স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ সালের যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো বিশ্বকাপে আরব দেশগুলোর জয়যাত্রা ফুটবল বিশ্বে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। টুর্নামেন্ট ৪৮ দলে উন্নীত হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বকাপে এশিয়া এবং আফ্রিকা অঞ্চল থেকে ৪টি করে ৮ আরব দেশ অংশ নিচ্ছে। ২০১৮ ও ২০২২-এ ৪টি করে দল আরব দেশ অংশ নেয়।
বিশ্বকাপে আরব আট দেশের অগ্রযাত্রা
মরক্কো: ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অধিকার করে তারা প্রথম আরব-আফ্রিকান দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করে।
জর্ডান: ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করে ইতিহাস গড়েছে জর্ডান। ২০২৪ সালের এশিয়ান কাপে রানার্সআপ হওয়ার ছন্দ ধরে রেখে বাছাইপর্বের তৃতীয় রাউন্ডে ওমানকে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট কাটে।
ইরাক: ইরাক ১ এপ্রিল, ২০২৬-এ আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে নাটকীয়ভাবে বিশ্বকাপের ৪৮তম তথা শেষ দল হিসেবে নাম লিখিয়েছে। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের তারা গ্রুপ পর্বে বাদ যায়। দীর্ঘ ৪০ বছর পর তারা আবার বিশ্বমঞ্চে ফিরছে।
মিসর: মোহাম্মদ সালাহর নেতৃত্বে মিশর আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ান হয়ে সরাসরি মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
এই বাছাইপর্বে মোহাম্মদ সালাহ আফ্রিকার ইতিহাসের সর্বচ্চো ২০ গোল করে দিদিয়েল ড্রগবা, স্লিমানি, স্যামুয়েল ইতো এবং মৌমুনি ডাগানোদের করা ১৮ গোলের সর্বচ্চো রেকর্ড ভেঙ্গে দেয় ।
আলজেরিয়া: ২০২২ বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়ার আক্ষেপ এবার ঘুচিয়েছে আলজেরিয়া। মোহাম্মদ আমুরার দুর্দান্ত গোলস্কোরিং ফর্মের ওপর ভর করে তারা গ্রুপ সেরা হয়ে ফিরে এসেছে। আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ান হয়ে সরাসরি মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
তাদের অন্যতম সাফল্য হিসেবে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে গিয়েছিলো। ২০১৪ সালে তারা চ্যাম্পিয়ন জার্মানির সাথের শেষ ষোলোর ম্যাচে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছিল অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত।
সৌদি আরব: এশিয়ার অন্যতম ধারাবাহিক দল হিসেবে সৌদি আরব এএফসি বাছাইপর্বে গ্রুপ সেরা হয়ে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। এশিয়া অঞ্চলের চতুর্থ রাউন্ডের বাছাইপর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হয়ে সরাসরি কোয়ালিফাই করে। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের শেষ ১৬তে গিয়েছিল। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে নিজেদের গ্রুপের প্রথম ম্যাচে ঐ বছরের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারায়।
কাতার: ২০২২-এর আয়োজক হিসেবে অভিষেক হলেও এবার তারা এশিয়ার প্রথাগত বাছাইপর্ব পেরিয়েই নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে। বর্তমান এশিয়ান চ্যাম্পিয়ান হিসেবে তারা এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। এশিয়া অঞ্চলের চতুর্থ রাউন্ডের বাছাইপর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হয়ে সরাসরি কোয়ালিফাই করে।
তিউনিসিয়া: তিউনিসিয়া তাদের অসাধারণ রক্ষণভাগ দিয়ে আফ্রিকার বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। বাছাইপর্বের ১০টি ম্যাচের একটিতেও তারা কোনো গোল হজম করেনি।

২০২৬ সালের যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো বিশ্বকাপে আরব দেশগুলোর জয়যাত্রা ফুটবল বিশ্বে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। টুর্নামেন্ট ৪৮ দলে উন্নীত হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বকাপে এশিয়া এবং আফ্রিকা অঞ্চল থেকে ৪টি করে ৮ আরব দেশ অংশ নিচ্ছে। ২০১৮ ও ২০২২-এ ৪টি করে দল আরব দেশ অংশ নেয়।
বিশ্বকাপে আরব আট দেশের অগ্রযাত্রা
মরক্কো: ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অধিকার করে তারা প্রথম আরব-আফ্রিকান দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করে।
জর্ডান: ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করে ইতিহাস গড়েছে জর্ডান। ২০২৪ সালের এশিয়ান কাপে রানার্সআপ হওয়ার ছন্দ ধরে রেখে বাছাইপর্বের তৃতীয় রাউন্ডে ওমানকে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট কাটে।
ইরাক: ইরাক ১ এপ্রিল, ২০২৬-এ আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে নাটকীয়ভাবে বিশ্বকাপের ৪৮তম তথা শেষ দল হিসেবে নাম লিখিয়েছে। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের তারা গ্রুপ পর্বে বাদ যায়। দীর্ঘ ৪০ বছর পর তারা আবার বিশ্বমঞ্চে ফিরছে।
মিসর: মোহাম্মদ সালাহর নেতৃত্বে মিশর আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ান হয়ে সরাসরি মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
এই বাছাইপর্বে মোহাম্মদ সালাহ আফ্রিকার ইতিহাসের সর্বচ্চো ২০ গোল করে দিদিয়েল ড্রগবা, স্লিমানি, স্যামুয়েল ইতো এবং মৌমুনি ডাগানোদের করা ১৮ গোলের সর্বচ্চো রেকর্ড ভেঙ্গে দেয় ।
আলজেরিয়া: ২০২২ বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়ার আক্ষেপ এবার ঘুচিয়েছে আলজেরিয়া। মোহাম্মদ আমুরার দুর্দান্ত গোলস্কোরিং ফর্মের ওপর ভর করে তারা গ্রুপ সেরা হয়ে ফিরে এসেছে। আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ান হয়ে সরাসরি মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
তাদের অন্যতম সাফল্য হিসেবে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে গিয়েছিলো। ২০১৪ সালে তারা চ্যাম্পিয়ন জার্মানির সাথের শেষ ষোলোর ম্যাচে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছিল অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত।
সৌদি আরব: এশিয়ার অন্যতম ধারাবাহিক দল হিসেবে সৌদি আরব এএফসি বাছাইপর্বে গ্রুপ সেরা হয়ে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। এশিয়া অঞ্চলের চতুর্থ রাউন্ডের বাছাইপর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হয়ে সরাসরি কোয়ালিফাই করে। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের শেষ ১৬তে গিয়েছিল। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে নিজেদের গ্রুপের প্রথম ম্যাচে ঐ বছরের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারায়।
কাতার: ২০২২-এর আয়োজক হিসেবে অভিষেক হলেও এবার তারা এশিয়ার প্রথাগত বাছাইপর্ব পেরিয়েই নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে। বর্তমান এশিয়ান চ্যাম্পিয়ান হিসেবে তারা এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। এশিয়া অঞ্চলের চতুর্থ রাউন্ডের বাছাইপর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হয়ে সরাসরি কোয়ালিফাই করে।
তিউনিসিয়া: তিউনিসিয়া তাদের অসাধারণ রক্ষণভাগ দিয়ে আফ্রিকার বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। বাছাইপর্বের ১০টি ম্যাচের একটিতেও তারা কোনো গোল হজম করেনি।

ফুটবলে তারকা খেলোয়াড় মানেই গোল স্কোরার। মিডফিল্ডাররা মাঝেমধ্যে তারকাদের স্পটলাইটে ভাগ বসালেও ডিফেন্ডাররা রয়ে যান আড়ালেই। ফুটবলবোদ্ধারা বলেন, স্ট্রাইকাররা ম্যাচ জেতান, তবে টুর্নামেন্ট জেতায় ডিফেন্ডার। কিন্তু সাধারণ ফুটবল দর্শকেরা বরাবরই ডিফেন্ডারদের নিয়ে কম আগ্রহী।
৭ ঘণ্টা আগে
টানা ৮ বার বিশ্বকাপে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশ জাপান। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে চমকে দেওয়া দলটি এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা সাফল্যের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে।
৮ ঘণ্টা আগে
ফিফা বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে স্পেন। দলে লা লিগার জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের কোনো ফুটবলার জায়গা হয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বিশ্বকাপের কয়েক সপ্তাহ আগে লিওনেল মেসি ও এমিলিয়ানো মার্তিনেজের চোটের খবরে ধাক্কা খেয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দলের দুই প্রধান তারকার ফিটনেস নিয়ে এখন চরম উদ্বেগে রয়েছেন ভক্ত ও সংশ্লিষ্টরা।
১১ ঘণ্টা আগে