ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে পিটিশন

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ১১
পাকিস্তানের কোয়েটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে পিটিআইয়ের সমর্থকেরা। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের কোয়েটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে পিটিআইয়ের সমর্থকেরা। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতালে না নেওয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে একটি পিটিশন দায়ের করেছে তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। খবর আলজাজিরা

পিটিআইয়ের আইনজীবী নাঈম পানজুথা শনিবার (২২ আগস্ট) বলেন, আবেদনে প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রীসহ সরকারের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ইমরান খানকে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বেসরকারি শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

গত মঙ্গলবার তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ ইমরান খানকে আদিয়ালা কারাগার থেকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশের পর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দুই দিনের মধ্যে তাঁকে ওই হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে শুক্রবার ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নিয়ে সরকারি পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর সংক্ষিপ্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। এ সময় তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসককেও সঙ্গে থাকার সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে পিটিআই।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর ইমরান খানের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন–এমন কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি।

তবে পিটিআই বলছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ইমরান খানকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখার কথা। এ নিয়ে তাঁর সমর্থকেরা ইসলামাবাদের বিভিন্ন সড়কে জড়ো হন এবং হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ করেন।

ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তবে তিনি এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন। সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বিরোধের পর তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

ইমরান খানের গ্রেপ্তারের পর পাকিস্তানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। ওই সময় সামরিক স্থাপনাতেও হামলার ঘটনা ঘটে।

ইমরানের বোন উজমা খান তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইমরান শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। তবে কারাগারে তাঁকে ‘বারবার নির্যাতন’ করা হয়েছে।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। এ কারণেই তাঁকে পিআইএমএসে পরীক্ষা করা হয়েছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে পিটিশন