স্ট্রিম ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই মাইন শনাক্তকারী দুটি মার্কিন রণতরি হঠাৎ মালয়েশিয়ায় দেখা গেছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ার জোনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশলগত এই পদক্ষেপ নিয়ে বর্তমানে সামরিক জল্পনা শুরু হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) মালয়েশিয়ার পেনাং বন্দরের উত্তর বাটারওয়ার্থ কন্টেইনার টার্মিনালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ক্লাস’ লিটোরাল কমব্যাট শিপ (এলসিএস) ইউএসএস তুলসা এবং ইউএসএস সান্তা বারবারাকে ভিড়তে দেখা গেছে।
দ্য ওয়ার জোনের দাবি, এই দুই রণতরি মূলত মাইন বা সমুদ্রতলে লুকানো বিস্ফোরক শনাক্ত ও ধ্বংস করার প্রযুক্তিতে সজ্জিত। গত কয়েক মাস ধরে এগুলো বাহরাইনে মোতায়েন ছিল। তবে হঠাৎ কয়েক হাজার মাইল দূরে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এদের উপস্থিতি সামরিক বিশ্লেষকদের অবাক করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ইরান এই জলপথে মাইন বিছিয়ে রেখেছে। এই খবরের মধ্যেই মাইন পরিষ্কার করার প্রধান দুটি জাহাজকে কেন সরিয়ে নেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এবং পঞ্চম নৌবহর প্রাথমিকভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। পরে অবশ্য নেভসেন্টের মুখপাত্র কমান্ডার জো হন্টজ এক বিবৃতিতে একে ‘সংক্ষিপ্ত লজিস্টিক স্টপ’ বা বিরতি হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাহরাইনের বন্দরগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আওতার মধ্যে থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থেই হয়তো জাহাজগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা এই শ্রেণির তিন নম্বর জাহাজ ইউএসএস ক্যানবেরার বর্তমান অবস্থান এখনো জানা যায়নি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা আগামী কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে পাহারা দেওয়ার কাজ শুরু করবে না। মাইন শনাক্তকারী জাহাজগুলো দূরে থাকায় এই রুট পুনরায় সচল করার প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই মাইন শনাক্তকারী দুটি মার্কিন রণতরি হঠাৎ মালয়েশিয়ায় দেখা গেছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ার জোনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশলগত এই পদক্ষেপ নিয়ে বর্তমানে সামরিক জল্পনা শুরু হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) মালয়েশিয়ার পেনাং বন্দরের উত্তর বাটারওয়ার্থ কন্টেইনার টার্মিনালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ক্লাস’ লিটোরাল কমব্যাট শিপ (এলসিএস) ইউএসএস তুলসা এবং ইউএসএস সান্তা বারবারাকে ভিড়তে দেখা গেছে।
দ্য ওয়ার জোনের দাবি, এই দুই রণতরি মূলত মাইন বা সমুদ্রতলে লুকানো বিস্ফোরক শনাক্ত ও ধ্বংস করার প্রযুক্তিতে সজ্জিত। গত কয়েক মাস ধরে এগুলো বাহরাইনে মোতায়েন ছিল। তবে হঠাৎ কয়েক হাজার মাইল দূরে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এদের উপস্থিতি সামরিক বিশ্লেষকদের অবাক করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ইরান এই জলপথে মাইন বিছিয়ে রেখেছে। এই খবরের মধ্যেই মাইন পরিষ্কার করার প্রধান দুটি জাহাজকে কেন সরিয়ে নেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এবং পঞ্চম নৌবহর প্রাথমিকভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। পরে অবশ্য নেভসেন্টের মুখপাত্র কমান্ডার জো হন্টজ এক বিবৃতিতে একে ‘সংক্ষিপ্ত লজিস্টিক স্টপ’ বা বিরতি হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাহরাইনের বন্দরগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আওতার মধ্যে থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থেই হয়তো জাহাজগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা এই শ্রেণির তিন নম্বর জাহাজ ইউএসএস ক্যানবেরার বর্তমান অবস্থান এখনো জানা যায়নি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা আগামী কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে পাহারা দেওয়ার কাজ শুরু করবে না। মাইন শনাক্তকারী জাহাজগুলো দূরে থাকায় এই রুট পুনরায় সচল করার প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও চলমান ইরান যুদ্ধে জড়াবেনা বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও গ্রিস।
১ ঘণ্টা আগে
মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের দিনসহ তার পরবর্তী সময়েও আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েল।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব ও লঙ্ঘনের অভিযোগে কট্টরপন্থী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)।
২ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধান কায়া কালাস জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে ইউরোপের পক্ষ থেকে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনায় বসছে সদস্য দেশগুলো।
৫ ঘণ্টা আগে