বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, দপ্তরে তালা

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
বরিশাল

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। সংগৃহীত ছবি
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। সংগৃহীত ছবি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (সিডিএম) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনের অবহেলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে তাঁকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে চেয়ারম্যানের কক্ষসহ শ্রেণি ও অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, চেয়ারম্যানকে নিয়মিত বিভাগে পাওয়া যায় না। অন্য শিক্ষকদের ক্লাস নেওয়ার বিষয়েও যথাযথ নজরদারি নেই। ফলে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা না হওয়ায় একদিকে পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। এতে দীর্ঘ হচ্ছে সেশনজট।

অধ্যাপক ড. হাফিজ সিডিএম বিভাগের চেয়ারম্যান ছাড়াও জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বছর মেয়াদি সমন্বিত ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রকল্পের পরিচালক হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

আজ দুপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাফিজের দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেন। দপ্তরের সামনে চেয়ারম্যানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ব্যানারও টাঙিয়ে দেন তাঁরা। পরে শিক্ষার্থীরা একটি মিছিল নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ডা. হাফিজ হকের দায়িত্ব যত বেড়েছে, বিভাগের প্রতি তাঁর সময় তত কমেছে। বিভাগকে সচল করতে চেয়ারম্যানকে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অপসারণ বা পদত্যাগের মাধ্যমে একাডেমিক কার্যক্রমে গতি ফেরানোর দাবি জানান তাঁরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বাস্তব পরিস্থিতি বুঝতে পারলে তাঁদের ভুল ভাঙবে।

এদিকে আন্দোলনের সময় মোবাইল ফোনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ। শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় চান তিনি। পরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহদী হাসান সোহাগ স্ট্রিমকে জানান, ‘শিক্ষার্থীরা আমাদের লিখিতভাবে অভিযোগ দিলে আমরা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত