স্ট্রিম ডেস্ক

জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজের উত্তরসূরি ফ্রিডরিখ মের্জ জার্মান আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, ইরান যেন তার প্রতিবেশীদের জন্য হুমকি হয়ে না দাঁড়ায় সে বিষয়ে তিনি একমত। তবে আমেরিকা-ইসরায়েল যুদ্ধের যৌক্তিকতা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মের্জ গতকাল (১৮ মার্চ) বলেন, ‘আজ পর্যন্ত এই অভিযান কীভাবে সফল হবে তার কোনো বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা নেই। ওয়াশিংটন আমাদের সাথে কোনো পরামর্শ করেনি। ইউরোপীয় সহায়তার প্রয়োজন আছে বলেও জানায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই যুদ্ধ যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে, আমরা হলে এই পথে না হাঁটার পরামর্শ দিতাম। তাই আমরা ঘোষণা করেছি যে যুদ্ধ চলাকালে আমরা হরমোজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় সামরিকভাবে অংশগ্রহণ করব না।’
ইউরোপীয় নেতারা ইরান বিরোধী সামরিক অভিযানে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে অস্বীকার করেছেন। তারা এমন এক অনিশ্চিত যুদ্ধে জড়াতে চান না যার লক্ষ্য তাদের কাছে অস্পষ্ট এবং যা নিজ দেশের জনগণের কাছে জনপ্রিয় নয়।
জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াসও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘এটি আমাদের যুদ্ধ নয়, আমরা এটি শুরু করিনি।’ একই সুরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, ‘আমরা এই সংঘাতের পক্ষ নই।’
ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে ইউরোপীয়রা
ইউরোপীয়রা দীর্ঘকাল ধরেই শঙ্কিত যে, ট্রাম্পকে চটালে তিনি ইউক্রেন ইস্যুতে তাদের একা ফেলে দিতে পারেন। এমনকি ন্যাটোর অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে বছরের শুরুতে ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখল করার ট্রাম্পের পরিকল্পনায় দেশগুলো আতঙ্কিত।
ট্রাম্প অবশ্য ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে বলেছেন, তারা আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে যোগ না দিয়ে ‘মারাত্মক বোকামি’ করেছে। তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বলেছেন যে, স্টারমার কোনোভাবেই উইনস্টন চার্চিল নন।
তবে স্টারমার ও অন্যান্য নেতাদের পাশে রয়েছে জনমত। ইউগোভ-এর জরিপ অনুযায়ী, ৪৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক এই হামলার বিরোধী। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও এই হামলাকে ‘বেপরোয়া ও অবৈধ’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন।
জার্মানিতে ৫৮ শতাংশ এবং স্পেনে ৬৮ শতাংশ মানুষ এই যুদ্ধের বিপক্ষে। এমনকি উগ্র-ডানপন্থী দল এএফডির নেতা টিনো ক্রুপাল্লা বলেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে শুরু করেছিলেন, কিন্তু যুদ্ধবাজ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শেষ করবেন।’

জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজের উত্তরসূরি ফ্রিডরিখ মের্জ জার্মান আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, ইরান যেন তার প্রতিবেশীদের জন্য হুমকি হয়ে না দাঁড়ায় সে বিষয়ে তিনি একমত। তবে আমেরিকা-ইসরায়েল যুদ্ধের যৌক্তিকতা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মের্জ গতকাল (১৮ মার্চ) বলেন, ‘আজ পর্যন্ত এই অভিযান কীভাবে সফল হবে তার কোনো বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা নেই। ওয়াশিংটন আমাদের সাথে কোনো পরামর্শ করেনি। ইউরোপীয় সহায়তার প্রয়োজন আছে বলেও জানায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই যুদ্ধ যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে, আমরা হলে এই পথে না হাঁটার পরামর্শ দিতাম। তাই আমরা ঘোষণা করেছি যে যুদ্ধ চলাকালে আমরা হরমোজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় সামরিকভাবে অংশগ্রহণ করব না।’
ইউরোপীয় নেতারা ইরান বিরোধী সামরিক অভিযানে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে অস্বীকার করেছেন। তারা এমন এক অনিশ্চিত যুদ্ধে জড়াতে চান না যার লক্ষ্য তাদের কাছে অস্পষ্ট এবং যা নিজ দেশের জনগণের কাছে জনপ্রিয় নয়।
জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াসও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘এটি আমাদের যুদ্ধ নয়, আমরা এটি শুরু করিনি।’ একই সুরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, ‘আমরা এই সংঘাতের পক্ষ নই।’
ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে ইউরোপীয়রা
ইউরোপীয়রা দীর্ঘকাল ধরেই শঙ্কিত যে, ট্রাম্পকে চটালে তিনি ইউক্রেন ইস্যুতে তাদের একা ফেলে দিতে পারেন। এমনকি ন্যাটোর অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে বছরের শুরুতে ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখল করার ট্রাম্পের পরিকল্পনায় দেশগুলো আতঙ্কিত।
ট্রাম্প অবশ্য ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে বলেছেন, তারা আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে যোগ না দিয়ে ‘মারাত্মক বোকামি’ করেছে। তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বলেছেন যে, স্টারমার কোনোভাবেই উইনস্টন চার্চিল নন।
তবে স্টারমার ও অন্যান্য নেতাদের পাশে রয়েছে জনমত। ইউগোভ-এর জরিপ অনুযায়ী, ৪৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক এই হামলার বিরোধী। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও এই হামলাকে ‘বেপরোয়া ও অবৈধ’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন।
জার্মানিতে ৫৮ শতাংশ এবং স্পেনে ৬৮ শতাংশ মানুষ এই যুদ্ধের বিপক্ষে। এমনকি উগ্র-ডানপন্থী দল এএফডির নেতা টিনো ক্রুপাল্লা বলেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে শুরু করেছিলেন, কিন্তু যুদ্ধবাজ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শেষ করবেন।’

বিজেপি সরকারে আসায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ‘পশ্চিম বাংলাদেশ’ হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির রাজ্য সহসভাপতি ও নবনিযুক্ত মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শনিবার (৯ মে) শপথ নেওয়ার পর বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে একথা বলেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের কাছে সমুদ্রে তেলের বিশাল স্তর শনাক্ত হয়েছে। তবে এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।
১৩ ঘণ্টা আগে
তিন দিনের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেনে। শুক্রবার নিজের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, এই যুদ্ধবিরতি শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত চলবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজন করা হয় শপথ অনুষ্ঠান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহসহ বিজেপির শীর্ষ নেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
১৮ ঘণ্টা আগে