স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে স্পেন। দলে লা লিগার জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের কোনো ফুটবলার জায়গা হয়নি। রিয়ালের কেউ না থাকলেও প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে দলে তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ তারকাদের ভারসাম্যপূর্ণ কম্বিনেশন দেখা গেছে।
গোলপোস্টে স্পেনের মূল ভরসা অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের উনাই সিমন ও আর্সেনালের ডেভিড রায়া, ব্যাকআপ হিসেবে থাকছেন বার্সেলোনার হোয়ান গার্সিয়া।
রক্ষণভাগে কোচের বড় ভরসা আইমেরিক লাপোর্তে, চেলসির মার্ক কুকুরেয়া এবং বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি পাউ কুবার্সি। রাইট-ব্যাক ও উইং-ব্যাক পজিশনে পেদ্রো পোরো ও মার্ক পুবিলদের গতি দলকে বাড়তি সুবিধা দেবে। এ ছাড়া রক্ষণভাগে আরও আছেন আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো, এরিক গার্সিয়া এবং মার্কোস ইয়োরেন্তে।
মাঝমাঠ সামলানোর মূল দায়িত্ব চোট কাটিয়ে ফেরা ম্যানচেস্টার সিটির তারকা রদ্রিগো হার্নান্দেস (রদ্রি) এবং বার্সেলোনার গাভি। সঙ্গে আছেন বার্সেলোনার পেদ্রি, পিএসজির ফাবিয়ান রুইজ এবং আর্সেনালের মার্তিন জুবিমেন্দি। মাঝমাঠে বৈচিত্র্য আনতে স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন অ্যালেক্স বায়েনা, মিকেল মেরিনো ও মিকেল ওয়ারজাবাল।
আক্রমণে সবার চোখ থাকবে তরুণ সেনসেশন বার্সার লামিন ইয়ামাল এবং গতিময় উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামসের ওপর। গত ইউরো কাপে আলো ছড়ানো এই জুটির সঙ্গে ফরোয়ার্ড থাকছেন দানি অলমো, ফেরান তোরেস, ইয়েরেমি পিনো, ভিক্টর মুনোজ এবং অভিজ্ঞ বোর্হা ইগলেসিয়াস।
গোলরক্ষক: উনাই সিমন, ডেভিড রায়া, হোয়ান গার্সিয়া।
রক্ষণ: মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো, পাউ কুবার্সি, আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্কোস ইয়োরেন্তে, পেদ্রো পোরো।
মাঝমাঠ: পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, মার্তিন জুবিমেন্দি, গাভি, রদ্রিগো হার্নান্দেস, অ্যালেক্স বায়েনা, মিকেল মেরিনো, মিকেল ওয়ারজাবাল।
আক্রমণ: দানি অলমো, নিকো উইলিয়ামস, ইয়েরেমি পিনো, ফেরান তোরেস, বোর্হা ইগলেসিয়াস, ভিক্টর মুনোজ, লামিন ইয়ামাল।

বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে স্পেন। দলে লা লিগার জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের কোনো ফুটবলার জায়গা হয়নি। রিয়ালের কেউ না থাকলেও প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে দলে তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ তারকাদের ভারসাম্যপূর্ণ কম্বিনেশন দেখা গেছে।
গোলপোস্টে স্পেনের মূল ভরসা অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের উনাই সিমন ও আর্সেনালের ডেভিড রায়া, ব্যাকআপ হিসেবে থাকছেন বার্সেলোনার হোয়ান গার্সিয়া।
রক্ষণভাগে কোচের বড় ভরসা আইমেরিক লাপোর্তে, চেলসির মার্ক কুকুরেয়া এবং বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি পাউ কুবার্সি। রাইট-ব্যাক ও উইং-ব্যাক পজিশনে পেদ্রো পোরো ও মার্ক পুবিলদের গতি দলকে বাড়তি সুবিধা দেবে। এ ছাড়া রক্ষণভাগে আরও আছেন আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো, এরিক গার্সিয়া এবং মার্কোস ইয়োরেন্তে।
মাঝমাঠ সামলানোর মূল দায়িত্ব চোট কাটিয়ে ফেরা ম্যানচেস্টার সিটির তারকা রদ্রিগো হার্নান্দেস (রদ্রি) এবং বার্সেলোনার গাভি। সঙ্গে আছেন বার্সেলোনার পেদ্রি, পিএসজির ফাবিয়ান রুইজ এবং আর্সেনালের মার্তিন জুবিমেন্দি। মাঝমাঠে বৈচিত্র্য আনতে স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন অ্যালেক্স বায়েনা, মিকেল মেরিনো ও মিকেল ওয়ারজাবাল।
আক্রমণে সবার চোখ থাকবে তরুণ সেনসেশন বার্সার লামিন ইয়ামাল এবং গতিময় উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামসের ওপর। গত ইউরো কাপে আলো ছড়ানো এই জুটির সঙ্গে ফরোয়ার্ড থাকছেন দানি অলমো, ফেরান তোরেস, ইয়েরেমি পিনো, ভিক্টর মুনোজ এবং অভিজ্ঞ বোর্হা ইগলেসিয়াস।
গোলরক্ষক: উনাই সিমন, ডেভিড রায়া, হোয়ান গার্সিয়া।
রক্ষণ: মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো, পাউ কুবার্সি, আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্কোস ইয়োরেন্তে, পেদ্রো পোরো।
মাঝমাঠ: পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, মার্তিন জুবিমেন্দি, গাভি, রদ্রিগো হার্নান্দেস, অ্যালেক্স বায়েনা, মিকেল মেরিনো, মিকেল ওয়ারজাবাল।
আক্রমণ: দানি অলমো, নিকো উইলিয়ামস, ইয়েরেমি পিনো, ফেরান তোরেস, বোর্হা ইগলেসিয়াস, ভিক্টর মুনোজ, লামিন ইয়ামাল।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১৬ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৭ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২০ ঘণ্টা আগে