স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) কার্যক্রমের অডিট গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বছরে দুইবার হওয়ার বিধান থাকলেও চলতি মেয়াদের ১০ মাসেও তা হয়নি। এতে রাকসুর আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
রাকসুর গঠনতন্ত্রের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত দুইজন শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে নিয়ে অডিট বোর্ড গঠনের কথা। এ বোর্ড বছরে দুইবার রাকসুর হিসাব নিরীক্ষা করবে। রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) অডিট বোর্ডের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, তিনি বোর্ডের সদস্য থাকবেন না।
রাকসু নির্বাচনের পর প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো অডিট হয়নি। নির্ধারিত সময়ে অডিট না হওয়ার কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে রাকসুর আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাকসুর নেতারা সোয়া এক কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ গ্রহণ করলেও ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকা খরচের বিল-ভাউচার জমা দেননি।
তবে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন রাকসু প্রতিনিধিরা। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রকৃত তথ্য হলো, রাকসু এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৪ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর মধ্যে চলমান কাজের খরচ বাদে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে।
অডিট না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, অডিট না হওয়ার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ নেই। তবে রাকসুর মেয়াদ শেষে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী অডিট টিমের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে।
রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান বলেন, গঠনতন্ত্রে বছরে দুইবার অডিটের কথা থাকলেও দীর্ঘদিন রাকসু বন্ধ ছিল। নতুন করে কার্যক্রম শুরু করার পর সবকিছু বুঝে উঠতে এবং বাজেট পেতেই প্রায় ছয় মাস সময় লেগেছে। ফলে প্রথম ছয় মাসে রাকসুর কার্যক্রম সেভাবে শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী ছয় মাসে কার্যক্রম শুরু হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে অডিট করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অডিট না হওয়ায় রাকসুর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন।
গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের মুখপাত্র ও শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, রাকসুর সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় রাখতে পারেননি। একই সঙ্গে বছরে দুইবার অডিট করার নিয়মও বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে আলোচিত ভাউচার অনিয়মের দায় রাকসুর এই দুই কর্তাব্যক্তির ওপরও বর্তায়।
শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, নিয়মিত অডিটের হিসাব প্রকাশ ও উপস্থাপন না করা হলে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এরই মধ্যে অর্থ ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির অভিযোগ সামনে এসেছে। তাই রাকসুর অর্থ ব্যবস্থাপনা এবং বর্তমান কোষাধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ বলেন, নিয়মিত ছয় মাস পর পর অডিট করা হলে বর্তমানে ভাউচার নিয়ে যে প্রশ্ন ও সংকট তৈরি হয়েছে, তা হয়তো এতটা বড় আকার ধারণ করত না। অডিট না হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রাকসুর আর্থিক ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) কার্যক্রমের অডিট গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বছরে দুইবার হওয়ার বিধান থাকলেও চলতি মেয়াদের ১০ মাসেও তা হয়নি। এতে রাকসুর আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
রাকসুর গঠনতন্ত্রের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত দুইজন শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে নিয়ে অডিট বোর্ড গঠনের কথা। এ বোর্ড বছরে দুইবার রাকসুর হিসাব নিরীক্ষা করবে। রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) অডিট বোর্ডের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, তিনি বোর্ডের সদস্য থাকবেন না।
রাকসু নির্বাচনের পর প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো অডিট হয়নি। নির্ধারিত সময়ে অডিট না হওয়ার কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে রাকসুর আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাকসুর নেতারা সোয়া এক কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ গ্রহণ করলেও ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকা খরচের বিল-ভাউচার জমা দেননি।
তবে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন রাকসু প্রতিনিধিরা। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রকৃত তথ্য হলো, রাকসু এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৪ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর মধ্যে চলমান কাজের খরচ বাদে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে।
অডিট না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, অডিট না হওয়ার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ নেই। তবে রাকসুর মেয়াদ শেষে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী অডিট টিমের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে।
রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান বলেন, গঠনতন্ত্রে বছরে দুইবার অডিটের কথা থাকলেও দীর্ঘদিন রাকসু বন্ধ ছিল। নতুন করে কার্যক্রম শুরু করার পর সবকিছু বুঝে উঠতে এবং বাজেট পেতেই প্রায় ছয় মাস সময় লেগেছে। ফলে প্রথম ছয় মাসে রাকসুর কার্যক্রম সেভাবে শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী ছয় মাসে কার্যক্রম শুরু হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে অডিট করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অডিট না হওয়ায় রাকসুর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন।
গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের মুখপাত্র ও শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, রাকসুর সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় রাখতে পারেননি। একই সঙ্গে বছরে দুইবার অডিট করার নিয়মও বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে আলোচিত ভাউচার অনিয়মের দায় রাকসুর এই দুই কর্তাব্যক্তির ওপরও বর্তায়।
শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, নিয়মিত অডিটের হিসাব প্রকাশ ও উপস্থাপন না করা হলে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এরই মধ্যে অর্থ ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির অভিযোগ সামনে এসেছে। তাই রাকসুর অর্থ ব্যবস্থাপনা এবং বর্তমান কোষাধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ বলেন, নিয়মিত ছয় মাস পর পর অডিট করা হলে বর্তমানে ভাউচার নিয়ে যে প্রশ্ন ও সংকট তৈরি হয়েছে, তা হয়তো এতটা বড় আকার ধারণ করত না। অডিট না হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রাকসুর আর্থিক ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
.png)

চলতি বছর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ৮ ডিসেম্বর সারা দেশে একযোগে শুরু হবে। চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
২৩ আগস্ট ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন হবে আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি। রোববার (২৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন।
২৩ আগস্ট ২০২৬
দেশের মানহীন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তিনি।
২২ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) প্রতিনিধিদের ব্যঙ্গ করে ‘ভাউচার মেলা’ করেছে ছাত্রদল। রাকসুর তহবিল থেকে তোলা অর্থের ব্যয় দেখাতে ভাউচার জমা না দেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত পর্যন্ত এই মেলা হয়।
২২ আগস্ট ২০২৬