স্ট্রিম ডেস্ক

গাজার বেসামরিক শাসন ও প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়েছে হামাস।
সোমবার (৬ জুলাই) হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘হামাস আর গাজা উপত্যকার দায়িত্বে থাকবে না। দখলদারদের আগ্রাসন এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সব ধরনের অজুহাত বন্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা “ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার” (এনসিএজি) আগমন প্রত্যাশা করছি এবং এর সাফল্য নিশ্চিতে প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তরে হামাস সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
আল জাজিরার সংবাদদাতা হানি মাহমুদ গাজা সিটি থেকে জানিয়েছেন, হামাসের এই সিদ্ধান্ত চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বড় ধরনের ছাড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে হামাস তাদের সামরিক বা রাজনৈতিক ভূমিকা ত্যাগ করছে, বরং সরাসরি বেসামরিক প্রশাসন পরিচালনা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে।
এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে এনসিএজির প্রধান আলী শাথ সামাজিক মাধ্যমে লিখেন, ‘প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সক্ষমতা তৈরি হওয়া মাত্রই আমাদের কমিটি দায়িত্ব নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত।’
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় গঠিত ‘বোর্ড অব পিস ফর গাজার’ উচ্চ প্রতিনিধি নিকোলে ম্লাদেনভ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সমঝোতা চূড়ান্ত হলে এই টেকনোক্র্যাট কমিটি গাজার দায়িত্ব বুঝে নেবে।
গত বছরের অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকেই হামাস বেসামরিক শাসন থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছিল। তবে তাদের নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত রয়েছে।
এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে বন্দি আদান-প্রদান সম্পন্ন হলেও দ্বিতীয় ধাপের প্রক্রিয়া গত কয়েক মাস ধরে স্থবির হয়ে আছে। এই ধাপে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা ছিল। ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রতিবেদনে এই স্থবিরতার জন্য হামাসকে দায়ী করা হলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন।
যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে তারা উপত্যকার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি বাহিনী এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৭২ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা এবং ৩ হাজার ৪৬৩ জনকে আহত করেছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৯৮ জনে এবং আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭১ জন।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

গাজার বেসামরিক শাসন ও প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়েছে হামাস।
সোমবার (৬ জুলাই) হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘হামাস আর গাজা উপত্যকার দায়িত্বে থাকবে না। দখলদারদের আগ্রাসন এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সব ধরনের অজুহাত বন্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা “ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার” (এনসিএজি) আগমন প্রত্যাশা করছি এবং এর সাফল্য নিশ্চিতে প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তরে হামাস সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
আল জাজিরার সংবাদদাতা হানি মাহমুদ গাজা সিটি থেকে জানিয়েছেন, হামাসের এই সিদ্ধান্ত চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বড় ধরনের ছাড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে হামাস তাদের সামরিক বা রাজনৈতিক ভূমিকা ত্যাগ করছে, বরং সরাসরি বেসামরিক প্রশাসন পরিচালনা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে।
এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে এনসিএজির প্রধান আলী শাথ সামাজিক মাধ্যমে লিখেন, ‘প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সক্ষমতা তৈরি হওয়া মাত্রই আমাদের কমিটি দায়িত্ব নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত।’
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় গঠিত ‘বোর্ড অব পিস ফর গাজার’ উচ্চ প্রতিনিধি নিকোলে ম্লাদেনভ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সমঝোতা চূড়ান্ত হলে এই টেকনোক্র্যাট কমিটি গাজার দায়িত্ব বুঝে নেবে।
গত বছরের অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকেই হামাস বেসামরিক শাসন থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছিল। তবে তাদের নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত রয়েছে।
এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে বন্দি আদান-প্রদান সম্পন্ন হলেও দ্বিতীয় ধাপের প্রক্রিয়া গত কয়েক মাস ধরে স্থবির হয়ে আছে। এই ধাপে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা ছিল। ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রতিবেদনে এই স্থবিরতার জন্য হামাসকে দায়ী করা হলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন।
যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে তারা উপত্যকার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি বাহিনী এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৭২ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা এবং ৩ হাজার ৪৬৩ জনকে আহত করেছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৯৮ জনে এবং আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭১ জন।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
.png)

শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে দুই মাদক চক্রের দাঙ্গায় চার রক্ষীসহ অন্তত ২৩ জন নিহত এবং একশরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রোববার (৬ জুলাই) দেশটির রাজধানী কলম্বোর উত্তরের নেগোম্বো শহরে এই ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজার শোকযাত্রা চলাকালে আবারও দেশটির নেতৃত্বকে হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি বলেছেন, ইসরায়েল ধ্বংসের পরিকল্পনা করলে ইরানের যেকোনো নেতাকেই ‘নির্মূল’ করা হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির শোকযাত্রায় তেহরানে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। শোভাযাত্রায় প্রতিশোধের স্লোগানসংবলিত ব্যানার ও লাল পতাকা দেখা গেছে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁর মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কোমে।
১০ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার দ্বৈত ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩৪২ জনে পৌঁছেছে। ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে জনরোষের মধ্যেও অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ সামাজিক অস্থিরতার আশঙ্কা নাকচ করেছেন। এদিকে মরদেহ শনাক্ত ও দাফনে সংকট তীব্র হওয়ায় গণকবর তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে