স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়া মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টে অনবদ্য পারফরম্যান্সে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল টাইগাররা।
ডারউইনের ওই টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করে ৪২৬ রানের পাহাড় গড়েছিল বাংলাদেশ।
তানজিদ হাসান তামিমের চোখধাঁধানো সেঞ্চুরি, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪ এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ৬৫ রানের ইনিংসে ভর করে ১১ সেশনের আধিপত্য দেখিয়েছিল টাইগাররা। অথচ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ম্যাকাইয়ে শেষ টেস্টে ব্যাটিংয়ের চরম বিপর্যয়ে ইনিংস ও ৫১ রানের পরাজয়ের লজ্জা পেয়েছে বাংলাদেশ। মাত্র এক টেস্টের ব্যবধানে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে এমন পতনের নেপথ্যে রয়েছে একাধিক টেকনিক্যাল ত্রুটি।
ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনার উইকেট যে ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ ছিল না, তা প্রথম দিনেই দুই দলের ১৮ উইকেট পতনে স্পষ্ট। নতুন বলে পিচে বাড়তি সিম মুভমেন্টের পাশাপাশি বোলাররা পাচ্ছিলেন অনাকাঙ্ক্ষিত বাউন্স। পিচের সহায়তায় বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম ৭ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে ২১০ রানে আটকে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সুবিধা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশি ব্যাটাররা।

অস্ট্রেলীয় ব্যাটাররা বিশেষ করে স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন কঠিন উইকেটে যেভাবে শরীরের কাছাকাছি বল খেলে রান তুলেছেন, বাংলাদেশি ব্যাটাররা সেখানে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। যার প্রমাণ মেলে মিচেল স্টার্কের মাত্র ২২ বলের স্পেলে বাংলাদেশের ৫ উইকেট তুলে নেওয়ায়।
ব্যাটারদের ভুল শট নির্বাচন ও দুর্বল ফুটওয়ার্ক এই ধসের প্রধান অনুঘটক ছিল। প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ফ্রন্টফুটে গিয়ে সুইং মোকাবিলা করেছিল, কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টে সেই কৌশল পুরোপুরি হারিয়ে যায়। প্রথম টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ তামিম নতুন বলে পায়ের মুভমেন্ট না করে এবং বলের লাইনে শরীর না নিয়ে ব্যাট চালিয়ে উইকেট বিলিয়ে দেন।
স্টার্কের ফুল লেংথের বলে বারবার পরাস্ত হয়েছেন ব্যাটাররা। অফস্টাম্পের বাইরের বল ছেড়ে দেওয়া, নরম হাতে রক্ষণাত্মক খেলা কিংবা বলকে দেরিতে খেলার মতো মৌলিক টেস্ট ব্যাকরণ দুই ইনিংসেই পুরোপুরি অনুপস্থিত।
মুমিনুল হক বাইরে যাওয়া বল শরীর থেকে দূরে ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন এবং দ্বিতীয় ইনিংসে সুইং বুঝতে না পেরে বোল্ড হন। মিরাজও একই ভুল করে শরীর থেকে দূরে শট খেলেন। প্রথম টেস্টের পর অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বাংলাদেশি ব্যাটারদের ধৈর্যের প্রশংসা করেছিলেন। ওই ধৈর্যের ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি শেষ টেস্টে।
দুই ইনিংসেই ওপেনিং জুটির ব্যর্থতা মিডল অর্ডারের ওপর দ্বিগুণ চাপ সৃষ্টি করেছে। ডারউইনে তানজিদ ও সাদমান ইসলাম ইনিংসের শুরুতে নতুন বলের শাইন বা চকচকে ভাব নষ্ট করে দিয়ে বড় স্কোরের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন। অথচ ম্যাকাইয়ের প্রথম ইনিংসে সাদমান ৫ ও তানজিদ ০; আর দ্বিতীয় ইনিংসে সাদমান ১ ও তানজিদ ৯ রান। ওপেনাররা শুরুতেই স্টার্কের বলে পরাস্ত হওয়ায় ৩ বা ৪ নম্বরে নামা ব্যাটারদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়।
ডারউইনে ৪২৬ রান করার পেছনে তানজিদ-মুমিনুল, তানজিদ-শান্ত কিংবা শেষদিকে মিরাজ ও টেলএন্ডারদের গড়া একাধিক কার্যকরী জুটি ছিল। অথচ দ্বিতীয় টেস্টে পুরো দল জুড়ে কোনো জুটিই গড়ে ওঠেনি। প্রথম ইনিংসে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন ১০ নম্বরে নামা পেসার শরীফুল (১৪), যাঁর শেষ উইকেট জুটির ২৫ রানের সৌজন্যেই কোনোমতে দলীয় সংগ্রহ ৬৪ রানে পৌঁছায়।
প্রথম টেস্টে ৩০৮/৬ উইকেট হারানো দলকে টেলএন্ডারদের সঙ্গে ছোট ছোট জুটিতে ৪২৬ পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন মিরাজ। কিন্তু ম্যাকাইয়ের কোনো ইনিংসেই এমন দায়িত্বশীল কাউকে পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে শান্তর ৩১ ও মুশফিকুর রহিমের ২৯ রানের ইনিংস কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা ইনিংস পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।

সব মিলিয়ে মিচেল স্টার্কের দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেটের বিধ্বংসী স্পেল এবং সুইংয়ের সামনে বাংলাদেশি ব্যাটারদের ফিফথ স্টাম্পের বল তাড়া করার বাজে প্রবণতাই এই পরাজয়ের অন্যতম কারণ।
তবে ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারলেও এই সিরিজ বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে শান্তর দল। ওই ম্যাচে টানা ১১টি সেশনজুড়ে আধিপত্য বজায় রেখে ম্যাচের চতুর্থ দিনেই জয় নিশ্চিত করেছিল টাইগাররা। এই সিরিজ শেষে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবারের মতো ষষ্ঠ স্থানে উঠেছে বাংলাদেশ। ২৪ ম্যাচে ১৮৭৮ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের রেটিং এখন ৭৮।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়া মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টে অনবদ্য পারফরম্যান্সে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল টাইগাররা।
ডারউইনের ওই টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করে ৪২৬ রানের পাহাড় গড়েছিল বাংলাদেশ।
তানজিদ হাসান তামিমের চোখধাঁধানো সেঞ্চুরি, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪ এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ৬৫ রানের ইনিংসে ভর করে ১১ সেশনের আধিপত্য দেখিয়েছিল টাইগাররা। অথচ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ম্যাকাইয়ে শেষ টেস্টে ব্যাটিংয়ের চরম বিপর্যয়ে ইনিংস ও ৫১ রানের পরাজয়ের লজ্জা পেয়েছে বাংলাদেশ। মাত্র এক টেস্টের ব্যবধানে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে এমন পতনের নেপথ্যে রয়েছে একাধিক টেকনিক্যাল ত্রুটি।
ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনার উইকেট যে ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ ছিল না, তা প্রথম দিনেই দুই দলের ১৮ উইকেট পতনে স্পষ্ট। নতুন বলে পিচে বাড়তি সিম মুভমেন্টের পাশাপাশি বোলাররা পাচ্ছিলেন অনাকাঙ্ক্ষিত বাউন্স। পিচের সহায়তায় বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম ৭ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে ২১০ রানে আটকে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সুবিধা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশি ব্যাটাররা।

অস্ট্রেলীয় ব্যাটাররা বিশেষ করে স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন কঠিন উইকেটে যেভাবে শরীরের কাছাকাছি বল খেলে রান তুলেছেন, বাংলাদেশি ব্যাটাররা সেখানে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। যার প্রমাণ মেলে মিচেল স্টার্কের মাত্র ২২ বলের স্পেলে বাংলাদেশের ৫ উইকেট তুলে নেওয়ায়।
ব্যাটারদের ভুল শট নির্বাচন ও দুর্বল ফুটওয়ার্ক এই ধসের প্রধান অনুঘটক ছিল। প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ফ্রন্টফুটে গিয়ে সুইং মোকাবিলা করেছিল, কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টে সেই কৌশল পুরোপুরি হারিয়ে যায়। প্রথম টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ তামিম নতুন বলে পায়ের মুভমেন্ট না করে এবং বলের লাইনে শরীর না নিয়ে ব্যাট চালিয়ে উইকেট বিলিয়ে দেন।
স্টার্কের ফুল লেংথের বলে বারবার পরাস্ত হয়েছেন ব্যাটাররা। অফস্টাম্পের বাইরের বল ছেড়ে দেওয়া, নরম হাতে রক্ষণাত্মক খেলা কিংবা বলকে দেরিতে খেলার মতো মৌলিক টেস্ট ব্যাকরণ দুই ইনিংসেই পুরোপুরি অনুপস্থিত।
মুমিনুল হক বাইরে যাওয়া বল শরীর থেকে দূরে ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন এবং দ্বিতীয় ইনিংসে সুইং বুঝতে না পেরে বোল্ড হন। মিরাজও একই ভুল করে শরীর থেকে দূরে শট খেলেন। প্রথম টেস্টের পর অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বাংলাদেশি ব্যাটারদের ধৈর্যের প্রশংসা করেছিলেন। ওই ধৈর্যের ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি শেষ টেস্টে।
দুই ইনিংসেই ওপেনিং জুটির ব্যর্থতা মিডল অর্ডারের ওপর দ্বিগুণ চাপ সৃষ্টি করেছে। ডারউইনে তানজিদ ও সাদমান ইসলাম ইনিংসের শুরুতে নতুন বলের শাইন বা চকচকে ভাব নষ্ট করে দিয়ে বড় স্কোরের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন। অথচ ম্যাকাইয়ের প্রথম ইনিংসে সাদমান ৫ ও তানজিদ ০; আর দ্বিতীয় ইনিংসে সাদমান ১ ও তানজিদ ৯ রান। ওপেনাররা শুরুতেই স্টার্কের বলে পরাস্ত হওয়ায় ৩ বা ৪ নম্বরে নামা ব্যাটারদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়।
ডারউইনে ৪২৬ রান করার পেছনে তানজিদ-মুমিনুল, তানজিদ-শান্ত কিংবা শেষদিকে মিরাজ ও টেলএন্ডারদের গড়া একাধিক কার্যকরী জুটি ছিল। অথচ দ্বিতীয় টেস্টে পুরো দল জুড়ে কোনো জুটিই গড়ে ওঠেনি। প্রথম ইনিংসে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন ১০ নম্বরে নামা পেসার শরীফুল (১৪), যাঁর শেষ উইকেট জুটির ২৫ রানের সৌজন্যেই কোনোমতে দলীয় সংগ্রহ ৬৪ রানে পৌঁছায়।
প্রথম টেস্টে ৩০৮/৬ উইকেট হারানো দলকে টেলএন্ডারদের সঙ্গে ছোট ছোট জুটিতে ৪২৬ পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন মিরাজ। কিন্তু ম্যাকাইয়ের কোনো ইনিংসেই এমন দায়িত্বশীল কাউকে পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে শান্তর ৩১ ও মুশফিকুর রহিমের ২৯ রানের ইনিংস কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা ইনিংস পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।

সব মিলিয়ে মিচেল স্টার্কের দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেটের বিধ্বংসী স্পেল এবং সুইংয়ের সামনে বাংলাদেশি ব্যাটারদের ফিফথ স্টাম্পের বল তাড়া করার বাজে প্রবণতাই এই পরাজয়ের অন্যতম কারণ।
তবে ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারলেও এই সিরিজ বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে শান্তর দল। ওই ম্যাচে টানা ১১টি সেশনজুড়ে আধিপত্য বজায় রেখে ম্যাচের চতুর্থ দিনেই জয় নিশ্চিত করেছিল টাইগাররা। এই সিরিজ শেষে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবারের মতো ষষ্ঠ স্থানে উঠেছে বাংলাদেশ। ২৪ ম্যাচে ১৮৭৮ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের রেটিং এখন ৭৮।
.png)

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ড্র করে আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। রোববার (২৩ আগস্ট) প্রকাশিত হালনাগাদে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে টপকে প্রথমবার র্যাঙ্কিংয়ের ছয়ে উঠে এসেছে টাইগাররা। ম্যাকাইয়ে সিরিজের শেষ টেস্টে বড় ব্যবধানে হারলেও ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ে র্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে তিন
৩৯ মিনিট আগে
ম্যাকাই টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৯৫ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। দুই ইনিংসে টাইগারদের ব্যাটিং বিপর্যয়ে বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতল অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৯৫ রানে গুটিয়ে যায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম ইনিংসে ১৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ
৫ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ লা লিগায় দীর্ঘ ১৩ বছর পর রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে ফিরেছেন পর্তুগিজ মাস্টারমাইন্ড ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’ খ্যাত হোসে মরিনহো। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে বার্সেলোনার আরসিডিই স্টেডিয়ামে এস্পানিওলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয়ে লা লিগায় এবারের মৌসুম শুরু করেছে রিয়াল। ম্যাচের ৯ মিনিটে আর্দা গুলেরের মাপা ফ
৭ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে গুটিয়ে দিলেও দ্বিতীয় ইনিংসে আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ৩ উইকেটে ৩৯ রান তুলে ১০৭ রানে পিছিয়ে থেকে মধ্যাহ্নবিরতিতে গেছে টাইগাররা।
৮ ঘণ্টা আগে