স্ট্রিম প্রতিবেদক

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কতটা পরিবর্তন এসেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, শুধু সরকার পরিবর্তন হলেই রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন হয় না। দলীয় আচরণ, নেতৃত্বের ধরন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, বিরোধীমতের প্রতি সহনশীলতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি—সব ক্ষেত্রেই মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীতে ‘গণঅভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি কোন পথে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন উপস্থিত বক্তারা। সরকারের প্রথম ৬ মাসের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে এই আয়োজন করে ‘অ্যালায়েন্স ফর মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস’ (এএমআরএ)। সঞ্চালনা করেন এএমআরএ’র আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বুলবুল সিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তি ছিল দল-মত-পেশার ঊর্ধ্বে মানুষের ঐক্য। সেই সময় কেউ জানতে চাননি কে বামপন্থী, ডানপন্থী, ইসলামপন্থী বা মধ্যপন্থী; বরং সবার পরিচয় ছিল—তারা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবাধিকারভিত্তিক রাষ্ট্র চান।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি কোনো একক দলের পক্ষে তৈরি করা সম্ভব নয়। সরকার ও বিরোধীদলকে মিলেই এটি গড়ে তুলতে হবে। সরকারের ভালো কাজের প্রশংসা এবং ভুলের যৌক্তিক সমালোচনা থাকতে হবে, তবে অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও চরিত্রহনন গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশ হতে পারে না।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি হলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রবণতা কমানোর চেষ্টা। ক্ষমতার পরিবর্তনের পর প্রতিপক্ষের বাড়ি পাহারা দেওয়া, নির্বিচারে মামলা এবং প্রতিশোধ না নেওয়ার নীতি বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। তাঁর ভাষায়, নির্যাতনের শিকার হওয়া কাউকে একই কাজ করার ‘লাইসেন্স’ দেয় না।
নারীদের জন্য চালু করা ‘পিংক বাস’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরোধিতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভালো কাজের প্রশংসা এবং খারাপ কাজের যৌক্তিক সমালোচনার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের মিডিয়া সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক কামাল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির বড় সমস্যা—যুক্তির বদলে শক্তির ওপর বেশি নির্ভরতা। রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনগুলো আলোচনার চেয়ে কে বড় সমাবেশ করতে পারে, সেই প্রতিযোগিতায় বেশি আগ্রহী।
তিনি অভিযোগ করেন, নতুন করে দলে যুক্ত হয়ে অনেকে দীর্ঘদিনের বঞ্চনার পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দখলবাজিতে জড়িয়ে পড়ছেন। এটি ঠেকাতে দলের ভেতরে নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা জরুরি।
গণমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী গণমাধ্যম প্রয়োজন। তবে দেশের গণমাধ্যমে কালো টাকা ও ক্ষমতার প্রভাব রয়েছে। একই মালিকানাধীন বিভিন্ন মাধ্যমে একই ধরনের ভিত্তিহীন বা মনগড়া তথ্য প্রচারের প্রবণতাও রয়েছে। গণমাধ্যমকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। তবে সেই নিয়ন্ত্রণ যেন সরকারের পক্ষপাতমূলক নিয়ন্ত্রণে পরিণত না হয়।
পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পেছনে বৈষম্য ছিল অন্যতম বড় কারণ। তাই নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বৈষম্য দূরীকরণকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে দেখতে হবে।
তাঁর মতে, সরকারকে সব সময় অস্থিতিশীল করার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে যুক্তিনির্ভর বিরোধী রাজনীতি করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারকেও বিরোধী দলের কর্মসূচির প্রতি সহনশীল হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী দাবি করেন, বর্তমান সরকারই রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের সূচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেকে সাধারণ মানুষের চেয়ে উচ্চতর মনে না করার যে আচরণ দেখাচ্ছেন, সেটিও রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের অংশ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করতে হলে শুধু সরকারের দিকে আঙুল তুললে হবে না; বিরোধীদল ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজেদের সমস্যাও স্বীকার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান ও বাস্তবতার জায়গায়ও পরিবর্তন আনতে হবে। দলীয় মানুষ প্রশাসনে বা প্রতিষ্ঠানে থাকতেই পারেন, কিন্তু তাঁকে পেশাদার আচরণ ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক সংস্কৃতি রাতারাতি বদলানো সম্ভব নয়। তবে পুরোনো সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি হচ্ছে কি না, সেটি প্রতিনিয়ত পর্যালোচনা করতে হবে। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নিজের ভুল স্বীকার করার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনাও জরুরি।
দল ও সরকারের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন রাজনৈতিক সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানিয়ে ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’-এর মুখপাত্র নাজিফা জান্নাত বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য বিভিন্ন কমিশন গঠন হলেও সেগুলোর সুপারিশ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। বিএনপির ৩১ দফার আলোকে মিডিয়া কমিশন, ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন, জুডিশিয়াল কমিশন ও শিক্ষা কমিশনের মতো উদ্যোগের কথা বলা হলেও গত ছয় মাসে সেগুলোর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কতটা পরিবর্তন এসেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, শুধু সরকার পরিবর্তন হলেই রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন হয় না। দলীয় আচরণ, নেতৃত্বের ধরন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, বিরোধীমতের প্রতি সহনশীলতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি—সব ক্ষেত্রেই মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীতে ‘গণঅভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি কোন পথে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন উপস্থিত বক্তারা। সরকারের প্রথম ৬ মাসের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে এই আয়োজন করে ‘অ্যালায়েন্স ফর মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস’ (এএমআরএ)। সঞ্চালনা করেন এএমআরএ’র আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বুলবুল সিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তি ছিল দল-মত-পেশার ঊর্ধ্বে মানুষের ঐক্য। সেই সময় কেউ জানতে চাননি কে বামপন্থী, ডানপন্থী, ইসলামপন্থী বা মধ্যপন্থী; বরং সবার পরিচয় ছিল—তারা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবাধিকারভিত্তিক রাষ্ট্র চান।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি কোনো একক দলের পক্ষে তৈরি করা সম্ভব নয়। সরকার ও বিরোধীদলকে মিলেই এটি গড়ে তুলতে হবে। সরকারের ভালো কাজের প্রশংসা এবং ভুলের যৌক্তিক সমালোচনা থাকতে হবে, তবে অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও চরিত্রহনন গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশ হতে পারে না।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি হলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রবণতা কমানোর চেষ্টা। ক্ষমতার পরিবর্তনের পর প্রতিপক্ষের বাড়ি পাহারা দেওয়া, নির্বিচারে মামলা এবং প্রতিশোধ না নেওয়ার নীতি বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। তাঁর ভাষায়, নির্যাতনের শিকার হওয়া কাউকে একই কাজ করার ‘লাইসেন্স’ দেয় না।
নারীদের জন্য চালু করা ‘পিংক বাস’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরোধিতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভালো কাজের প্রশংসা এবং খারাপ কাজের যৌক্তিক সমালোচনার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের মিডিয়া সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক কামাল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির বড় সমস্যা—যুক্তির বদলে শক্তির ওপর বেশি নির্ভরতা। রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনগুলো আলোচনার চেয়ে কে বড় সমাবেশ করতে পারে, সেই প্রতিযোগিতায় বেশি আগ্রহী।
তিনি অভিযোগ করেন, নতুন করে দলে যুক্ত হয়ে অনেকে দীর্ঘদিনের বঞ্চনার পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দখলবাজিতে জড়িয়ে পড়ছেন। এটি ঠেকাতে দলের ভেতরে নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা জরুরি।
গণমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী গণমাধ্যম প্রয়োজন। তবে দেশের গণমাধ্যমে কালো টাকা ও ক্ষমতার প্রভাব রয়েছে। একই মালিকানাধীন বিভিন্ন মাধ্যমে একই ধরনের ভিত্তিহীন বা মনগড়া তথ্য প্রচারের প্রবণতাও রয়েছে। গণমাধ্যমকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। তবে সেই নিয়ন্ত্রণ যেন সরকারের পক্ষপাতমূলক নিয়ন্ত্রণে পরিণত না হয়।
পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর এমপি নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পেছনে বৈষম্য ছিল অন্যতম বড় কারণ। তাই নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বৈষম্য দূরীকরণকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে দেখতে হবে।
তাঁর মতে, সরকারকে সব সময় অস্থিতিশীল করার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে যুক্তিনির্ভর বিরোধী রাজনীতি করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারকেও বিরোধী দলের কর্মসূচির প্রতি সহনশীল হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী দাবি করেন, বর্তমান সরকারই রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের সূচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেকে সাধারণ মানুষের চেয়ে উচ্চতর মনে না করার যে আচরণ দেখাচ্ছেন, সেটিও রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের অংশ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করতে হলে শুধু সরকারের দিকে আঙুল তুললে হবে না; বিরোধীদল ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজেদের সমস্যাও স্বীকার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান ও বাস্তবতার জায়গায়ও পরিবর্তন আনতে হবে। দলীয় মানুষ প্রশাসনে বা প্রতিষ্ঠানে থাকতেই পারেন, কিন্তু তাঁকে পেশাদার আচরণ ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক সংস্কৃতি রাতারাতি বদলানো সম্ভব নয়। তবে পুরোনো সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি হচ্ছে কি না, সেটি প্রতিনিয়ত পর্যালোচনা করতে হবে। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নিজের ভুল স্বীকার করার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনাও জরুরি।
দল ও সরকারের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন রাজনৈতিক সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানিয়ে ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’-এর মুখপাত্র নাজিফা জান্নাত বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য বিভিন্ন কমিশন গঠন হলেও সেগুলোর সুপারিশ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। বিএনপির ৩১ দফার আলোকে মিডিয়া কমিশন, ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন, জুডিশিয়াল কমিশন ও শিক্ষা কমিশনের মতো উদ্যোগের কথা বলা হলেও গত ছয় মাসে সেগুলোর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।

বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চাইলে ভারতকে অবশ্যই সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক হবে ন্যায্যতা, সমতা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে।
৩ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁর সংসদীয় আসন ঠাকুরগাঁও-১ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আসনটিতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের পরেও দেশের পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, বিএনপি বলেছিল নির্বাচন হলে দেশের সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু খুনের রেশ এখনো একই আছে। লাঠিয়ে চাঁদাবাজি কয়েকগুণ বেড়েছে।
