স্ট্রিম ডেস্ক

ইরান যুদ্ধে কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসের কাছে অনুরোধ করেছে পেন্টাগন। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিশাল অর্থ চাহিদার অনুরোধ দেশটির সংঘাতের বিরোধী আইনপ্রণেতাদের প্রতিরোধের মুখে পড়বে।
ট্রাম্প প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাতে এই খবর দিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। যুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদনের এ বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় ওয়াশিংটনের পোস্টের সঙ্গে কথা বলা সংশ্লিষ্ট কেউই নাম প্রকাশ করতে চাননি।
পেন্টাগনের এ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত এমন অন্তত তিনজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত যে ব্যয় হয়েছে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ চাওয়া হয়েছে। গত তিন সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের হাজার হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, এ হামলা চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রসম্ভার ব্যয় হয়েছে তা জরুরিভিত্তিতে মেটানোই পেন্টাগনের অনুরোধের মূল উদ্দেশ্য।
হোয়াইট হাউস শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসে কত অর্থ অনুমোদনের অনুরোধ করবে তা এখনও অস্পষ্ট। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মকর্তা মনে করেন পেন্টাগনের এ অনুরোধ কংগ্রেসে অনুমোদন পাওয়ার বাস্তব কোনো সম্ভাবনাই নেই।
ওই কর্মকর্তা এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরও তিনজনের মতে, গত দুই সপ্তাহে এমন বেশ কয়েকটি পৃথক অর্থায়ন প্রস্তাবের অনুরোধ করেছে পেন্টাগন।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, অর্থায়নের এ অনুরোধ কংগ্রেসে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিতর্কের সূচনা করবে। কারণ ইরান যুদ্ধে জনসমর্থন এখনও দুর্বল এবং ডেমোক্র্যাটরা এ যুদ্ধের তীব্র সমালোচনা করছেন। রিপাবলিকানরা আসন্ন অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দের অনুরোধে সমর্থন জানালেও তা অনুমোদনে আইনি কোনো কৌশল নির্ধারণ করেননি। কিংবা সিনেটের ৬০ ভোটের সীমা অতিক্রমের স্পষ্ট পথ খুঁজে পাননি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা করেছিলেন। আর ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল পরিমাণ অর্থ খরচ নিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে বারবার আক্রমণ করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অপারেশন আটলান্টিক রিজলভের বিশেষ মহাপরিদর্শকের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর পর্যন্ত কংগ্রেস ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য প্রায় ১৮৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় অনুমোদন করেছিল।
এই ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। আর হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
একাধিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। প্রথম সপ্তাহেই ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত মাসের শেষে যুদ্ধ শুরুর পরপরই ট্রাম্প প্রশাসন ব্যয় মেটাতে অতিরিক্ত অর্থায়নের অনুরোধ প্রস্তুত করতে শুরু করে।
পেন্টাগনের পক্ষে অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার এ প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিয়েছেন ডেপুটি ডিফেন্স সেক্রেটারি স্টিভেন ফেইনবার্গ। তিনি গত এক বছর ধরে দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প এবং অস্ত্র উৎপাদন বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিয়েছিলেন। ইরান যুদ্ধে ওই অস্ত্রসম্ভার দ্রুত শেষ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট অন্তত দুইজন জানিয়েছেন।
একজনের মতে, ফেইনবার্গের দপ্তর পেন্টাগনের অস্ত্র স্বল্পতা দ্রুত সমাধান করতে এবং অস্ত্র উৎপাদনের ধীর গতিকে গতিশীল করতে বেশ কয়েকটি প্যাকেজ তৈরি করেছে।
ইরান যুদ্ধের আগেই ট্রাম্প ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটের দাবি করেছিলেন। এই বাজেট আগের বছরের তুলনায় ৫০ শতাংশেরও বেশি। এখন অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দের এ অনুরোধ মোট বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট। হোয়াইট হাউসের ম্যানেজমেন্ট ও বাজেট অফিস অবশ্য অভ্যন্তরীণ আলোচনায় এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেন্টাগনের এ অর্থায়ন অনুরোধ নিয়ে কংগ্রেসের আসন্ন বিবাদে যুদ্ধের জনপ্রিয়তা কতটুকু তা পরিষ্কার হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সমালোচকরা চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার বিরোধিতার সংকেত হিসেবে এই পদক্ষেপ নাকচের চেষ্টা করবেন।
ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক ট্যাংক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মার্ক ক্যান্সিয়ান বলেন, সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে আমরা যুদ্ধের ব্যয়ের কিছু অনুমান করেছি। কিন্তু এতে ব্যাপক অনিশ্চয়তা রয়েছে এবং কংগ্রেস জানতে চায় বিলটা কত। প্রশাসন আরও অর্থ চাইলে বড় রাজনৈতিক লড়াই হবে, কারণ যুদ্ধবিরোধী সব মনোভাব সেই চাওয়ার ওপর চড়াও হবে।
পেন্টাগনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত নিয়ন্ত্রক এবং বর্তমানে আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটে প্রতিরক্ষা বাজেট বিশ্লেষক ইলেইন ম্যাককাস্কার বলেন, শিল্প খাতে প্রচুর অর্থ ঢাললেই দ্রুত পণ্য পাওয়া যায় না। আর অর্থ না দিলে নিশ্চিতভাবেই দ্রুত পাবেন না।

ইরান যুদ্ধে কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসের কাছে অনুরোধ করেছে পেন্টাগন। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিশাল অর্থ চাহিদার অনুরোধ দেশটির সংঘাতের বিরোধী আইনপ্রণেতাদের প্রতিরোধের মুখে পড়বে।
ট্রাম্প প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাতে এই খবর দিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। যুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদনের এ বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় ওয়াশিংটনের পোস্টের সঙ্গে কথা বলা সংশ্লিষ্ট কেউই নাম প্রকাশ করতে চাননি।
পেন্টাগনের এ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত এমন অন্তত তিনজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত যে ব্যয় হয়েছে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ চাওয়া হয়েছে। গত তিন সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের হাজার হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, এ হামলা চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রসম্ভার ব্যয় হয়েছে তা জরুরিভিত্তিতে মেটানোই পেন্টাগনের অনুরোধের মূল উদ্দেশ্য।
হোয়াইট হাউস শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসে কত অর্থ অনুমোদনের অনুরোধ করবে তা এখনও অস্পষ্ট। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মকর্তা মনে করেন পেন্টাগনের এ অনুরোধ কংগ্রেসে অনুমোদন পাওয়ার বাস্তব কোনো সম্ভাবনাই নেই।
ওই কর্মকর্তা এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরও তিনজনের মতে, গত দুই সপ্তাহে এমন বেশ কয়েকটি পৃথক অর্থায়ন প্রস্তাবের অনুরোধ করেছে পেন্টাগন।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, অর্থায়নের এ অনুরোধ কংগ্রেসে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিতর্কের সূচনা করবে। কারণ ইরান যুদ্ধে জনসমর্থন এখনও দুর্বল এবং ডেমোক্র্যাটরা এ যুদ্ধের তীব্র সমালোচনা করছেন। রিপাবলিকানরা আসন্ন অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দের অনুরোধে সমর্থন জানালেও তা অনুমোদনে আইনি কোনো কৌশল নির্ধারণ করেননি। কিংবা সিনেটের ৬০ ভোটের সীমা অতিক্রমের স্পষ্ট পথ খুঁজে পাননি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা করেছিলেন। আর ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল পরিমাণ অর্থ খরচ নিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে বারবার আক্রমণ করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অপারেশন আটলান্টিক রিজলভের বিশেষ মহাপরিদর্শকের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর পর্যন্ত কংগ্রেস ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য প্রায় ১৮৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় অনুমোদন করেছিল।
এই ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। আর হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
একাধিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। প্রথম সপ্তাহেই ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত মাসের শেষে যুদ্ধ শুরুর পরপরই ট্রাম্প প্রশাসন ব্যয় মেটাতে অতিরিক্ত অর্থায়নের অনুরোধ প্রস্তুত করতে শুরু করে।
পেন্টাগনের পক্ষে অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার এ প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিয়েছেন ডেপুটি ডিফেন্স সেক্রেটারি স্টিভেন ফেইনবার্গ। তিনি গত এক বছর ধরে দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প এবং অস্ত্র উৎপাদন বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিয়েছিলেন। ইরান যুদ্ধে ওই অস্ত্রসম্ভার দ্রুত শেষ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট অন্তত দুইজন জানিয়েছেন।
একজনের মতে, ফেইনবার্গের দপ্তর পেন্টাগনের অস্ত্র স্বল্পতা দ্রুত সমাধান করতে এবং অস্ত্র উৎপাদনের ধীর গতিকে গতিশীল করতে বেশ কয়েকটি প্যাকেজ তৈরি করেছে।
ইরান যুদ্ধের আগেই ট্রাম্প ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটের দাবি করেছিলেন। এই বাজেট আগের বছরের তুলনায় ৫০ শতাংশেরও বেশি। এখন অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দের এ অনুরোধ মোট বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট। হোয়াইট হাউসের ম্যানেজমেন্ট ও বাজেট অফিস অবশ্য অভ্যন্তরীণ আলোচনায় এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেন্টাগনের এ অর্থায়ন অনুরোধ নিয়ে কংগ্রেসের আসন্ন বিবাদে যুদ্ধের জনপ্রিয়তা কতটুকু তা পরিষ্কার হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সমালোচকরা চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার বিরোধিতার সংকেত হিসেবে এই পদক্ষেপ নাকচের চেষ্টা করবেন।
ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক ট্যাংক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মার্ক ক্যান্সিয়ান বলেন, সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে আমরা যুদ্ধের ব্যয়ের কিছু অনুমান করেছি। কিন্তু এতে ব্যাপক অনিশ্চয়তা রয়েছে এবং কংগ্রেস জানতে চায় বিলটা কত। প্রশাসন আরও অর্থ চাইলে বড় রাজনৈতিক লড়াই হবে, কারণ যুদ্ধবিরোধী সব মনোভাব সেই চাওয়ার ওপর চড়াও হবে।
পেন্টাগনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত নিয়ন্ত্রক এবং বর্তমানে আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটে প্রতিরক্ষা বাজেট বিশ্লেষক ইলেইন ম্যাককাস্কার বলেন, শিল্প খাতে প্রচুর অর্থ ঢাললেই দ্রুত পণ্য পাওয়া যায় না। আর অর্থ না দিলে নিশ্চিতভাবেই দ্রুত পাবেন না।

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়ায় দোহাস্থ তেহরান দূতাবাসের সামরিক অ্যাটাশে ও নিরাপত্তা অ্যাটাশেসহ কয়েকজন ইরানি কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে কাতার। তাঁদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাতার ছাড়তে বলা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবে আজ ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটির মুসলিমরা এবার ৩০ দিন রোজা রাখবেন। অর্থাৎ, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের গোয়েন্দা-বিষয়ক মন্ত্রী ঈসমাইল খতিবের হত্যা খবর নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
১৫ ঘণ্টা আগে
আলী লারিজানি ছিলেন একাধারে রাজনীতিক, নিরাপত্তা প্রধান ও দার্শনিক। তাঁকে বলা হতো ইরানের রেনেসাঁ মানব বা নবজাগরণের মানুষ।
১৫ ঘণ্টা আগে