স্ট্রিম প্রতিবেদক

অটোপাসের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এমনকি পরীক্ষা কেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলেও, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে দায় নিতে হবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। সভায় শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। অটোপাসের সুযোগ দেওয়া হবে না। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার যে প্রবণতা, তা বন্ধ করে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর শিক্ষকদের জোর দিতে হবে।
পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে তিনি কিছু পদক্ষেপ তুলে ধরেন। সেগুলো হলো– কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের নিবিড়ভাবে ‘বডি সার্চ’ করতে হবে; ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে বিশেষ আইন প্রণয়ন; সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন-সংক্রান্ত কোনো গুজব বা কন্টেন্ট ছড়ালে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা হালনাগাদ করে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেন, যেসব জেলায় বর্তমানে ‘জিলা স্কুল’ নেই, সেখানে নতুন করে জিলা স্কুল করা হবে। এই স্কুলগুলো হবে উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে, যেখানে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের ব্যবস্থা থাকবে। এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
একই দিন বিকেলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক সভায় মন্ত্রী পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক, মানসিক স্বাস্থ্য এবং শিল্পকলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে এবং এসব বিষয়ে ওপর নিয়মিত মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘উচ্চমানের বিশেষজ্ঞ দিয়ে কারিকুলাম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন করা হবে। এক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দলমত বিবেচনা করা হবে না বরং শিক্ষার্থীদের কল্যাণের বিষয় প্রাধান্য পাবে।’
এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাহবুবুল হক পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে সভায় মন্ত্রীর একান্ত সচিব অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অটোপাসের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এমনকি পরীক্ষা কেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলেও, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে দায় নিতে হবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। সভায় শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। অটোপাসের সুযোগ দেওয়া হবে না। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার যে প্রবণতা, তা বন্ধ করে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর শিক্ষকদের জোর দিতে হবে।
পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে তিনি কিছু পদক্ষেপ তুলে ধরেন। সেগুলো হলো– কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের নিবিড়ভাবে ‘বডি সার্চ’ করতে হবে; ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে বিশেষ আইন প্রণয়ন; সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন-সংক্রান্ত কোনো গুজব বা কন্টেন্ট ছড়ালে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা হালনাগাদ করে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেন, যেসব জেলায় বর্তমানে ‘জিলা স্কুল’ নেই, সেখানে নতুন করে জিলা স্কুল করা হবে। এই স্কুলগুলো হবে উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে, যেখানে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের ব্যবস্থা থাকবে। এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
একই দিন বিকেলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক সভায় মন্ত্রী পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক, মানসিক স্বাস্থ্য এবং শিল্পকলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে এবং এসব বিষয়ে ওপর নিয়মিত মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘উচ্চমানের বিশেষজ্ঞ দিয়ে কারিকুলাম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন করা হবে। এক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দলমত বিবেচনা করা হবে না বরং শিক্ষার্থীদের কল্যাণের বিষয় প্রাধান্য পাবে।’
এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাহবুবুল হক পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে সভায় মন্ত্রীর একান্ত সচিব অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো– পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
৩ দিন আগে
নিয়োগের ২৩ দিনের মাথায় জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে পরিবর্তন এনেছে সরকার। শনিবার (৬ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়াকে অব্যাহতির খবর জানানো হয়।
৫ দিন আগে
চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পোশাক ও জুতা বিতরণ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানান।
৭ দিন আগে
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য (পূর্ণকালীন) অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে নতুন নিয়োগ দিয়েছে সরকার। প্রতিষ্ঠানের নতুন সদস্য নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।
১৯ দিন আগে