বাংলাকে ধারণ করতে হলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: বিদ্যুৎমন্ত্রীসমাজে এখন ইনকিলাবের মতো এমন অনেক অদ্ভুত ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, যার সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
অমর একুশে•থার ভাষার সন্ধানেভাষা শুধু মানুষের ভাব প্রকাশের মাধ্যম নয়, ভাষা একটি জাতিগোষ্ঠীর ইতিহাস, সংস্কৃতি, জীবনবোধ ও আত্মপরিচয়ের ধারক। ভাষার ভেতর লুকিয়ে থাকে একটি জনগোষ্ঠীর শতাব্দী-প্রাচীন স্মৃতি, বিশ্বাস, লোকজ জ্ঞান, জীবনবোধ ও সংস্কৃতির প্রতিফলন।
অমর একুশে•বাংলাদেশে রাজনীতির ভাষা: শব্দ, ভয় ও চুপ থাকার ব্যাকরণএ লেখাটি লেখার আগে সচেতনভাবে কখনো খেয়ালই করিনি, এখন আমরা কথা বলার আগে একটু থেমে যাই। এটা এতটাই স্বাভাবিক যে, আমরা আর প্রশ্নই করি না, এই ‘থামা’ কবে থেকে আমাদের স্বভাব হয়ে গেল
ভাষার ভেতর কীভাবে লেখা হয় জাতির ভবিষ্যৎপাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ সংকলন কীভাবে হয়ে ওঠে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির প্রথম পাঠহাল আমলের বাংলাদেশে রাজনৈতিক আলাপচারিতার ভাষায় ‘অন্তর্ভুক্তিমূলকতা’ (inclusiveness) একটা চেনা শব্দ। কিন্তু খুব কম সময়ই এই ভূখণ্ডের জনমানুষ অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সাক্ষাৎ পেয়েছে।
জোস্ থেকে পেরা: শব্দের অর্থ যখন বদলে যায়কোনো কিছু প্রবলভাবে ভালো লাগলে কিংবা আনন্দদায়ক হলে তরুণেরা বলেন ‘জোস্’। তরুণদের ভাষায় ফারসি থেকে বাংলা ভাষায় পরিগৃহীত ‘জোশ’ শব্দটিরও রূপান্তর ঘটেছে। ‘জোশ’ থেকে হয়েছে ‘জোস্’। ফারসিতে ‘জোশ’ শব্দের প্রধান অর্থ তাপ।
বাংলা ভাষার প্রথম এআই প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ’ ও নতুন ফন্ট ‘জুলাই’ চালুবাংলা ভাষার প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই’ ও দাপ্তরিক কাজের উপযোগী নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। পাশাপাশি এপিআই উন্মুক্ত করে দিয়ে বাংলা ভাষাকে সবার জন্য সহজলভ্য করা হবে এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিপন্নপ্রায় ভাষাগুলোকেও সাইবার স্পেসে বাঁচিয়ে রা
বাংলা গদ্যরীতি ও মুনীর চৌধুরীবাংলা গদ্যরীতির শুরু হয়েছিল তিনটি পৃথক ছাঁচ ধরে; যথাক্রমে জনবুলি অসংস্কৃত ছাঁচে উইলিয়াম কেরির ‘কথোপকথন’, আরবি-ফারসিমিশ্রিত ছাঁচে রাম রাম বসুর ‘প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ এবং সংস্কৃত ব্যাকরণে তৎসম শব্দবহুল ছাঁচে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের ‘বত্রিশ সিংহাসনে’র মাধ্যমে।