স্ট্রিম ডেস্ক

চলমান যুদ্ধে বিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য। নাগরিকরা নিত্য কাজ দূরে থাক, ভুলতে বসেছে স্বস্তির ঘুমও। এর মধ্যেই এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য ভয়াবহ বিপদ ধেয়ে আসছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এবিসির খবরে বলা হয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব ইসরায়েল থেকে কাতার হয়ে ইরান পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঝড় হয় মাঝেমধ্যে। তবে এবারের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা, ধূলিঝড় এমনকি টর্নেডো পর্যন্ত হতে পারে। আর এটি বুধবার লেবানন ও ইসরায়েলে বৃষ্টি ও বজ্রঝড় দিয়ে শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকে ঝড়টি আরও প্রবল রূপ নিয়ে সিরিয়া হয়ে দক্ষিণে আরব উপদ্বীপের দিকে বিস্তৃত হবে।
বৃহস্পতিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত ঝড়ের মূল প্রভাব দেখা যাবে সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরানে। এ সময় তীব্র বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি, ঘণ্টায় ৬০ মাইলের বেশি গতির দমকা হাওয়া এবং টর্নেডোর ঝুঁকি থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

ইরানের কিছু পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাতও হতে পারে। ঝড়টি শনিবার নাগাদ এসব অঞ্চল অতিক্রম করতে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দুবাইয়ে বছরে গড়ে মাত্র ৩ দশমিক ১২ ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হয়। তবে এই ঝড়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু এলাকায় এক ইঞ্চির বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা বয়ে আনবে আকস্মিক বন্যা। বিশেষ করে দুবাই ও আবুধাবির মতো শহরে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। প্রতিরোধের অংশ হিসেবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনা এবং ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে আসছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।

চলমান যুদ্ধে বিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য। নাগরিকরা নিত্য কাজ দূরে থাক, ভুলতে বসেছে স্বস্তির ঘুমও। এর মধ্যেই এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য ভয়াবহ বিপদ ধেয়ে আসছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এবিসির খবরে বলা হয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব ইসরায়েল থেকে কাতার হয়ে ইরান পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঝড় হয় মাঝেমধ্যে। তবে এবারের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা, ধূলিঝড় এমনকি টর্নেডো পর্যন্ত হতে পারে। আর এটি বুধবার লেবানন ও ইসরায়েলে বৃষ্টি ও বজ্রঝড় দিয়ে শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকে ঝড়টি আরও প্রবল রূপ নিয়ে সিরিয়া হয়ে দক্ষিণে আরব উপদ্বীপের দিকে বিস্তৃত হবে।
বৃহস্পতিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত ঝড়ের মূল প্রভাব দেখা যাবে সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরানে। এ সময় তীব্র বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি, ঘণ্টায় ৬০ মাইলের বেশি গতির দমকা হাওয়া এবং টর্নেডোর ঝুঁকি থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

ইরানের কিছু পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাতও হতে পারে। ঝড়টি শনিবার নাগাদ এসব অঞ্চল অতিক্রম করতে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দুবাইয়ে বছরে গড়ে মাত্র ৩ দশমিক ১২ ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হয়। তবে এই ঝড়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু এলাকায় এক ইঞ্চির বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা বয়ে আনবে আকস্মিক বন্যা। বিশেষ করে দুবাই ও আবুধাবির মতো শহরে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। প্রতিরোধের অংশ হিসেবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনা এবং ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে আসছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৩ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৪ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৪ ঘণ্টা আগে