এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু, আংশিক বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৭: ৩৭
কক্সবাজারের মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ২টা থেকে টার্মিনালে থাকা অবশিষ্ট এলএনজি গ্যাসে রূপান্তর করে সরবরাহ শুরু করা হয়।

এলএনজি আমদানিতে নিয়োজিত পেট্রোবাংলার আওতাধীন প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এক কর্মকর্তা স্ট্রিমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তিনি জানান, বেলা ২টায় টার্মিনালে বিদ্যমান এলএনজি রূপান্তর করে দৈনিক ১০ কোটি ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। আজ দুপুরের দিকে নতুন কার্গো এক্সিলারেটের টার্মিনালে বার্থিং করেছে। আশা করা হচ্ছে, রাত ১০টা নাগাদ এলএনজি স্থানান্তর শুরু হবে। এরপর ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়বে।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। আরেকটি পরিচালনা করছে সামিট। পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, আগে থেকেই সামিটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্যমতে, বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২৩০ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট হারে। এরমধ্যে, দেশীয় ক্ষেত্র থেকে দৈনিক ১৬২ কোটি ১০ লাখ এবং দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে প্রায় ৬৮ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালুর আগে দুপুর ১২টায় গ্যাসের এ সরবরাহ ছিল ২২০ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট। তখন সামিটের টার্মিনাল থেকে আসছিল ৫৮ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট।

এর আগে, গত বুধবার বিকালে এক্সিলারেটের টার্মিনালে এলএনজির মজুত প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস দেওয়া বন্ধ হয়।

পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, রোববার নাগাদ এক্সিলারেটের টার্মিনালের জন্য নতুন কার্গো আসবে। তবে তার একদিন আগেই কার্গো পৌঁছেছে।

দেশীয় গ্যাসের মজুত কমে আসায় ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানি করে চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছে জ্বালানি বিভাগ। বিগত কয়েক বছর থেকে চাহিদার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ মেটানো হয় আমদানি করা এলএনজি রূপান্তর করে।

জুলাইয়ের শেষ দিকে দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে পুরোদমে সরবরাহ পাওয়া যায়নি। এতে দেশে গ্যাস সংকট প্রকট হয়।

গত ২১ জুলাই আগুনে এক্সিলারেটের টার্মিনালে ত্রুটি দেখা দিলে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। দুই সপ্তাহের বেশি সময় পর গত ৫ আগস্ট দিবাগত রাতে টার্মিনালটি আংশিক চালু হয়। মাঝে সামিটের টার্মিনালেও এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার বিকালে সামিটের টার্মিনালে একটি এলএনজি কার্গো আসে। ফলে এ টার্মিনালের এলএনজি মজুত বেড়েছে। বর্তমানে সামিটের টার্মিনাল থেকে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু, আংশিক বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ