কক্সবাজারে পানিবন্দি ৫ লাখ, নৌকাডুবিতে শিশুর মৃত্যুটানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার সড়ক, উপ-সড়ক, ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।১০ জুলাই ২০২৬
মৌলভীবাজারে চার উপজেলায় পানিবন্দি ৩০ হাজার মানুষ, একজনের মৃত্যুটানা ভারী বৃষ্টি এবং ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর একাধিক স্থানে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে জেলার রাজনগর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও সদর উপজেলায় ভয়াবহ বন্যার দেখা দিয়েছে। ১৭ ইউনিয়নে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ।১০ জুলাই ২০২৬
কুষ্টিয়ার পদ্মা ও গড়াই নদীপানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, পানিবন্দি ৪০ হাজার মানুষঅনেক ঘরবাড়ি প্লাবিত না হলেও সবাই পানিবন্দি রয়েছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। গোখাদ্যে দেখা দিয়েছে চরম সঙ্কট।১৫ আগস্ট ২০২৫