স্ট্রিম ডেস্ক

নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিচ্ছেন দলের নেতাকর্মী। আবার কোথাও ভাঙা হচ্ছে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়। রাজ্যজুড়ে সহিংসতায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন।
জগতবল্লভপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে বিজেপিকর্মীরা আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ দলটির এমপি কল্যাণ ব্যানার্জি। বুধবার (৬ মে) এক্স হ্যান্ডেলে তিনি এই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করেছেন।
কল্যাণ ব্যানার্জি লেখেন, জগতবল্লভপুরে টিএমসি পার্টি অফিসে বিজেপির দুষ্কৃতীরা আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এটি উদ্বেগজনক। এখন এসব বাংলার মানুষকে সহ্য করতে বাধ্য করা হচ্ছে। আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসটি বিজেপি দুষ্কৃতীরা জোর করে দখল করেছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই বাংলাজুড়ে এমন ঘটনা সামনে আসছে। এটি বর্তমান পরিস্থিতির এক উদ্বেগজনক প্রতিফলন। ভালোই হয়েছে।
কলকাতার টালিগঞ্জ, কসবা, বেলেঘাটা এবং বিজয়গড়-নেতাজিনগর এলাকায় তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর-আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বীরভূমের নানুরে তৃণমূলের কর্মী আবির শেখকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তিনি বীরভূম জেলার নানুর সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা তাঁকে রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় আবিরের সঙ্গে থাকা চাঁদু শেখ আহত হয়েছেন। এছাড়া হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরে সোমবার রাতে বিজেপির সমর্থক যাদব বরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উদয়নারায়ণপুরের দেবীপুর গ্রামে।
গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন সহিংসতার শুরু হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করছে।
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক উত্তরবঙ্গবিষয়ক উন্নয়নমন্ত্রী এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের নিজের ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে বিজেপির কর্মীরা। উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক কার্যালয় দখল করে গেরুয়া রঙ দেওয়া হয়েছে।
বিজেপির বিরুদ্ধে টিএমসির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মমতা ব্যানার্জি বলেন, আমরা যখন জিতেছিলাম, আমি বলেছিলাম কারও ওপর যেন অত্যাচার না হয়। আমরা একটাও পার্টি অফিসে হাত দিইনি। অত্যাচার করিনি। আমি রবীন্দ্র সংগীত এবং নজরুল গীতি গাইতে দিয়েছিলাম। আর বিজেপি ভোটে জয়ের পর থেকেই অত্যাচার শুরু করেছে।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সহিংসতার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কেউ বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করলে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। প্রশাসনকে বলব– এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সচিবালয় নবান্নতে মঙ্গলবার ‘জয় শ্রী রাম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। নবান্নে কর্মরত সরকারি কর্মীরাই এ স্লোগান দেন। পাশাপাশি তারা আবির খেলায় মেতে ওঠেন।
অন্যদিকে, কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়ির দিকে যাওয়ার গলির মুখে যে সিজার ব্যারিকেড ও হাই সিকিউরিটির রিমোট কন্ট্রোল ব্যারিকেড ছিল, তা মঙ্গলবার দুপুরের দিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি তাঁর ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জির ক্যামাক স্ট্রিটের দপ্তরের সামনে থেকেও পুলিশি পাহারা উঠে যায়। মমতার বাড়ির এলাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য পুলিশি অনুমতির প্রথাও রদ করা হয়।
বিখ্যাত সিরাজ উদ্যান নাম বদলে হয়ে গেল ‘শিবাজি উদ্যান’
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় নাম পরিবর্তন ও দখল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজ্যটির বারাসতে বাংলার শেষ নবাব সিরাজদৌল্লার স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক সিরাজ উদ্যানের নাম বদলে ‘শিবাজি উদ্যান’ করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘মসজিদবাড়ি রোড’-এর নামও পাল্টে দেওয়া হয়েছে।

কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এই সময় বলেছে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বারাসতের বিখ্যাত সিরাজ উদ্যানের নাম বদলে দিয়েছেন দলের কিছু কর্মী-সমর্থক। মঙ্গলবার (৫ মে) তারা পার্কটির নেমপ্লেট সরিয়ে নতুন করে নাম দেন ‘শিবাজি উদ্যান’।
বারাসত শহরের ভেতর দিয়ে যাওয়া ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে কাঠগোলা এলাকায় একটি তোরণ তৈরি করেছিল বারাসত পৌরসভা। এলাকাটিতে একটি ধর্মীয় স্থান থাকায় তোরণটির নাম রাখা হয়েছিল ‘মসজিদবাড়ি রোড’। মঙ্গলবার সেটিরও নাম পরিবর্তন করে ‘নেতাজিপল্লি রোড’ লেখা হয়।
তৃণমূল পরিচালিত বারাসত পৌরসভা ২০২২ সালে চাঁপাডালি মোড়ের কাছে তিতুমীর বাস টার্মিনালের পাশে একটি পার্ক নির্মাণ করেছিল। সে সময় পার্কটির নাম রাখা হয় ‘সিরাজ উদ্যান’। সেখানে শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইড ছাড়াও রয়েছে একটি ছোট জলাশয় এবং বোটিংয়ের ব্যবস্থা।
স্থানীয়ভাবে প্রচলিত, বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় যাওয়ার পথে বারাসতের ওই জলাশয়ের কাছে থেমেছিলেন এবং সেখানে তার ঘোড়া পানি পান করেছিল। ইতিহাসের সেই সূত্র ধরেই পার্কটির নাম রাখা হয়েছিল ‘সিরাজ উদ্যান’।
পার্কের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে বারাসত পৌরসভার চেয়ারম্যান সুনীল মুখোপাধ্যায় বলেন, কয়েকজন বিজেপিকর্মী গিয়ে উদ্যানটির নাম বদলে দিয়েছেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে বিষয়টি বোর্ড মিটিংয়ে তোলা হবে। পরে বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজেপি নেতা তাপস মিত্র বলেন, দলের পক্ষ থেকে এমন কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে কেউ কেউ এটি করেছে, এর দায় দলের নয়।
বাগদার হেলেঞ্চার বি আর আম্বেদকর শতবার্ষিকী কলেজে অখিল ভারত বিদ্যার্থী পরিষদের কর্মীরা ছাত্র সংসদের অফিসে গঙ্গাজল ছিটিয়ে সেখানে গেরুয়া পতাকা টানিয়ে দেন। অখিল ভারত বিদ্যার্থী পরিষদ মূলত ভারতের কট্টর উগ্রপন্থি সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) আদর্শে অনুপ্রাণিত।
গদার রণঘাট গ্রাম পঞ্চায়েত ও ডহরপোতা সমবায় সমিতিতে তালা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত ভবনের সামনে কালি দিয়ে বিজেপির নাম লিখে পদ্মফুল আঁকা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বাগদা থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। পরে পুলিশের মধ্যস্থতায় প্রায় আধ ঘণ্টা পর তালা খুলে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি দিবাকর তরফদার বলেন, তারা এ ধরনের সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী নন। গণতান্ত্রিক দেশে এমন কাজ গ্রহণযোগ্য নয়। যারা করেছে তারা ভুল করেছে এবং দলের পক্ষ থেকে এমন কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
গত সোমবার (৪ মে) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ফল ঘোষণা করা হয়। এতে বিজেপি ২০৭ আসনে জয়ী হয়। বিপরীতে তৃণমূল জয় পেয়েছে ৮০ আসনে। কংগ্রেস দুটি ও বামরা এক আসনে জয়ী হয়েছে।

নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিচ্ছেন দলের নেতাকর্মী। আবার কোথাও ভাঙা হচ্ছে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়। রাজ্যজুড়ে সহিংসতায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন।
জগতবল্লভপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে বিজেপিকর্মীরা আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ দলটির এমপি কল্যাণ ব্যানার্জি। বুধবার (৬ মে) এক্স হ্যান্ডেলে তিনি এই ঘটনার ভিডিও শেয়ার করেছেন।
কল্যাণ ব্যানার্জি লেখেন, জগতবল্লভপুরে টিএমসি পার্টি অফিসে বিজেপির দুষ্কৃতীরা আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এটি উদ্বেগজনক। এখন এসব বাংলার মানুষকে সহ্য করতে বাধ্য করা হচ্ছে। আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসটি বিজেপি দুষ্কৃতীরা জোর করে দখল করেছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই বাংলাজুড়ে এমন ঘটনা সামনে আসছে। এটি বর্তমান পরিস্থিতির এক উদ্বেগজনক প্রতিফলন। ভালোই হয়েছে।
কলকাতার টালিগঞ্জ, কসবা, বেলেঘাটা এবং বিজয়গড়-নেতাজিনগর এলাকায় তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর-আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বীরভূমের নানুরে তৃণমূলের কর্মী আবির শেখকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তিনি বীরভূম জেলার নানুর সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা তাঁকে রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় আবিরের সঙ্গে থাকা চাঁদু শেখ আহত হয়েছেন। এছাড়া হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরে সোমবার রাতে বিজেপির সমর্থক যাদব বরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উদয়নারায়ণপুরের দেবীপুর গ্রামে।
গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন সহিংসতার শুরু হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করছে।
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক উত্তরবঙ্গবিষয়ক উন্নয়নমন্ত্রী এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের নিজের ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে বিজেপির কর্মীরা। উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক কার্যালয় দখল করে গেরুয়া রঙ দেওয়া হয়েছে।
বিজেপির বিরুদ্ধে টিএমসির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মমতা ব্যানার্জি বলেন, আমরা যখন জিতেছিলাম, আমি বলেছিলাম কারও ওপর যেন অত্যাচার না হয়। আমরা একটাও পার্টি অফিসে হাত দিইনি। অত্যাচার করিনি। আমি রবীন্দ্র সংগীত এবং নজরুল গীতি গাইতে দিয়েছিলাম। আর বিজেপি ভোটে জয়ের পর থেকেই অত্যাচার শুরু করেছে।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সহিংসতার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কেউ বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করলে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। প্রশাসনকে বলব– এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সচিবালয় নবান্নতে মঙ্গলবার ‘জয় শ্রী রাম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। নবান্নে কর্মরত সরকারি কর্মীরাই এ স্লোগান দেন। পাশাপাশি তারা আবির খেলায় মেতে ওঠেন।
অন্যদিকে, কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়ির দিকে যাওয়ার গলির মুখে যে সিজার ব্যারিকেড ও হাই সিকিউরিটির রিমোট কন্ট্রোল ব্যারিকেড ছিল, তা মঙ্গলবার দুপুরের দিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি তাঁর ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জির ক্যামাক স্ট্রিটের দপ্তরের সামনে থেকেও পুলিশি পাহারা উঠে যায়। মমতার বাড়ির এলাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য পুলিশি অনুমতির প্রথাও রদ করা হয়।
বিখ্যাত সিরাজ উদ্যান নাম বদলে হয়ে গেল ‘শিবাজি উদ্যান’
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় নাম পরিবর্তন ও দখল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাজ্যটির বারাসতে বাংলার শেষ নবাব সিরাজদৌল্লার স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক সিরাজ উদ্যানের নাম বদলে ‘শিবাজি উদ্যান’ করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘মসজিদবাড়ি রোড’-এর নামও পাল্টে দেওয়া হয়েছে।

কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এই সময় বলেছে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বারাসতের বিখ্যাত সিরাজ উদ্যানের নাম বদলে দিয়েছেন দলের কিছু কর্মী-সমর্থক। মঙ্গলবার (৫ মে) তারা পার্কটির নেমপ্লেট সরিয়ে নতুন করে নাম দেন ‘শিবাজি উদ্যান’।
বারাসত শহরের ভেতর দিয়ে যাওয়া ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে কাঠগোলা এলাকায় একটি তোরণ তৈরি করেছিল বারাসত পৌরসভা। এলাকাটিতে একটি ধর্মীয় স্থান থাকায় তোরণটির নাম রাখা হয়েছিল ‘মসজিদবাড়ি রোড’। মঙ্গলবার সেটিরও নাম পরিবর্তন করে ‘নেতাজিপল্লি রোড’ লেখা হয়।
তৃণমূল পরিচালিত বারাসত পৌরসভা ২০২২ সালে চাঁপাডালি মোড়ের কাছে তিতুমীর বাস টার্মিনালের পাশে একটি পার্ক নির্মাণ করেছিল। সে সময় পার্কটির নাম রাখা হয় ‘সিরাজ উদ্যান’। সেখানে শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইড ছাড়াও রয়েছে একটি ছোট জলাশয় এবং বোটিংয়ের ব্যবস্থা।
স্থানীয়ভাবে প্রচলিত, বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় যাওয়ার পথে বারাসতের ওই জলাশয়ের কাছে থেমেছিলেন এবং সেখানে তার ঘোড়া পানি পান করেছিল। ইতিহাসের সেই সূত্র ধরেই পার্কটির নাম রাখা হয়েছিল ‘সিরাজ উদ্যান’।
পার্কের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে বারাসত পৌরসভার চেয়ারম্যান সুনীল মুখোপাধ্যায় বলেন, কয়েকজন বিজেপিকর্মী গিয়ে উদ্যানটির নাম বদলে দিয়েছেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে বিষয়টি বোর্ড মিটিংয়ে তোলা হবে। পরে বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজেপি নেতা তাপস মিত্র বলেন, দলের পক্ষ থেকে এমন কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে কেউ কেউ এটি করেছে, এর দায় দলের নয়।
বাগদার হেলেঞ্চার বি আর আম্বেদকর শতবার্ষিকী কলেজে অখিল ভারত বিদ্যার্থী পরিষদের কর্মীরা ছাত্র সংসদের অফিসে গঙ্গাজল ছিটিয়ে সেখানে গেরুয়া পতাকা টানিয়ে দেন। অখিল ভারত বিদ্যার্থী পরিষদ মূলত ভারতের কট্টর উগ্রপন্থি সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) আদর্শে অনুপ্রাণিত।
গদার রণঘাট গ্রাম পঞ্চায়েত ও ডহরপোতা সমবায় সমিতিতে তালা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত ভবনের সামনে কালি দিয়ে বিজেপির নাম লিখে পদ্মফুল আঁকা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বাগদা থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। পরে পুলিশের মধ্যস্থতায় প্রায় আধ ঘণ্টা পর তালা খুলে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি দিবাকর তরফদার বলেন, তারা এ ধরনের সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী নন। গণতান্ত্রিক দেশে এমন কাজ গ্রহণযোগ্য নয়। যারা করেছে তারা ভুল করেছে এবং দলের পক্ষ থেকে এমন কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
গত সোমবার (৪ মে) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ফল ঘোষণা করা হয়। এতে বিজেপি ২০৭ আসনে জয়ী হয়। বিপরীতে তৃণমূল জয় পেয়েছে ৮০ আসনে। কংগ্রেস দুটি ও বামরা এক আসনে জয়ী হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে সহায়তার সামরিক উদ্যোগ ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কূটনৈতিক দল নিয়ে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। এই সফরকে তেহরান ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। খবর আল জাজিরা
৫ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অভিযান চললেও ইরানে এখনো যুদ্ধবিরতি বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।
১৫ ঘণ্টা আগে
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল রাজ্যের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণকে পাল্টে দিয়েছে। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ২০৬টি আসনে জয় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ৮১ আসনে নেমে আসা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে