স্ট্রিম প্রতিবেদক

কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীর নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান সংযোজনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা সংশোধনে দলটির পক্ষ থেকে মতামত জানিয়ে এটিসহ ৯ দফা দাবির চিঠি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জামায়াত বলেছে– নির্বাচনী ক্যাম্প/অফিসে টেলিভিশন বা ভিসিআর ব্যবহার নিষিদ্ধ বলা হলেও ডিজিটাল উপকরণ যেমন-এলইডি ডিসপ্লে, প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহারের বিষয়ে নীতিমালায় কিছু উল্লেখ নেই। এই বিষয়ে সুষ্পষ্ট বিধান সংযোজন করতে হবে।
প্রচার-প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হলেও, মন্ত্রী-এমপি নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই। তাই মন্ত্রী ও এমপিদের নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার বিধান সংযোজন করতে হবে।
সব নির্বাচনেই ভোটকেন্দ্রে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। প্রস্তাবিত বিধিমালায় সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও সংবাদ সংগ্রহের অধিকার সম্পর্কে কোনো বিধান উল্লেখ করা হয়নি। এই বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে একটি সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। কমিশন প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রাখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর আপিল করার সুযোগও বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সরকার কর্তৃক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতাকর্মীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান সংযোজন করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার প্রশাসনে নিযুক্ত কোন প্রশাসক বা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পদে নিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন– এমন বিধান সংযোজন করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে মহিলা মেম্বর প্রার্থী সরাসরি নির্বাচন করতে পারবেন– এই ব্যবস্থা চালু করে সংরক্ষিত মেম্বর পদ্ধতি বাতিল করতে হবে। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে কারা ভোটার হবেন, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে জামায়াত।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীর নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান সংযোজনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা সংশোধনে দলটির পক্ষ থেকে মতামত জানিয়ে এটিসহ ৯ দফা দাবির চিঠি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে জামায়াত বলেছে– নির্বাচনী ক্যাম্প/অফিসে টেলিভিশন বা ভিসিআর ব্যবহার নিষিদ্ধ বলা হলেও ডিজিটাল উপকরণ যেমন-এলইডি ডিসপ্লে, প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহারের বিষয়ে নীতিমালায় কিছু উল্লেখ নেই। এই বিষয়ে সুষ্পষ্ট বিধান সংযোজন করতে হবে।
প্রচার-প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হলেও, মন্ত্রী-এমপি নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই। তাই মন্ত্রী ও এমপিদের নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার বিধান সংযোজন করতে হবে।
সব নির্বাচনেই ভোটকেন্দ্রে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। প্রস্তাবিত বিধিমালায় সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও সংবাদ সংগ্রহের অধিকার সম্পর্কে কোনো বিধান উল্লেখ করা হয়নি। এই বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে একটি সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। কমিশন প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রাখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর আপিল করার সুযোগও বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সরকার কর্তৃক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতাকর্মীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান সংযোজন করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার প্রশাসনে নিযুক্ত কোন প্রশাসক বা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পদে নিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন– এমন বিধান সংযোজন করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে মহিলা মেম্বর প্রার্থী সরাসরি নির্বাচন করতে পারবেন– এই ব্যবস্থা চালু করে সংরক্ষিত মেম্বর পদ্ধতি বাতিল করতে হবে। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে কারা ভোটার হবেন, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে জামায়াত।

সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক হবে।
১৭ ঘণ্টা আগেজামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংসদে দাবি আদায়ের চেষ্টা করবে বিরোধী দল। আদায় না হলে রাজপথে লড়াই হবে, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
১৯ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, তোষামোদি, মোসাহেবি– এই জিনিসটা আর দেখতে চাই না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওটাই...দেখতে হয়। রাজনীতিতে একই ঘটনা ঘটে। আপনার আমলাতন্ত্রে একই ঘটনা ঘটে। সামথিং রং। আমরা কেন জানি না জাতিগতভাবে বেরিয়ে আসতে পারছি না।
২০ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে বিএনপির আয় দেখানো হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ১৮২ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। এবারের উদ্বৃত্ত নিয়ে বর্তমানে দলীয় তহবিলে আগের স্থিতিসহ জমা রয়েছে ২৮ কোটি ৪ লাখ ৭১ হাজার ৬৮০ টাকা।
১ দিন আগে