নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন
স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সরকার পতনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেশটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চাপ দিচ্ছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি এই সামরিক অভিযানকে মধ্যপ্রাচ্য পুনর্গঠনের ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ব্রিফ করা একাধিক সূত্র মতে, গত সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে কয়েক দফা ফোনালাপে যুবরাজ সালমান জানিয়েছেন, ইরানের কট্টরপন্থী সরকারের পতন নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই সামরিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি, যা কেবল তাদের সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমেই নির্মূল করা সম্ভব।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পকে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো দখলের জন্য দেশটিতে মার্কিন সেনা পাঠানোর বিষয় বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন যুবরাজ। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্পও ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে সামরিক অভিযান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।
যদিও সৌদি আরবের সরকারি ভাষ্য এই দাবির একেবারে বিপরীত। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সৌদি সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সৌদি আরব সবসময়ই এই সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে, এমনকি যুদ্ধ শুরুর আগেও আমাদের এই অবস্থান ছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে এবং আমাদের প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত রয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বর্তমানে আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো আমাদের জনগণ ও বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর দৈনন্দিন হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ইরান কূটনৈতিক সমাধানের বদলে ধ্বংসাত্মক পথ বেছে নিয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে ইরানের নিজেরই।’
এদিকে, এই যুদ্ধের প্রভাব সৌদি অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর মারাত্মকভাবে পড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান যেসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে, তা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে রিয়াদ। এসব হামলায় ইতিমধ্যে সৌদির একটি তেল শোধনাগার ও মার্কিন দূতাবাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকাশে ধ্বংস করা প্রজেক্টাইলের (ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন) ধ্বংসাবশেষ পড়ে সৌদি আরবে কর্মরত দুই বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও বেশ কিছু বিদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় এই অঞ্চলের জ্বালানি শিল্প চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সৌদি আরবের যুবরাজ ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটিকে বৈশ্বিক বাণিজ্য কেন্দ্রে পরিণত করার যে রূপকল্প (ভিশন ২০৩০) হাতে নিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ সেই লক্ষ্যমাত্রাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলেছে। কারণ, এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি সুরক্ষিত ও স্থিতিশীল পরিবেশ অপরিহার্য।
এ প্রসঙ্গে গত সপ্তাহে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগে যে সামান্য বিশ্বাসটুকু ছিল, তা এখন পুরোপুরি ভেঙে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই হামলাগুলো বন্ধ করতে আমরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিকসহ আমাদের হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করব। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো সৌদি আরব ও প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানের এই হামলা বন্ধ করা।’

ইরানের সরকার পতনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেশটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চাপ দিচ্ছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি এই সামরিক অভিযানকে মধ্যপ্রাচ্য পুনর্গঠনের ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ব্রিফ করা একাধিক সূত্র মতে, গত সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে কয়েক দফা ফোনালাপে যুবরাজ সালমান জানিয়েছেন, ইরানের কট্টরপন্থী সরকারের পতন নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই সামরিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি, যা কেবল তাদের সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমেই নির্মূল করা সম্ভব।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পকে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো দখলের জন্য দেশটিতে মার্কিন সেনা পাঠানোর বিষয় বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন যুবরাজ। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্পও ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে সামরিক অভিযান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।
যদিও সৌদি আরবের সরকারি ভাষ্য এই দাবির একেবারে বিপরীত। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সৌদি সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সৌদি আরব সবসময়ই এই সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে, এমনকি যুদ্ধ শুরুর আগেও আমাদের এই অবস্থান ছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে এবং আমাদের প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত রয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বর্তমানে আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো আমাদের জনগণ ও বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর দৈনন্দিন হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা। ইরান কূটনৈতিক সমাধানের বদলে ধ্বংসাত্মক পথ বেছে নিয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে ইরানের নিজেরই।’
এদিকে, এই যুদ্ধের প্রভাব সৌদি অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর মারাত্মকভাবে পড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান যেসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে, তা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে রিয়াদ। এসব হামলায় ইতিমধ্যে সৌদির একটি তেল শোধনাগার ও মার্কিন দূতাবাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকাশে ধ্বংস করা প্রজেক্টাইলের (ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন) ধ্বংসাবশেষ পড়ে সৌদি আরবে কর্মরত দুই বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও বেশ কিছু বিদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় এই অঞ্চলের জ্বালানি শিল্প চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সৌদি আরবের যুবরাজ ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটিকে বৈশ্বিক বাণিজ্য কেন্দ্রে পরিণত করার যে রূপকল্প (ভিশন ২০৩০) হাতে নিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ সেই লক্ষ্যমাত্রাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলেছে। কারণ, এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি সুরক্ষিত ও স্থিতিশীল পরিবেশ অপরিহার্য।
এ প্রসঙ্গে গত সপ্তাহে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগে যে সামান্য বিশ্বাসটুকু ছিল, তা এখন পুরোপুরি ভেঙে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই হামলাগুলো বন্ধ করতে আমরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিকসহ আমাদের হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করব। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো সৌদি আরব ও প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানের এই হামলা বন্ধ করা।’

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের আলোচনার ভঙ্গি নাটকীয়ভাবে কঠোর হয়েছে। এর পেছনে কারণ হলো ইরানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ইসলামী বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রভাব বাড়ছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার শুরুর পর এই প্রথমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সেনাবাহিনীর হয়ে কাজ করা এক ঠিকাদার নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর আরও পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। এই ঘটনার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে দেশটি।
২ ঘণ্টা আগে
এরই মধ্যে ইরানের দুটি গ্যাস স্থাপনা ও একটি পাইপলাইন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। ইসরায়েলের বৃহত্তম শহর তেল আবিব, হাইফা ও দিমোনাসহ বেশ কয়েকটি শহরকে লক্ষ করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
৭ ঘণ্টা আগে