স্ট্রিম প্রতিবেদক

ক্ষমতার অপব্যবহার, চাঁদাবাজি ও পাবনা জেলা বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে। জেলা বিএনপির শীর্ষ সাত নেতা এই অভিযোগ এনেছেন।
তারা পরাগের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে গত ২৪ আগস্ট (সোমবার) দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন।
এদিকে সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা বিএনপির নেতারা। এ সময় তারা গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে ওই চিঠির অনুলিপি তুলে দেন। এই সংবাদ সম্মেলনেই জানানো হয়েছে, বিষয়টি মীমাংসার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
খালেদ হোসেন পরাগ পাবনা জেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) আহ্বায়ক পদে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, পরাগ তার পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে পাবনার বিভিন্ন সরকারি অফিসে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
এতে আরও বলা হয়েছে, তিনি ব্যবসায়ী মহলে চাঁদাবাজি, নিরীহ মানুষকে মামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সরকারি সংস্থা দিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে বেকারদের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নিচ্ছেন। এসব অপকর্মের তথ্যপ্রমাণ অভিযোগকারী নেতাদের কাছে রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
নেতারা জানান, পরাগকে তার কর্মকাণ্ডের বিষয়ে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছেন। উল্টো তিনি জেলা বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টি করছেন এবং জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিষয়ে অসম্মানজনক কথা বলছেন।
তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন খালেদ হোসেন পরাগ। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা নাই। যারা অভিযোগ করেছে, তারা প্রমাণ দিতে পারবে না। গত দুই বছর ধরে তাদের চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমি কথা বলছি। এ কারণে তারা সবাই একজোট হয়ে আমার নামে অভিযোগ দিয়েছে।’
তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচনের পর পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিব সাহেব রূপপুর বালিশ কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা ঠিকাদার শাহাদাত হোসেনের কাছে যান। শাহাদাত তাকে গাড়ি কিনে দেন। নির্বাচনের সময় টাকা দেন। সম্প্রতি আমার লেখালেখির সূত্র ধরে ২৭ কোটি টাকার একটা দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। আমি যখন বিষয়গুলো সামনে এনেছি, তখন তারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে।’
প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা। এ সময়ে তিনি জানান, তারা বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করতে চান। বগা বলেন, ‘যদি কারও কোনো ভুল হয়ে থাকে, সেটি আমরা কথাবার্তার মাধ্যমে সমাধান করতে চাই।’
মীমাংসার প্রস্তাবের বিষয়টি পরাগ নিজেও স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে মীমাংসার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু আমি রাজি হইনি। আমি যদি মিথ্যা বলতাম, তাহলে রাজি হতাম। শাহাদাত ও এই চক্রের বিরুদ্ধে কথা বলার নৈতিক সাহস আমার রয়েছে।’
মূলত ফেসবুকে খালেদ হোসেন পরাগের লেখালেখির কারণেই তার ওপর নাখোশ জেলা বিএনপির নেতারা। তাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছে স্ট্রিম। তারা জানিয়েছেন, পাবনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করেন পরাগ। এসব থেকেই অভিযোগ দানা বেঁধেছে। তবে সেটা কী ধরনের লেখালেখি, তা বলেননি তারা।
তবে সংবাদ সম্মেলনে নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা জানান, পরাগ ফেসবুক স্ট্যাটাসে কিছু আপত্তিকর বক্তব্য প্রকাশ করেছেন। সেখানে জেলা বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে অশ্লীল ও আপত্তিকর কথা উঠে এসেছে।
জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু বলেন, পরাগের ফেসবুকে লেখালেখিতে জেলা বিএনপি নেতাদের সম্মানহানি হয়েছে।
আব্দুস সামাদ খান মন্টু স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেছি। তাকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করে আমরা বিষয়টা মীমাংসা করব।’
পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বিষয়টিকে ভুল বোঝাবুঝি বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘পরাগ আমাদের ছেলে। আমাদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি ছিল। সেটা সমাধান হয়ে গেছে।’

ক্ষমতার অপব্যবহার, চাঁদাবাজি ও পাবনা জেলা বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে। জেলা বিএনপির শীর্ষ সাত নেতা এই অভিযোগ এনেছেন।
তারা পরাগের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে গত ২৪ আগস্ট (সোমবার) দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন।
এদিকে সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা বিএনপির নেতারা। এ সময় তারা গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে ওই চিঠির অনুলিপি তুলে দেন। এই সংবাদ সম্মেলনেই জানানো হয়েছে, বিষয়টি মীমাংসার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
খালেদ হোসেন পরাগ পাবনা জেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) আহ্বায়ক পদে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, পরাগ তার পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে পাবনার বিভিন্ন সরকারি অফিসে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
এতে আরও বলা হয়েছে, তিনি ব্যবসায়ী মহলে চাঁদাবাজি, নিরীহ মানুষকে মামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সরকারি সংস্থা দিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে বেকারদের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নিচ্ছেন। এসব অপকর্মের তথ্যপ্রমাণ অভিযোগকারী নেতাদের কাছে রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
নেতারা জানান, পরাগকে তার কর্মকাণ্ডের বিষয়ে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছেন। উল্টো তিনি জেলা বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টি করছেন এবং জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিষয়ে অসম্মানজনক কথা বলছেন।
তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন খালেদ হোসেন পরাগ। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা নাই। যারা অভিযোগ করেছে, তারা প্রমাণ দিতে পারবে না। গত দুই বছর ধরে তাদের চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমি কথা বলছি। এ কারণে তারা সবাই একজোট হয়ে আমার নামে অভিযোগ দিয়েছে।’
তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচনের পর পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিব সাহেব রূপপুর বালিশ কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা ঠিকাদার শাহাদাত হোসেনের কাছে যান। শাহাদাত তাকে গাড়ি কিনে দেন। নির্বাচনের সময় টাকা দেন। সম্প্রতি আমার লেখালেখির সূত্র ধরে ২৭ কোটি টাকার একটা দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। আমি যখন বিষয়গুলো সামনে এনেছি, তখন তারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে।’
প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা। এ সময়ে তিনি জানান, তারা বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করতে চান। বগা বলেন, ‘যদি কারও কোনো ভুল হয়ে থাকে, সেটি আমরা কথাবার্তার মাধ্যমে সমাধান করতে চাই।’
মীমাংসার প্রস্তাবের বিষয়টি পরাগ নিজেও স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে মীমাংসার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু আমি রাজি হইনি। আমি যদি মিথ্যা বলতাম, তাহলে রাজি হতাম। শাহাদাত ও এই চক্রের বিরুদ্ধে কথা বলার নৈতিক সাহস আমার রয়েছে।’
মূলত ফেসবুকে খালেদ হোসেন পরাগের লেখালেখির কারণেই তার ওপর নাখোশ জেলা বিএনপির নেতারা। তাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছে স্ট্রিম। তারা জানিয়েছেন, পাবনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করেন পরাগ। এসব থেকেই অভিযোগ দানা বেঁধেছে। তবে সেটা কী ধরনের লেখালেখি, তা বলেননি তারা।
তবে সংবাদ সম্মেলনে নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা জানান, পরাগ ফেসবুক স্ট্যাটাসে কিছু আপত্তিকর বক্তব্য প্রকাশ করেছেন। সেখানে জেলা বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে অশ্লীল ও আপত্তিকর কথা উঠে এসেছে।
জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু বলেন, পরাগের ফেসবুকে লেখালেখিতে জেলা বিএনপি নেতাদের সম্মানহানি হয়েছে।
আব্দুস সামাদ খান মন্টু স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেছি। তাকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করে আমরা বিষয়টা মীমাংসা করব।’
পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বিষয়টিকে ভুল বোঝাবুঝি বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘পরাগ আমাদের ছেলে। আমাদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি ছিল। সেটা সমাধান হয়ে গেছে।’

বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৪৪ মিনিট আগে
গুমের সব ঘটনার সত্য উদ্ঘাটন ও দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এই আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৩০ আগস্ট ২০২৬
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি এ-সংক্রান্ত পাইলট প্রকল্পে ভুলের হার মাত্র ১.২ শতাংশ বলে জানান।
৩০ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত সংস্কার, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি সার্বভৌমত্ব, শ্রম ও শিক্ষা খাতের সংস্কারসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছে নবগঠিত রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অল্টারনেটিভস।
২৯ আগস্ট ২০২৬