তরুণ সেনসেশন–৮
স্ট্রিম প্রতিবেদক

মাত্র ১৯ বছর বয়স। এর মধ্যেই তকমা পেয়েছেন বিস্ময় বালকের। সান্তোসের পেলের পর আর কাউকে এভাবে পায়নি ব্রাজিল। তিনি এনড্রিক, ফুটবলের ভবিষ্যৎ ‘রাজা’।
উত্তর আমেরিকার ফিফা বিশ্বকাপে তাঁকে ঘিরেই ব্রাজিলিয়ানরা স্বপ্ন দেখছে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা বা হ্ক্সো পূরণের। মাত্র ১৭ বছর বয়সে স্পেনের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু এবং ইংল্যান্ডের ওয়েম্বলির মতো ঐতিহাসিক মাঠে গোল করে আগাম বার্তা দেন এনড্রিক।
২০০৬ সালের ২১ জুলাই ব্রাসিলিয়ায় জন্ম এনড্রিকের। ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব পালমেইরাসের যুবদলে দুর্দান্ত খেলে ২০২৩ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে মূল দলে জায়গা পান। ব্রাজিলিয়ান সেরি-এ তে বোটাফোগোর বিপক্ষে ৩ গোলে পিছিয়ে ব্রাজিল। সেখান থেকে এনড্রিকের জোড়া ও অসাধারণ পারফরম্যান্সে শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ম্যাচ জিতে নেয় ৪-৩ ব্যবধানে। তাঁর এই অতিমানবীয় পারফরম্যান্স দেখেই ইউরোপের সফল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ দলে ভেড়ায় তাঁকে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে এনড্রিকের শুরুটা ইতিহাস জাগানিয়া। ২০২৪ সালের মার্চে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের জার্সিতে প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি করেন, যেটি ওয়েম্বলির ইতিহাসে কোনো কনিষ্ঠ গোলদাতা তিনি। ঠিক তার পরের ম্যাচেই স্পেনের বিপক্ষে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গোল করে নিজের জাত চেনান এনড্রিক।
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা পোক্ত হয় রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ছয় মাসের জন্য ধারে (লোন) ফ্রেঞ্চ ক্লাব অলিম্পিক লিঁওতে যোগদানের পর। লিঁওর হয়ে ২৪ ম্যাচে ৮ গোল এবং ৮ অ্যাসিস্ট করেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত চার গোল রয়েছে ঝুলিতে। সর্বশেষ মিসরের বিপক্ষে জয়সূচক গোলও এন্ড্রিকের পায়ের জাদুতে।
বিশ্বমঞ্চে এনড্রিক
রিয়াল মাদ্রিদে এনড্রিকের সতীর্থ বেলজিয়ামের তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া বলেছিলেন, ‘সে বলগুলো স্ট্রাইক করে, তাঁর দুর্দান্ত পাওয়ারের মাধ্যমে। সে ব্রাজিলের জন্য বড় এক সম্পদ হতে যাচ্ছে।’ তবে এনড্রিককে নিয়ে ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ গোলদাতা ও কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো নাজারিও বলেছেন, ‘সে ভীষণ পরিশ্রমী খেলোয়াড়। এই মুহূর্তে সে-ই ব্রাজিলের ফুটবলের সেরা আউট-অ্যান্ড-আউট স্ট্রাইকার।’
ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচোলত্তি বলেছেন, ‘এনড্রিক মাঠে আসলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে। ব্রাজিলের জন্য সে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে মেজর ফিগার হয়ে উঠবে।’
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের খেলা
উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে ষষ্ঠ শিরোপার খোঁজে লড়বে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ফিফা ডটকমের অফিশিয়াল সূচি অনুযায়ী গ্রুপপর্বে ব্রাজিলের ম্যাচগুলো হলো– বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ১৪ জুন মরক্কো, ২০ জুন হাইতি এবং ২৬ জুন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল।
২০০২ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটা আর ছোঁয়া হয়নি সেলেসাওদের। নেইমার জুনিয়রের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি এনড্রিকের মতো তরুণের গতি আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ের ওপরই ভরসা রাখছে ব্রাজিল। বিশ্বমঞ্চের সবুজ গালিচায় পেলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সির মান রেখে এনড্রিক ব্রাজিলকে হেক্সা এনে দিতে পারেন কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।

মাত্র ১৯ বছর বয়স। এর মধ্যেই তকমা পেয়েছেন বিস্ময় বালকের। সান্তোসের পেলের পর আর কাউকে এভাবে পায়নি ব্রাজিল। তিনি এনড্রিক, ফুটবলের ভবিষ্যৎ ‘রাজা’।
উত্তর আমেরিকার ফিফা বিশ্বকাপে তাঁকে ঘিরেই ব্রাজিলিয়ানরা স্বপ্ন দেখছে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা বা হ্ক্সো পূরণের। মাত্র ১৭ বছর বয়সে স্পেনের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু এবং ইংল্যান্ডের ওয়েম্বলির মতো ঐতিহাসিক মাঠে গোল করে আগাম বার্তা দেন এনড্রিক।
২০০৬ সালের ২১ জুলাই ব্রাসিলিয়ায় জন্ম এনড্রিকের। ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব পালমেইরাসের যুবদলে দুর্দান্ত খেলে ২০২৩ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে মূল দলে জায়গা পান। ব্রাজিলিয়ান সেরি-এ তে বোটাফোগোর বিপক্ষে ৩ গোলে পিছিয়ে ব্রাজিল। সেখান থেকে এনড্রিকের জোড়া ও অসাধারণ পারফরম্যান্সে শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ম্যাচ জিতে নেয় ৪-৩ ব্যবধানে। তাঁর এই অতিমানবীয় পারফরম্যান্স দেখেই ইউরোপের সফল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ দলে ভেড়ায় তাঁকে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে এনড্রিকের শুরুটা ইতিহাস জাগানিয়া। ২০২৪ সালের মার্চে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের জার্সিতে প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি করেন, যেটি ওয়েম্বলির ইতিহাসে কোনো কনিষ্ঠ গোলদাতা তিনি। ঠিক তার পরের ম্যাচেই স্পেনের বিপক্ষে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গোল করে নিজের জাত চেনান এনড্রিক।
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা পোক্ত হয় রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ছয় মাসের জন্য ধারে (লোন) ফ্রেঞ্চ ক্লাব অলিম্পিক লিঁওতে যোগদানের পর। লিঁওর হয়ে ২৪ ম্যাচে ৮ গোল এবং ৮ অ্যাসিস্ট করেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত চার গোল রয়েছে ঝুলিতে। সর্বশেষ মিসরের বিপক্ষে জয়সূচক গোলও এন্ড্রিকের পায়ের জাদুতে।
বিশ্বমঞ্চে এনড্রিক
রিয়াল মাদ্রিদে এনড্রিকের সতীর্থ বেলজিয়ামের তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া বলেছিলেন, ‘সে বলগুলো স্ট্রাইক করে, তাঁর দুর্দান্ত পাওয়ারের মাধ্যমে। সে ব্রাজিলের জন্য বড় এক সম্পদ হতে যাচ্ছে।’ তবে এনড্রিককে নিয়ে ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ গোলদাতা ও কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো নাজারিও বলেছেন, ‘সে ভীষণ পরিশ্রমী খেলোয়াড়। এই মুহূর্তে সে-ই ব্রাজিলের ফুটবলের সেরা আউট-অ্যান্ড-আউট স্ট্রাইকার।’
ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচোলত্তি বলেছেন, ‘এনড্রিক মাঠে আসলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে। ব্রাজিলের জন্য সে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে মেজর ফিগার হয়ে উঠবে।’
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের খেলা
উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে ষষ্ঠ শিরোপার খোঁজে লড়বে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ফিফা ডটকমের অফিশিয়াল সূচি অনুযায়ী গ্রুপপর্বে ব্রাজিলের ম্যাচগুলো হলো– বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ১৪ জুন মরক্কো, ২০ জুন হাইতি এবং ২৬ জুন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল।
২০০২ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটা আর ছোঁয়া হয়নি সেলেসাওদের। নেইমার জুনিয়রের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি এনড্রিকের মতো তরুণের গতি আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ের ওপরই ভরসা রাখছে ব্রাজিল। বিশ্বমঞ্চের সবুজ গালিচায় পেলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সির মান রেখে এনড্রিক ব্রাজিলকে হেক্সা এনে দিতে পারেন কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১ দিন আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
২০ জুলাই ২০২৬
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২০ জুলাই ২০২৬