স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘সঠিক পথেই এগোচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তবে এই যুদ্ধ কবে বা কীভাবে শেষ হবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
হেগসেথ বলেন, ‘যুদ্ধ শেষের বিষয়টি প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। মার্কিন জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের যা অর্জন করা প্রয়োজন, তা যখন অর্জিত হবে, তখনই আমরা থামব। এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা নেই। তবে আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি।’
ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত ইরানে ৭ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজ পর্যন্ত আমরা ইরান এবং তাদের সামরিক অবকাঠামো জুড়ে ৭ হাজারের বেশি নিশানায় হামলা চালিয়েছি। এটি কোনো ধীরগতির আক্রমণ নয়, বরং নিখুঁত ও অপ্রতিরোধ্য শক্তির প্রয়োগ।’
এর ফলে ইরানের নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে এবং সংঘাত শুরুর পর থেকে তাদের এই সক্ষমতা ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া কামিকাজে ড্রোনসহ অন্যান্য মানবহীন আকাশযানের (ইউএভি) সক্ষমতাও ৯০ শতাংশ কমেছে বলে দাবি করেন হেগসেথ।
এই যুদ্ধে কারা যুক্তরাষ্ট্রকে সবচে বেশি সহযোগিতা করছে সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে হেগসেথ জানান, ইসরায়েল প্রথম দিন থেকেই ‘অবিশ্বাস্য ও সক্ষম অংশীদার’ হিসেবে কাজ করছে। এছাড়া উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশগুলো অবিশ্বাস্যভাবে এগিয়ে এসেছে। তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিরোধ গড়তে পেরে আমরা গর্বিত।’

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘সঠিক পথেই এগোচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তবে এই যুদ্ধ কবে বা কীভাবে শেষ হবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
হেগসেথ বলেন, ‘যুদ্ধ শেষের বিষয়টি প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। মার্কিন জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের যা অর্জন করা প্রয়োজন, তা যখন অর্জিত হবে, তখনই আমরা থামব। এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা নেই। তবে আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি।’
ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত ইরানে ৭ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজ পর্যন্ত আমরা ইরান এবং তাদের সামরিক অবকাঠামো জুড়ে ৭ হাজারের বেশি নিশানায় হামলা চালিয়েছি। এটি কোনো ধীরগতির আক্রমণ নয়, বরং নিখুঁত ও অপ্রতিরোধ্য শক্তির প্রয়োগ।’
এর ফলে ইরানের নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে এবং সংঘাত শুরুর পর থেকে তাদের এই সক্ষমতা ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া কামিকাজে ড্রোনসহ অন্যান্য মানবহীন আকাশযানের (ইউএভি) সক্ষমতাও ৯০ শতাংশ কমেছে বলে দাবি করেন হেগসেথ।
এই যুদ্ধে কারা যুক্তরাষ্ট্রকে সবচে বেশি সহযোগিতা করছে সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে হেগসেথ জানান, ইসরায়েল প্রথম দিন থেকেই ‘অবিশ্বাস্য ও সক্ষম অংশীদার’ হিসেবে কাজ করছে। এছাড়া উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশগুলো অবিশ্বাস্যভাবে এগিয়ে এসেছে। তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিরোধ গড়তে পেরে আমরা গর্বিত।’

জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজের উত্তরসূরি ফ্রিডরিখ মের্জ জার্মান আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, ইরান যেন তার প্রতিবেশীদের জন্য হুমকি হয়ে না দাঁড়ায় সে বিষয়ে তিনি একমত। তবে আমেরিকা-ইসরায়েল যুদ্ধের যৌক্তিকতা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ বলেছেন, তাঁর দেশ ও উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানি হামলা হজমের ক্ষমতা সীমিত।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়ায় দোহাস্থ তেহরান দূতাবাসের সামরিক অ্যাটাশে ও নিরাপত্তা অ্যাটাশেসহ কয়েকজন ইরানি কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে কাতার। তাঁদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাতার ছাড়তে বলা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধে কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসের কাছে অনুরোধ করেছে পেন্টাগন। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিশাল অর্থ চাহিদার অনুরোধ দেশটির সংঘাতের বিরোধী আইনপ্রণেতাদের প্রতিরোধের মুখে পড়বে।
১১ ঘণ্টা আগে