জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস
হুমায়ূন শফিক

চলচ্চিত্রকে কেবল কারিগরি কাজ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি সময়ের এক প্রামাণ্য দলিল। দেশে চলচ্চিত্রের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিধি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সিনেমাকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ‘ফিল্ম স্টাডিজ’ বিভাগে পড়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্বল্পমেয়াদি কোর্স করা যায়।
এ বিষয়ে তরুণ চলচ্চিত্রপ্রেমী রায়হানা আফরোজ বলেন, বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্রকারদের কাজ নতুন করে পাঠ করা জরুরি। এজন্য আমি একটি ফিল্ম ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার কথা ভাবছি। সত্যজিৎ বা জহির রায়হানের মতো গুণী মানুষদের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে গবেষণা না করলে সিনেমার প্রকৃত জ্ঞান অর্জন সম্ভব নয়। চলচ্চিত্রে পেশা গড়তে চাইলে, অ্যাকাডেমিক শিক্ষা অনেক সহায়তা করে।
কোথায় আছে চলচ্চিত্র পড়ার সুযোগ
এতসব সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশে পাবলিক ও প্রাইভেট—উভয় খাতেই চলচ্চিত্র নিয়ে পড়ার কিছু সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি’ বিভাগ বর্তমানে চলচ্চিত্রবিষয়ক শিক্ষার সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত জায়গা। তবে এখানে গবেষণার চেয়ে প্র্যাকটিক্যাল কাজের দিকেই বেশি জোর দেওয়া হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: এখানে ‘নাটক ও নাট্যতত্ত্ব’ বিভাগের অধীনে চলচ্চিত্রের ওপর বেশ কিছু কোর্স রয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: ‘গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা’ বিভাগের অধীনে চলচ্চিত্রের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক পাঠ দেওয়া হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: এখানে ‘ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন’ নামে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ রয়েছে।
বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই): সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত ডিপ্লোমা ও স্বল্পমেয়াদি কোর্স প্রদান করে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়: স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, গ্রিন ইউনিভার্সিটি এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে চলচ্চিত্র ও মিডিয়া স্টাডিজ পড়ার সুযোগ রয়েছে।
পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট: বেসরকারি পর্যায়ে এটি চলচ্চিত্রের কারিগরি ও নন্দনতত্ত্ব শিক্ষার একটি শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিটিটিউট: এখানে ফিল্মমেকিং কোর্স, ডিজিটাল ফিল্মমেকিং কোর্স, স্ক্রিপ্ট রাইটিং ওয়ার্কশপ, সিনেমাটোগ্রাফি ওয়ার্কশপগুলো করা হয়।

চলচ্চিত্রকে কেবল কারিগরি কাজ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি সময়ের এক প্রামাণ্য দলিল। দেশে চলচ্চিত্রের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিধি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সিনেমাকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ‘ফিল্ম স্টাডিজ’ বিভাগে পড়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্বল্পমেয়াদি কোর্স করা যায়।
এ বিষয়ে তরুণ চলচ্চিত্রপ্রেমী রায়হানা আফরোজ বলেন, বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্রকারদের কাজ নতুন করে পাঠ করা জরুরি। এজন্য আমি একটি ফিল্ম ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার কথা ভাবছি। সত্যজিৎ বা জহির রায়হানের মতো গুণী মানুষদের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে গবেষণা না করলে সিনেমার প্রকৃত জ্ঞান অর্জন সম্ভব নয়। চলচ্চিত্রে পেশা গড়তে চাইলে, অ্যাকাডেমিক শিক্ষা অনেক সহায়তা করে।
কোথায় আছে চলচ্চিত্র পড়ার সুযোগ
এতসব সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশে পাবলিক ও প্রাইভেট—উভয় খাতেই চলচ্চিত্র নিয়ে পড়ার কিছু সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি’ বিভাগ বর্তমানে চলচ্চিত্রবিষয়ক শিক্ষার সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত জায়গা। তবে এখানে গবেষণার চেয়ে প্র্যাকটিক্যাল কাজের দিকেই বেশি জোর দেওয়া হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: এখানে ‘নাটক ও নাট্যতত্ত্ব’ বিভাগের অধীনে চলচ্চিত্রের ওপর বেশ কিছু কোর্স রয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: ‘গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা’ বিভাগের অধীনে চলচ্চিত্রের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক পাঠ দেওয়া হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: এখানে ‘ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন’ নামে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ রয়েছে।
বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই): সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত ডিপ্লোমা ও স্বল্পমেয়াদি কোর্স প্রদান করে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়: স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, গ্রিন ইউনিভার্সিটি এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে চলচ্চিত্র ও মিডিয়া স্টাডিজ পড়ার সুযোগ রয়েছে।
পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট: বেসরকারি পর্যায়ে এটি চলচ্চিত্রের কারিগরি ও নন্দনতত্ত্ব শিক্ষার একটি শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিটিটিউট: এখানে ফিল্মমেকিং কোর্স, ডিজিটাল ফিল্মমেকিং কোর্স, স্ক্রিপ্ট রাইটিং ওয়ার্কশপ, সিনেমাটোগ্রাফি ওয়ার্কশপগুলো করা হয়।

জীবন কাকে কোথায় নিয়ে যায়, তা কেউই বলতে পারে না। যেমন শায় টেইলর অ্যালেন এখন ইয়েল নিউ হ্যাভেন হাসপাতালে চিকিৎসক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। অথচ তিনি এখানে টানা ১০ বছর পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করেছেন। মজার বিষয়– এই হাসপাতালেই জন্ম অ্যালেনের।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) তৃতীয় থেকে দশম গ্রেডের বিভিন্ন নন–ক্যাডার পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে মোট ১১১টি পদে জনবল নেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার শেষ সময় আগামী ১৯ এপ্রিল।
২৩ দিন আগে
চলুন দেখে নেওয়া যাক, ২০২৬ সালে কোন কোন বিষয় জেন-জি প্রজন্মের চাকরি খোঁজার কৌশলকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করছে।
০২ মার্চ ২০২৬
৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আগামী ৯ এপ্রিল ২০২৬ থেকে এই লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে। বুধবার পিএসসি সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬