
‘সৃজনশীল অর্থনীতি’-এখানে কারখানা লাগে না, বিশাল জমি লাগে না। একটা ভালো আইডিয়া আর সেটাকে বাজারযোগ্য করার দক্ষতাই যথেষ্ট। জাতিসংঘের হিসাবে, এই খাত থেকে বিশ্বে প্রতি বছর আয় হয় দুই ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি, কর্মসংস্থান হয় পাঁচ কোটি মানুষের। আর এই পাঁচ কোটির প্রায় অর্ধেকই নারী।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সামাজিক মাধ্যমে একটা কথা বেশ ঘুরছে। কেউ কেউ বলছেন, এবারের বাজেট “উচ্চাভিলাষী”। কেউ আবার বলছেন, “একই বাজেট, নতুন মোড়ক।” এই দুই মেরুর মাঝখানে বসে আমি যখন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের মূল কাঠামোটা পড়লাম, মনে হলো আলোচনাটা আসলে অনেক গভীরে যাওয়া দরকার।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন জেলার খবরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে স্তূপ করা চামড়া, ক্লান্ত মুখের ব্যবসায়ী, আর লোকসানের হিসাব মেলাতে গিয়ে মাথায় হাত দেওয়া মৌসুমি বিক্রেতা। এই দৃশ্য বাংলাদেশে নতুন নয়, প্রতি বছরের। কিন্তু একটি সম্ভাবনাময় খাতের কেন এই বেহাল অবস্থা, এর জন্য দায়ী কারা?

গত কয়েক মাসে ঢাকার নানা সেমিনার আর আলোচনায় একটি বিষয় বারবার সামনে এসেছে—শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর দাবি। বিষয়টি অবশ্য নতুন কিছু নয়। প্রতি বছর বাজেট ঘোষণার আগে একই দাবি ওঠে, আলোচনা হয়, স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এরপর বাজেট আসে, টাকার অঙ্ক কিছুটা বাড়ে ঠিকই, কিন্তু জিডিপির অনুপাতে বরাদ্দ আবার কমে যা

দেশের অধিকাংশ কৃষক-উৎপাদকের অভিজ্ঞতা প্রায় একই। পণ্য আছে, দক্ষ হাতও আছে, কিন্তু বাজারে পৌঁছানোর কার্যকর পথ নেই। সেই পথ তৈরির লক্ষ্য নিয়েই বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান নেতৃত্ব এবার সামনে এনেছে ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রডাক্ট বা ওভিওপি উদ্যোগ।

প্রতি বছর জুনের আগেই একটা প্রত্যাশার মৌসুম তৈরি হয়। পত্রিকার পাতায়, টেলিভিশনের পর্দায় জাতীয় বাজেট নিয়ে আলোচনা জমে ওঠে। বাজেট ঘোষণার পর সেই আলোচনা কয়েক দিন চলে, তারপর স্তিমিত হয়ে যায়। পরের বছর আবার একই চক্র।

বাংলাদেশে পেপালের আগমনের গল্পটা একটু অদ্ভুত। প্রায় এক দশক ধরে একই কথা বলা হচ্ছে—পেপাল আসছে। প্রতিটি সরকারই এই ঘোষণা দিয়েছে, আবার নীরবে সরেও গেছে।

বোরো মৌসুম মানে বাংলাদেশের কৃষির সবচেয়ে বড় মুহূর্ত। দেশের মোট চাল উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে এই একটি মৌসুম থেকে। ডিসেম্বর থেকে মে পর্যন্ত কৃষকের পুরো জীবন আবর্তিত হয় এই ফসলকে ঘিরে। হাল চাষ থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কৃষকের শরীরে ঘাম, চোখে স্বপ্ন। কিন্তু এবার সেই স্বপ্নের গায়ে

চরের মাটি আর লোনা বাতাসের সংসারে এক ধরনের জুয়া খেলা চলে প্রতি বছর। কৃষক বীজ বোনেন, মাটিতে মিশিয়ে দেন হাজার হাজার টাকা। তারপর শুরু হয় অপেক্ষা। সেই অপেক্ষার নাম তরমুজ।

ঈদের ছুটিতে কিছু একটা করার ইচ্ছা ছিল অনেক দিন ধরে। বছরের পর বছর রূপপুরের নাম পড়েছি, শুনেছি, খবরে দেখেছি। কিন্তু নিজের চোখে দেখা হয়নি। এবার ঠিক করলাম, এই ছুটিতে যাবই। পরিবার রাজি হলো। গাড়ি বের হলো। রাজশাহী থেকে রূ

পান্তা-ইলিশ একটি সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ হিসেবে গড়ে উঠেছে অনেক পরে, মূলত আশির দশকের পর থেকে শহরে। কিন্তু এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে যে বাজার তৈরি হয়েছে, তা এখন একটি নিয়মিত মূল্যবৃদ্ধির ক্যালেন্ডার তৈরি করেছে। প্রতি বছর বৈশাখের আগে দাম বাড়বে, উৎসব শেষে কমবে, এটা এখন যেন ধরে নেওয়া হয়।

একটি গাছের পাতা হলদে হয়ে যায় যখন নাইট্রোজেনের অভাব হয়। ফল ঝরে পড়ে যখন ফসফরাস নেই। ডাল শুকিয়ে আসে পটাশিয়াম না পেলে। এই তিনটি উপাদান ছাড়া গাছ বাঁচে না, ফসল হয় না। আর এই তিনটি উপাদানের মূল বাহক হলো রাসায়নিক সার।

আমার বাবা এদেশের একজন প্রখ্যাত কবি। সংসারে আমরা ছিলাম ছয় ভাইবোন। বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন, মা সামলাতেন ঘর। নিম্ন মধ্যবিত্তের সেই জীবনে বিলাসিতার কোনো জায়গা ছিল না। নতুন জামার জন্য অপেক্ষা করতে হতো, কখনো হতো না-ও। কিন্তু একটি জায়গায় বাবা কোনো দিন কার্পণ্য করেননি। সেটি, বই।

বাংলাদেশে যদি সঠিকভাবে জাকাত আদায় ও বণ্টন করা যায়, তাহলে মাত্র সাত থেকে দশ বছরের মধ্যেই দেশ থেকে দারিদ্র্য অনেকটাই দূর করা সম্ভব। এটি কোনো কল্পনা নয়, বরং একটি বাস্তবসম্মত হিসাব। বাংলাদেশে জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৩ বিদ্যমান রয়েছে, কিন্তু এর কার্যকর প্রয়োগ প্রায় দেখা যায় না।

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। রাতের আঁধার তখনো পুরোপুরি কাটেনি। আমেরিকা আর ইসরাইলের যুদ্ধবিমান একসঙ্গে ঢুকে পড়ে ইরানের আকাশে। অপারেশন 'এপিক ফিউরি'। মিসাইল আর বোমার আঘাত হতে থাকে ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে। বোমা পড়ে স্কুলে। নিহত হয় শত শত শিশু। সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও নিহত হন। পরদিন সকালে বিশ্বের মানুষ চোখ

রপ্তানিতে বৈচিত্র্য নেই, বাজারে নির্ভরতা একমুখী, কারখানার ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবেলার প্রস্তুতি অপর্যাপ্ত এবং বড় শক্তির সঙ্গে দরকষাকষিতে আমাদের কূটনৈতিক শক্তি এখনও দুর্বল।