বিশ্বকাপের নক্ষত্র-২০
স্পোর্টস ডেস্ক

হ্যারি কেইনকে বর্তমান ফুটবলের অন্যতম সেরা ‘ক্লিনিক্যাল স্ট্রাইকার’ গণ্য করা হয়। তার ফিনিশিং দক্ষতাকে ‘মাস্টারক্লাস’ আখ্যা দেন সমালোচকরা। ডি-বক্সের ভেতর যেকোনো পজিশন থেকে দুই পায়ে এবং হেডে বল জালে জড়াতে তিনি অনন্য। আবার নিখুঁত পাসে সতীর্থদের দিয়েও গোল করান। পাসিং রেঞ্জ এবং ভিশনের কারণে অনেকে কেইনকে ছদ্মবেশী প্লেমেকার হিসেবেও অভিহিত করেন।
৩২ বছর বয়সী হ্যারি কেইন মূলত সেন্ট্রাল স্ট্রাইকার বা নাম্বার নাইন হিসেবে খেলেন। ক্লাব ও জাতীয় দল উভয় জায়গাতেই প্রিয় ৯ নম্বর জার্সি পরেন। বর্তমানে জার্মান বুন্দেসলিগার ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন। এর আগে দীর্ঘ সময় খেলেছেন ইংলিশ ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে।
কেইনকে নিয়ে ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ টমাস টুখেল বলেন, ‘কেইন শুধু গোল করে না, ও পুরো দলের খেলার মান বাড়িয়ে দেয়।’
ইংল্যান্ডের সাবেক কিংবদন্তি তারকা ওয়েন রুনি বলেন, ‘আমার কাছে হ্যারি কেইন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা নম্বর নাইন।’
বায়ার্নের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার কেইনের প্রশংসায় বলেন, ‘আমি আজ পর্যন্ত যেসব আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের সাথে খেলেছি, কেইন তাদের মধ্যে অন্যতম সেরা।’
টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে দলীয় ট্রফি না জিতলেও ব্যক্তিগত অর্জনে হ্যারি কেইন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকারদের কাতারে আছেন। ৩ বার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ‘গোল্ডেন বুট’ জিতেছেন।

২০২৩-২৪ এবং ২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ইউরোপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জিতেছেন ‘ইউরোপীয় গোল্ডেন শু’। বায়ার্নের হয়ে দুইবার বুন্দেসলিগা, একবার জার্মান কাপ ও একবার জার্মান সুপার কাপ জয় করেছেন। এছাড়া ২০২৪ সালের ব্যালন ডি'অর মঞ্চে কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে জিতেছেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গার্ড ম্যুলার ট্রফি’।
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্নের হয়ে ৫১ ম্যাচে ৬১ গোল এবং ৭ অ্যাসিস্ট করেছেন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৪৭ ম্যাচে ১৪৬ গোল এবং ৩৩ অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
টটেনহ্যামের হয়ে ৪৩৫ ম্যাচে করেছেন ২৮০ গোল এবং ৬৩ অ্যাসিস্ট। ইংল্যান্ড দলের হয়ে ১১২ ম্যাচে ৭৮ গোল করে হয়েছেন দেশটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
২০১৮ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে হ্যারি কেইনের অভিষেক হয়। সেই আসরে ৬ গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ‘ফিফা গোল্ডেন বুট’ জয় করেন। তার নেতৃত্বে ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল অবধি পৌঁছেছিল।

২০২২ বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ড দলকে নেতৃত্ব দেন। ওই আসরে ২ গোল এবং ৩ অ্যাসিস্ট করেন। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে বিদায় নেয় থ্রি লায়ন্সরা।
২০২৬ আসর কেইনের ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। ১৯৬৬ সালের পর ইংল্যান্ডের অধরা বিশ্বকাপ ট্রফি খরা কাটানোর মিশন নিয়ে নামবে দলটি। তরুণ খেলোয়াড়দের প্রধান কাণ্ডারি, মেন্টর ও অধিনায়ক এখন হ্যারি কেইন।
২১৩ গোলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন। ২০১৮ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে চতুর্থ স্থান এনে দেওয়া এবং ফুটবলের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক অবদানের জন্য ব্রিটেনের রানি কর্তৃক সম্মানজনক ‘এমবিই’ উপাধিতে ভূষিত হন তিনি।

হ্যারি কেইনকে বর্তমান ফুটবলের অন্যতম সেরা ‘ক্লিনিক্যাল স্ট্রাইকার’ গণ্য করা হয়। তার ফিনিশিং দক্ষতাকে ‘মাস্টারক্লাস’ আখ্যা দেন সমালোচকরা। ডি-বক্সের ভেতর যেকোনো পজিশন থেকে দুই পায়ে এবং হেডে বল জালে জড়াতে তিনি অনন্য। আবার নিখুঁত পাসে সতীর্থদের দিয়েও গোল করান। পাসিং রেঞ্জ এবং ভিশনের কারণে অনেকে কেইনকে ছদ্মবেশী প্লেমেকার হিসেবেও অভিহিত করেন।
৩২ বছর বয়সী হ্যারি কেইন মূলত সেন্ট্রাল স্ট্রাইকার বা নাম্বার নাইন হিসেবে খেলেন। ক্লাব ও জাতীয় দল উভয় জায়গাতেই প্রিয় ৯ নম্বর জার্সি পরেন। বর্তমানে জার্মান বুন্দেসলিগার ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন। এর আগে দীর্ঘ সময় খেলেছেন ইংলিশ ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে।
কেইনকে নিয়ে ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ টমাস টুখেল বলেন, ‘কেইন শুধু গোল করে না, ও পুরো দলের খেলার মান বাড়িয়ে দেয়।’
ইংল্যান্ডের সাবেক কিংবদন্তি তারকা ওয়েন রুনি বলেন, ‘আমার কাছে হ্যারি কেইন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা নম্বর নাইন।’
বায়ার্নের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার কেইনের প্রশংসায় বলেন, ‘আমি আজ পর্যন্ত যেসব আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের সাথে খেলেছি, কেইন তাদের মধ্যে অন্যতম সেরা।’
টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে দলীয় ট্রফি না জিতলেও ব্যক্তিগত অর্জনে হ্যারি কেইন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকারদের কাতারে আছেন। ৩ বার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ‘গোল্ডেন বুট’ জিতেছেন।

২০২৩-২৪ এবং ২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ইউরোপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জিতেছেন ‘ইউরোপীয় গোল্ডেন শু’। বায়ার্নের হয়ে দুইবার বুন্দেসলিগা, একবার জার্মান কাপ ও একবার জার্মান সুপার কাপ জয় করেছেন। এছাড়া ২০২৪ সালের ব্যালন ডি'অর মঞ্চে কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে জিতেছেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গার্ড ম্যুলার ট্রফি’।
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্নের হয়ে ৫১ ম্যাচে ৬১ গোল এবং ৭ অ্যাসিস্ট করেছেন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৪৭ ম্যাচে ১৪৬ গোল এবং ৩৩ অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
টটেনহ্যামের হয়ে ৪৩৫ ম্যাচে করেছেন ২৮০ গোল এবং ৬৩ অ্যাসিস্ট। ইংল্যান্ড দলের হয়ে ১১২ ম্যাচে ৭৮ গোল করে হয়েছেন দেশটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
২০১৮ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে হ্যারি কেইনের অভিষেক হয়। সেই আসরে ৬ গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ‘ফিফা গোল্ডেন বুট’ জয় করেন। তার নেতৃত্বে ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল অবধি পৌঁছেছিল।

২০২২ বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ড দলকে নেতৃত্ব দেন। ওই আসরে ২ গোল এবং ৩ অ্যাসিস্ট করেন। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে বিদায় নেয় থ্রি লায়ন্সরা।
২০২৬ আসর কেইনের ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। ১৯৬৬ সালের পর ইংল্যান্ডের অধরা বিশ্বকাপ ট্রফি খরা কাটানোর মিশন নিয়ে নামবে দলটি। তরুণ খেলোয়াড়দের প্রধান কাণ্ডারি, মেন্টর ও অধিনায়ক এখন হ্যারি কেইন।
২১৩ গোলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন। ২০১৮ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে চতুর্থ স্থান এনে দেওয়া এবং ফুটবলের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক অবদানের জন্য ব্রিটেনের রানি কর্তৃক সম্মানজনক ‘এমবিই’ উপাধিতে ভূষিত হন তিনি।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফুটবল মাঠে পর্তুগালের ভরসার নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে খেলেছেন ছয়টি বিশ্বকাপ। উয়েফার লিগের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে তাঁর ক্যারিয়ার।
৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে একটি প্রশ্ন জেগেছিল, তবে কি মহাকাব্যের শেষ পাতাটি পড়া হয়ে গেল? স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলের হৃদয়ভাঙা হারের পর সবাই যখন ধরে নিয়েছিলেন, নীল-সাদা জার্সিতে বোধহয় শেষবারের মতো লিওনেল মেসি মাঠে নেমেছেন, ঠিক তখনই স্বস্তির খবর পেলেন তাঁর ভক্তরা।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড ও ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনায় বিশ্ব ফুটবলে বিতর্ক থামছে না। এ ঘটনায় ফুটবলের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার (ফিফা) বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ)।
২৩ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন নয়। এবারও এমন অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তবে তদন্ত শেষে তারা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচে বেটিং বা ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
২৩ জুলাই ২০২৬