বিশ্বকাপের নক্ষত্র–১৭
স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবলে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ খেলার দৃশ্যপট বদলে দেয়। স্ট্রাইকাররা গোল করেন, ডিফেন্ডাররা রক্ষণে দেয়াল তোলেন। তবে মাঝমাঠ থেকে প্রতিপক্ষের রক্ষণে নিখুঁত বল জোগানোর কারিগররা ফুটবল অনুরাগী ও বিশ্লেষকদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পান। গত কয়েক বছর ধরে ফুটবল বিশ্বে এমন কুশলী ফুটবলারদের কথা উঠলে ব্রুনো ফার্নান্দেজের নাম ওপরের দিকে থাকে।
ব্রুনো ফার্নান্দেজকে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ‘ক্রিয়েটিভ মাস্টারমাইন্ড’ বলা হয়। অ্যাটাকিং মিডফিল্ড পজিশন থেকে চোখের পলকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স লাইন ভেঙে দিতে পারেন। নিখুঁত থ্রু পাস ও অ্যাসিস্ট বাড়াতে পারদর্শী তিনি। শুধু সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোই নয়, দূরপাল্লার শট এবং ঠান্ডা মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করার অসামান্য দক্ষতা রয়েছে তাঁর।
৩১ বছর বয়সী ব্রুনো ফার্নান্দেজ অ্যাটাকিং বা সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন। ক্লাব ও জাতীয় দল উভয় জায়গাতেই ৮ নম্বর জার্সি পরেন। বর্তমানে তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

ব্রুনোকে নিয়ে পর্তুগাল জাতীয় দলের সাবেক কোচ ফের্নান্দো সান্তোস বলেছিলেন, ব্রুনো মাঠের যেকোনো প্রান্ত থেকে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। তাঁর পাসিং ভিশন ও গোল করা তাঁর সহজাত ক্ষমতা।
ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলার মতে, ব্রুনোর পায়ে বল থাকলে যেকোনো কিছু সম্ভব।
পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিং সিপির হয়ে ঘরোয়া ট্রফি জেতার পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেন ব্রুনো। ২০২৪ সালে ক্লাবকে এফএ কাপ এবং ২০২৩ সালে কারাবাও কাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জাতীয় দল পর্তুগালের হয়ে দুইবার উয়েফা নেশনস লিগ শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছেন।
স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে পর্তুগালের বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন। পাশাপাশি ২০১৯-২০ এবং ২০২৪-২৫ মৌসুমে ছিলেন উয়েফা ইউরোপা লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা। এছাড়া ২০১৯-২০ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন।

পর্তুগালের হয়ে ৮৭ ম্যাচে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ২৮ গোল। ম্যানইউর হয়ে ৩২৭ ম্যাচে করেছেন ১০৭ গোল ও ১০৮ অ্যাসিস্ট। এছাড়া পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিংয়ের হয়ে ১৩৭ ম্যাচে ৬৩ গোল ও ৫০ অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ৩৫ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল ও ২১ অ্যাসিস্ট।
২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বমঞ্চে অভিষেক ঘটে ব্রুনোর। তবে ক্যারিয়ারের সেরা বিশ্বকাপ পারফরম্যান্স আসে ২০২২ কাতার আসরে। টুর্নামেন্টে ২ গোল এবং ৩ অ্যাসিস্টে পর্তুগালকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।
২০২৬ বিশ্বকাপ ব্রুনো ফার্নান্দেজের ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যুগের শেষ লগ্নে পর্তুগালের সোনালি প্রজন্মের মাঝমাঠের অন্যতম মূল কাণ্ডারি ও গেম মেকার এখন তিনি। তাঁর অভিজ্ঞ হাতের ছোঁয়ায় পর্তুগাল এবার বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে পা বাড়াবে।
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ২১ অ্যাসিস্টের রেকর্ড মালিক ব্রুনো।

ফুটবলে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ খেলার দৃশ্যপট বদলে দেয়। স্ট্রাইকাররা গোল করেন, ডিফেন্ডাররা রক্ষণে দেয়াল তোলেন। তবে মাঝমাঠ থেকে প্রতিপক্ষের রক্ষণে নিখুঁত বল জোগানোর কারিগররা ফুটবল অনুরাগী ও বিশ্লেষকদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পান। গত কয়েক বছর ধরে ফুটবল বিশ্বে এমন কুশলী ফুটবলারদের কথা উঠলে ব্রুনো ফার্নান্দেজের নাম ওপরের দিকে থাকে।
ব্রুনো ফার্নান্দেজকে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ‘ক্রিয়েটিভ মাস্টারমাইন্ড’ বলা হয়। অ্যাটাকিং মিডফিল্ড পজিশন থেকে চোখের পলকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স লাইন ভেঙে দিতে পারেন। নিখুঁত থ্রু পাস ও অ্যাসিস্ট বাড়াতে পারদর্শী তিনি। শুধু সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোই নয়, দূরপাল্লার শট এবং ঠান্ডা মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করার অসামান্য দক্ষতা রয়েছে তাঁর।
৩১ বছর বয়সী ব্রুনো ফার্নান্দেজ অ্যাটাকিং বা সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন। ক্লাব ও জাতীয় দল উভয় জায়গাতেই ৮ নম্বর জার্সি পরেন। বর্তমানে তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

ব্রুনোকে নিয়ে পর্তুগাল জাতীয় দলের সাবেক কোচ ফের্নান্দো সান্তোস বলেছিলেন, ব্রুনো মাঠের যেকোনো প্রান্ত থেকে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। তাঁর পাসিং ভিশন ও গোল করা তাঁর সহজাত ক্ষমতা।
ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলার মতে, ব্রুনোর পায়ে বল থাকলে যেকোনো কিছু সম্ভব।
পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিং সিপির হয়ে ঘরোয়া ট্রফি জেতার পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেন ব্রুনো। ২০২৪ সালে ক্লাবকে এফএ কাপ এবং ২০২৩ সালে কারাবাও কাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জাতীয় দল পর্তুগালের হয়ে দুইবার উয়েফা নেশনস লিগ শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছেন।
স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে পর্তুগালের বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন। পাশাপাশি ২০১৯-২০ এবং ২০২৪-২৫ মৌসুমে ছিলেন উয়েফা ইউরোপা লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা। এছাড়া ২০১৯-২০ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন।

পর্তুগালের হয়ে ৮৭ ম্যাচে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ২৮ গোল। ম্যানইউর হয়ে ৩২৭ ম্যাচে করেছেন ১০৭ গোল ও ১০৮ অ্যাসিস্ট। এছাড়া পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিংয়ের হয়ে ১৩৭ ম্যাচে ৬৩ গোল ও ৫০ অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ৩৫ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল ও ২১ অ্যাসিস্ট।
২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বমঞ্চে অভিষেক ঘটে ব্রুনোর। তবে ক্যারিয়ারের সেরা বিশ্বকাপ পারফরম্যান্স আসে ২০২২ কাতার আসরে। টুর্নামেন্টে ২ গোল এবং ৩ অ্যাসিস্টে পর্তুগালকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।
২০২৬ বিশ্বকাপ ব্রুনো ফার্নান্দেজের ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যুগের শেষ লগ্নে পর্তুগালের সোনালি প্রজন্মের মাঝমাঠের অন্যতম মূল কাণ্ডারি ও গেম মেকার এখন তিনি। তাঁর অভিজ্ঞ হাতের ছোঁয়ায় পর্তুগাল এবার বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে পা বাড়াবে।
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ২১ অ্যাসিস্টের রেকর্ড মালিক ব্রুনো।

ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৫ বছর পর মাঠে নেমে ভালোমতোই এগোচ্ছে বাংলাদেশ। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১৬ ওভারে ১০২ রান তুলে ফেলেছে টাইগাররা। রানরেট রয়েছে ৬ এর উপরে।
৪ মিনিট আগে
কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়াম। লেফট উইং দিয়ে ক্ষিপ্র গতিতে ছুটছেন খেলোয়াড়। চোখের পলকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের পেছনে ফেলে ঢুকে পড়েছেন ডি-বক্সে। এরপর ডান পায়ের বাঁকানো কিক, বল জালে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নাম শুনলে ফুটবলপ্রেমীদের চোখে এমনই দৃশ্য ভাসে।
১৪ ঘণ্টা আগে
তরুণ নিকো পাজ চাইবেন কাতার বিশ্বকাপে মেসির ম্যাজিকের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে শিরোপা ধরে রাখতে। কতটুকু সফল হবেন তা অবশ্য সময়ই বলে দেবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন কমিটি গঠনের একদিনের মাথায় পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ছেলে।
১৮ ঘণ্টা আগে