স্ট্রিম সংবাদদাতা

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মাদ্রাসার ভেতরে অন্তত ৩০ শিশু আটকা পড়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ৫ নম্বর ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে এই তথ্য জানিয়েছেন উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা। তিনি বলেন, টানা বর্ষণের মধ্যে দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্প-৫ এর ব্লক এ-৩ এলাকায় হঠাৎ পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের মাদ্রাসা ও হিফজ কেন্দ্রের ওপর পড়ে। এতে শিক্ষার্থীরা মাটি চাপা পড়ে।
কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, পাঁচজন শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গত ৫ জুলাই গভীর রাত থেকে ৬ জুলাই ভোর পর্যন্ত উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রোববার রাত দেড়টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৬ ব্লকে পাহাড়ধসে তিন এবং রাত ২টার দিকে রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকে আরেকটি পাহাড়ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়।
এ ছাড়া রাত সাড়ে ৩টার দিকে বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১১ ব্লকে পাহাড়ধসে একই পরিবারের চারজন নিহত হন।
প্রশাসন জানিয়েছে, শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্প নয়, কক্সবাজার সদর, রামু ও উখিয়ার বিভিন্ন পাহাড়ঘেরা এলাকায় প্রায় তিন লাখ মানুষ পাহাড়ের পাদদেশ ও ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় বসবাস করছেন। টানা বৃষ্টিতে এসব এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেও চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মাদ্রাসার ভেতরে অন্তত ৩০ শিশু আটকা পড়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ৫ নম্বর ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে এই তথ্য জানিয়েছেন উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা। তিনি বলেন, টানা বর্ষণের মধ্যে দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্প-৫ এর ব্লক এ-৩ এলাকায় হঠাৎ পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের মাদ্রাসা ও হিফজ কেন্দ্রের ওপর পড়ে। এতে শিক্ষার্থীরা মাটি চাপা পড়ে।
কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, পাঁচজন শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গত ৫ জুলাই গভীর রাত থেকে ৬ জুলাই ভোর পর্যন্ত উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রোববার রাত দেড়টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৬ ব্লকে পাহাড়ধসে তিন এবং রাত ২টার দিকে রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকে আরেকটি পাহাড়ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়।
এ ছাড়া রাত সাড়ে ৩টার দিকে বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১১ ব্লকে পাহাড়ধসে একই পরিবারের চারজন নিহত হন।
প্রশাসন জানিয়েছে, শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্প নয়, কক্সবাজার সদর, রামু ও উখিয়ার বিভিন্ন পাহাড়ঘেরা এলাকায় প্রায় তিন লাখ মানুষ পাহাড়ের পাদদেশ ও ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় বসবাস করছেন। টানা বৃষ্টিতে এসব এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেও চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
.png)

হামের উপসর্গে বুধবার (৭ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের হামের উপসর্গ থাকলেও শনাক্ত হয়নি। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তিনি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরুর আগেই আইরিন খান যোগ দিতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে পৃথকস্থানে পাহাড় ধসের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে একটি ঘরের ওপর মাটি ধসে ১০ মাস বয়সি মো. আশরাফুল ইসলাম তানভীরের মৃত্যু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার মেয়রগলির চশমা হিল এলাকায় পাহাড় ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের রেললাইনে জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী চারটি ট্রেনের মধ্যে দুটির যাত্রা সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত রেলপথের ৪৭ কিলোমিটার অংশ পাঁচ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে