পাখিবন্ধু আকাশকলি দাসের অভয়াশ্রমে দখলদারের থাবাপ্রায় ছয় দশকের প্রচেষ্টায় নিজ বসত বাড়ির প্রায় ছয় বিঘা জায়গায় পাখিদের অভয়াশ্রম গড়েছিলেন পাবনার পাখিবন্ধু আকাশকলি দাস। চলতি বছরের ১৮ আগস্ট পরলোকে পাড়ি জমানো আকাশকলি দাশের মৃত্যুর চারমাস না পেরোতেই স্থানীয় কিছু মানুষ সম্পত্তি নিজের বলে দাবি করে ধ্বংস করছেন অভয়ারণ্য।
পাখি শিকার ‘মহামারি’ আকার ধারণ করেছে, প্রতিরোধে রাস্তায় নামলেন ফটোগ্রাফাররাদেশজুড়ে নির্বিচারে পাখি শিকার এখন জীববৈচিত্র্যের জন্য মহাবিপর্যয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকার কলাতিয়া সংলগ্ন এলাকায় ফটোওয়াক ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছেন ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার, বার্ডওয়াচার ও পরিবেশবাদীরা।
১১০ বছর আগে রাজশাহী শহরে ঘুরে বেড়াত চিতাবাঘজেনে অবাক হবেন যে রাজশাহীর জঙ্গলে শেষ বাঘটি দেখা যায় ১২৫ বছর আগে। আর কোন কোন বন্যপ্রাণী সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? কী কী পাখি দেখা যেত? ১৯১৬ সালে প্রকাশিত এল এস এস ওম্যালি-এর বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (রাজশাহী) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
চিড়িয়াখানায় ছবি তোলার এক যুগআজ ১০ ডিসেম্বর, আন্তর্জাতিক প্রাণী অধিকার দিবস। বাংলাদেশের জাতীয় চিড়িয়াখানা দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সময় ছবি তুলেছেন ঢাকা স্ট্রিমের ফটো এডিটর, ফটো সাংবাদিক আশরাফুল আলম।
শত বছর আগে বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের বন্যপ্রাণী ও মাছজেনে অবাক হবেন যে, শত বছর আগে বৃহত্তর যশোর (ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ, যশোর) অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১২ সালের এল এস এস ওম্যালি-এর বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
শত বছর আগে ঢাকার বন্যপ্রাণীজেনে অবাক হবেন যে কয়েক শত বছর আগে ঢাকা ঘন জঙ্গলে পূর্ণ ছিল। সেখানে বন্যপ্রাণীরা বাস করত। কিন্তু কোন কোন বন্যপ্রাণী সেখানে ছিল? ১৯১২ সালে প্রকাশিত বি সি অ্যালান-এর ইস্টার্ন বাংলা ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
রাজবাড়ীর কর বাড়ি এখন অতিথি পাখির রাজ্যরাজবাড়ীর কর বাড়িটি এখন যেন অতিথি পাখির রাজ্য। উঁচু গাছের ডালে ডালে ঝুলছে শত শত বাসা, তার ভেতর ডানা মেলে উড়ছে হাজারো শামুকখোল, পানকৌড়ি আর নানা জাতের পাখি। নিরাপদ আশ্রয় ভেবে এ বাড়িটিকেই তারা বেছে নিয়েছে প্রজননের জন্য।
মিরপুরে পাখির হাটে একদিননানা জাতের পাখির হাট বসে রাজধানীর মিরপুর ১ শাহ আলী মার্কেট সংলগ্ন এলাকায়। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মানুষেরা নানা জাতের ও নানা রঙের পাখি কেনা-বেচার ভিড় করে এই হাটে। সপ্তাহে ছুটির দিন শুক্রবারে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে এই হাট। নিজেদের পোষা পাখিও বিক্রির আশায় এখানে নিয়ে আসেন অনেকেই।
যারা পাখি প্রেমিক তারা পাখি ছাড়া বাঁচবেনাপাখির সঙ্গে মানুষের সখ্যতা বেশ পুরোনো। সেই সখ্যতা যেন দিন দিন আরও বাড়ছে। মানুষ কেন পাখি পালন করে? কেনই বা পাখির সাথে মানুষের এতো সখ্যতা? চলুন জেনে নেয়া যাক।