তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে পুরো ১২২০ কোটির বেশি ফোন বিক্রি হয়েছে। মানে, শুধু স্মার্টফোনের জন্যই লেগেছে ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮০০ কেজি সোনা। আর এই সোনার বেশিরভাগই আহরণ করা হয়েছে অ্যমাজনের সোনার খনি থেকে। যা সংগ্রহ করতে অগ্নিকান্ডের মাধ্যমে বন ধ্বংসের মহোত্সব করেছে খনি থেকে সোনা আহরণে যুক্ত ব্যক্তিরা।
বিষয়টি শুধু গাছ কাটা বা পুড়িয়ে ফেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং ধাতু সংগ্রহ করতে গিয়ে অ্যামাজনের মাটির ২–৪ মিটার নিচে খোঁড়া হচ্ছে, যা কার্বনসমৃদ্ধ। এতে মাটি নষ্ট হচ্ছে, বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে কার্বন। সোনার সঙ্গে ব্যবহৃত হচ্ছে পারদ, যা বিষাক্ত করে দিচ্ছে পানি ও খাবার।
সমাধান কী?
গবেষণা বলছে, যদি আমরা মাত্র ১ বছরের জন্য ফোন বদলানো বন্ধ করি এবং মাত্র ২ কোটি ডিভাইস ট্রেড-ইন (পুরাতন ফোন কিনে ব্যবহার করা) করি, তাহলে ২০ লক্ষ গাড়ি না থাকলে যতটা কার্বন কমবে, ততটা কমানো সম্ভব। শুধু এর মাধ্যমেই ছয় লাখ ৮০ হাজার কেজি আকরিক খনন বন্ধ হবে। বাঁচবে চার লাখ ১০ হাজার কেজি সায়ানাইড, কমে যাবে পারদের ব্যবহার। বেঁচে যাবে অ্যামাজনের বন।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, প্রথম আলো, ওয়ান্ডারোপলিস, সিএলটাম্পা

আজ রকসম্রাট আজম খানের মৃত্যুদিন। বাংলা গানের প্রথা ভাঙা বিপ্লবী আজম খান কেন বেছে নিয়েছিলেন রকের রুক্ষ পথ? সুরের জগতের সেই ‘ঝাঁকি’ আর ‘দোলা’ কি কেবল বিনোদন ছিল, নাকি যুদ্ধফেরত তরুণদের অস্তিত্ব রক্ষার আর্তনাদ?
১৪ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদ রশিদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের রোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি ব্রিটিশ শাসনামলের ভারত, পকিস্তান ও বাংলাদেশ নিয়ে বেশ কিছু প্রশংসিত গ্রন্থের লেখক। এক দশকেরও বেশি সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। এই নিবন্ধটি ২০২১ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বই ‘আইডেন্টিটি অব আ মুসলিম ফ্যা
১৭ ঘণ্টা আগে
কবি নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’ প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে ৩৩৪টি সংক্ষিপ্ত অথচ ভাবগভীর কবিতা, যেগুলোকে কবি নাম দিয়েছেন ‘ঝিনুককবিতা’।
২ দিন আগে
‘পোভার্টি পর্ন’ শব্দটি এখন বেশ প্রচলিত। অক্সফোর্ড ডিকশনারি অনুযায়ী, আশির দশকে এর জন্ম। অনেক সময় বিভিন্ন এনজিও দারিদ্র্যকে পুঁজি করে বিজ্ঞাপনের বিষয় বানিয়ে টাকা তোলার চেষ্টা করে। এই প্রবণতাকে পর্নোগ্রাফির সঙ্গে তুলনা করেই শব্দটির উদ্ভব। ‘রইদ’ সিনেমা নিয়ে লিখতে গিয়ে আমি পোভার্টি পর্ন নিয়ে এত কথা বলছি
২ দিন আগে