স্ট্রিম সংবাদদাতা

বান্দরবানে টানা তিন দিন বৃষ্টি হচ্ছে। ভারী বর্ষণে ধসের শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পাঁচ হাজার পরিবার। তবে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। আর আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবানে ১২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে জেলা আবহাওয়া অফিস। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের কারণে বান্দরবান-থানচি সড়কের কয়েকটি স্থানে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ধসে পড়া মাটি সরিয়ে যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে কাজ করেন। এছাড়া থানচির সঙ্গে তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নের এবং লামা-আলীকদমের কিছু সড়কে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। জেলা সদরের কয়েকটি এলাকাতেও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
থানচি–বান্দরবান সড়কের নীলগিরি এলাকায় পাহাড়ধসে পড়া পাথর অপসারণে সেনাবাহিনীর ১৭ ইসিবি কাজ করছে। বর্তমানে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে থানচি ইউএনও।

জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলার ৭ উপজেলায় ৫ হাজার ৭৫৬টি পরিবার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করছে। এসব পরিবারে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ রয়েছে। তবে বেসরকারি হিসেবে এর পরিমাণ কয়েকগুণ বেশি।
বান্দরবান পৌরসভার ইসলামপুর, লাঙ্গিপাড়া, হাফেজঘোনা, কালাঘাটা, বনরুপা পাড়া, সিদ্দিকনগর, ক্যাচিংঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশ পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। জেলা সদরের বাইরে রুমা, লামা, আলীকদম, থানচি, নাইক্ষ্যংছড়ি এবং রোয়াংছড়ি উপজেলাতে পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।
বান্দরবান পৌরসভার প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক স্ট্রিমকে বলে, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ শুধু জেলা প্রশাসন নিলে হবে না, জেলা পরিষদ ও পৌরসভা মিলে করতে হবে।
বৈরি আবহাওয়ায় থানচি উপজেলার তিন্দু, রেমাক্রী, নাফাখুম ও আমিয়াখুমসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় অন্তত ১০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে নৌযান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পর্যায়ক্রমে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছে থানচি উপজেলা প্রশাসন।
প্রশাসন জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে স্থানীয় রিসোর্ট মালিকদের মাধ্যমে পর্যটকদের বিনাখরচে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রেমাক্রী বাজারের বিভিন্ন রিসোর্টে গাইডসহ ৭৪ পর্যটক অবস্থান করছেন।
অন্যদিকে, আমিয়াখুম এলাকার ১৮ পর্যটককে গাইডের সহায়তায় হেঁটে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাইগং ঝর্ণায় আটকে পড়া ১০ পর্যটক থানচি উপজেলা সদরে পৌঁছেছেন।
তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য খ্যাইসাপ্রু মারমা ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এ্যান্ড্রিয় ত্রিপুরা ফোনে জানান, নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে থানচি সদরের সঙ্গে সব ধরনের নৌযোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল ফয়সাল জানিয়েছেন, আবহাওয়ার উন্নতি এবং ঝুঁকি কেটে গেলে পর্যটনকেন্দ্রগুলো পুনরায় ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস জানান, পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

বান্দরবানে টানা তিন দিন বৃষ্টি হচ্ছে। ভারী বর্ষণে ধসের শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পাঁচ হাজার পরিবার। তবে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। আর আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবানে ১২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে জেলা আবহাওয়া অফিস। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের কারণে বান্দরবান-থানচি সড়কের কয়েকটি স্থানে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ধসে পড়া মাটি সরিয়ে যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে কাজ করেন। এছাড়া থানচির সঙ্গে তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নের এবং লামা-আলীকদমের কিছু সড়কে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। জেলা সদরের কয়েকটি এলাকাতেও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
থানচি–বান্দরবান সড়কের নীলগিরি এলাকায় পাহাড়ধসে পড়া পাথর অপসারণে সেনাবাহিনীর ১৭ ইসিবি কাজ করছে। বর্তমানে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে থানচি ইউএনও।

জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলার ৭ উপজেলায় ৫ হাজার ৭৫৬টি পরিবার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করছে। এসব পরিবারে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ রয়েছে। তবে বেসরকারি হিসেবে এর পরিমাণ কয়েকগুণ বেশি।
বান্দরবান পৌরসভার ইসলামপুর, লাঙ্গিপাড়া, হাফেজঘোনা, কালাঘাটা, বনরুপা পাড়া, সিদ্দিকনগর, ক্যাচিংঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশ পরিবার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। জেলা সদরের বাইরে রুমা, লামা, আলীকদম, থানচি, নাইক্ষ্যংছড়ি এবং রোয়াংছড়ি উপজেলাতে পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।
বান্দরবান পৌরসভার প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক স্ট্রিমকে বলে, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ শুধু জেলা প্রশাসন নিলে হবে না, জেলা পরিষদ ও পৌরসভা মিলে করতে হবে।
বৈরি আবহাওয়ায় থানচি উপজেলার তিন্দু, রেমাক্রী, নাফাখুম ও আমিয়াখুমসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় অন্তত ১০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে নৌযান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পর্যায়ক্রমে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছে থানচি উপজেলা প্রশাসন।
প্রশাসন জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে স্থানীয় রিসোর্ট মালিকদের মাধ্যমে পর্যটকদের বিনাখরচে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রেমাক্রী বাজারের বিভিন্ন রিসোর্টে গাইডসহ ৭৪ পর্যটক অবস্থান করছেন।
অন্যদিকে, আমিয়াখুম এলাকার ১৮ পর্যটককে গাইডের সহায়তায় হেঁটে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাইগং ঝর্ণায় আটকে পড়া ১০ পর্যটক থানচি উপজেলা সদরে পৌঁছেছেন।
তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য খ্যাইসাপ্রু মারমা ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এ্যান্ড্রিয় ত্রিপুরা ফোনে জানান, নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে থানচি সদরের সঙ্গে সব ধরনের নৌযোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল ফয়সাল জানিয়েছেন, আবহাওয়ার উন্নতি এবং ঝুঁকি কেটে গেলে পর্যটনকেন্দ্রগুলো পুনরায় ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস জানান, পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
.png)

এসএসসি পেরুনো সাদিয়া সোলতানা রিজা ১১ মাস আগে সংসার শুরু করেছিলেন । বিয়ের পর গর্ভের সন্তানের স্বপ্নেই দিন কাটছিল তাঁর। ডাক্তার থেকে নিয়মিত নিতেন পরামর্শও। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে প্রসব ব্যথা ওঠে তাঁর।
১ ঘণ্টা আগে
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশন শেষ হয়েছে। অধিবেশন সমাপ্তি-সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ঘোষণা পাঠের মাধ্যমে বুধবার (১৫ জুলাই) চলতি বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁর মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ আর নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
২ ঘণ্টা আগে
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এর আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৩৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে