ডা. মুশতাক হোসেন

জনস্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম বড় এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’। আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাচ্ছি, যে পানি পান করছি, এমনকি সকালে ঘুম থেকে উঠে যে টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজছি—সবখানেই ওত পেতে আছে এই নীরব ঘাতক। ভাবতে অবাক লাগলেও সত্যি যে, সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, বাজারে প্রচলিত প্রায় ৭৬ শতাংশ টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিক বা অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি রয়েছে।
তবে আতঙ্ক কেবল প্রসাধন বা পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীতেই সীমাবদ্ধ নেই। নিত্যদিনের খাদ্যতালিকার অপরিহার্য উপাদান যেমন—দুধ, দুগ্ধজাত পণ্য, সয়াবিন তেল, ফলমূল এমনকি মাংসের ভেতরেও মিলেছে এই বিষাক্ত কণার সন্ধান। আমাদের অজান্তেই প্লাস্টিকের এই ক্ষুদ্র কণাগুলো কীভাবে শরীরে প্রবেশ করছে এবং তা কতটা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে, তা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে এখনই গভীর পর্যালোচনা ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
যেসব সামগ্রীর মাধ্যমে প্লাস্টিক সরাসরি আমাদের পাকস্থলী বা রক্তে প্রবেশ করতে পারে, সেগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। দাঁত মাজার মতো একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের সাথে মাইক্রোপ্লাস্টিকের শরীরে প্রবেশ কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি এক মারাত্মক ঝুঁকির কারণ। শিশুরা অনেক সময়ই দাঁত মাজার সময় অজান্তে টুথপেস্ট গিলে ফেলে। ফলে সরাসরি বিষাক্ত প্লাস্টিক তাদের পেটে চলে যায়। এছাড়া বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রীর সৌন্দর্য বাড়াতে বা চকচকে করতেও এসব কণা ব্যবহার করা হয়। সরাসরি পেটে না গেলেও ত্বকের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে এগুলো শরীরে প্রবেশের দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি থেকেই যায়।
আমাদের চারপাশের পরিবেশ দূষণের একটি অন্যতম বড় কারণ হলো যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য নিক্ষেপ। আমরা যেখানে-সেখানে প্লাস্টিকের বোতল বা পলিথিন ফেলছি। রোদ-বৃষ্টিতে কালক্রমে সেগুলো ভেঙে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়ে মাটিতে মিশছে। সেই দূষিত মাটি থেকে প্লাস্টিক কণা ঘাস বা পশুখাদ্যের মাধ্যমে চলে যাচ্ছে গরুর পেটে। ফলাফলস্বরূপ, সেই গরুর দুধ ও মাংসেও প্লাস্টিকের কণা পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ, আমরা যে পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছি বলে আত্মতৃপ্তিতে ভুগছি, বাস্তবে তার মাধ্যমেই শরীরে প্লাস্টিক ঢোকাচ্ছি।
আরেকটি বড় চিন্তার বিষয় হলো প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার সংরক্ষণ। সাধারণ প্লাস্টিকের পাত্রে গরম খাবার রাখলে তা গলে সরাসরি খাবারের সাথে মিশে যায়। অন্তত খাবার প্যাকেজিং ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ‘ফুড গ্রেড’ প্লাস্টিক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা উচিত। তবে মনে রাখতে হবে, ফুড গ্রেড পাত্রেও দীর্ঘ সময় খাবার সংরক্ষণ করলে রাসায়নিক পরিবর্তনের ঝুঁকি সম্পূর্ণ এড়ানো যায় না।
অনেকের একটি ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে, পানি ফুটিয়ে পান করলে হয়তো মাইক্রোপ্লাস্টিক নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে অন্য কথা। তাপে প্লাস্টিক গলে যায় ঠিকই, তবে পানি ঠান্ডা হলে তা আবারও আগের অবস্থায় ফিরে আসে এবং পানের মাধ্যমে আমাদের পেটে প্রবেশ করে। এমনকি সাধারণ পানির ফিল্টারগুলো এই অতি ক্ষুদ্র কণাগুলো পুরোপুরি ছেঁকে আলাদা করতে পারে কি না, তা নিয়েও যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।
শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশের ফলাফল অত্যন্ত ভয়াবহ। যেহেতু এই কণাগুলো অতি ক্ষুদ্র, তাই এগুলো সহজেই রক্তের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে জমা হতে থাকে। এর ফলে শরীরে বাসা বাঁধে দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল সব রোগ।
লিভারে প্লাস্টিক কণা জমা হলে হেপাটাইটিস বা লিভার সিরোসিসের মতো প্রাণঘাতী রোগ হতে পারে। অন্যদিকে কিডনিতে জমা হলে ইনফেকশন থেকে শুরু করে পাথর হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে। রক্তের ধমনিতে বা রক্তনালির দেয়ালে এই কণা জমে গেলে ব্লক তৈরি হয়। মস্তিষ্কের রক্তনালিতে জমলে ব্রেইন স্ট্রোক এবং হার্টে জমলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। সর্বোপরি, কোষে কোষে এই বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতি ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে।
অধিকাংশ পণ্যের গায়ে অত্যন্ত ছোট অক্ষরে উপাদানগুলোর নাম লেখা থাকে, যা সাধারণ ক্রেতারা পড়েন না বা তাদের পক্ষে পড়া সম্ভবও হয় না। এটি একধরনের বাণিজ্যিক প্রতারণা। সরকারের উচিত এমন আইন প্রণয়ন করা, যেখানে পণ্যে ক্ষতিকর উপাদান (যেমন: অতিরিক্ত চিনি, লবণ, ট্রান্স-ফ্যাট বা মাইক্রোপ্লাস্টিক) থাকলে তা প্যাকেটের সামনের অংশে বড় ও স্পষ্ট করে বা বিশেষ সতর্কীকরণ চিহ্ন দিয়ে উল্লেখ করতে হবে। এরপরও যদি কেউ সেই পণ্য কেনেন, তবে তা ভোক্তার নিজস্ব দায়। পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে। কোনো পণ্য কেনার আগে সেটি স্বাস্থ্যসম্মত ও মাইক্রোপ্লাস্টিক মুক্ত কি না, তা যাচাই করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
প্লাস্টিক দূষণ রোধে শুধু জরিমানা করলেই হবে না, মানুষকে এর ভয়াবহতা সম্পর্কে ব্যাপকভাবে সচেতন করতে হবে। খাদ্যে প্লাস্টিক দূষণ রোধ বা জননিরাপত্তার বিষয়টি তদারকির মূল দায়িত্ব ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’ (বিএসএফআই)-এর। তবে এর সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ প্রায় ২০-২৫টি মন্ত্রণালয় ও দপ্তর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবি। তাদের নেতৃত্বেই অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে সরকারিভাবে জোরালো উদ্যোগ নিতে হবে। খাদ্যে বা নিত্যব্যবহার্য পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের এই নীরব আগ্রাসন এখনই থামাতে না পারলে, অদূর ভবিষ্যতে পুরো জাতিকে এর জন্য এক বিশাল স্বাস্থ্যগত ও অর্থনৈতিক মূল্য চোকাতে হবে।

জনস্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম বড় এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’। আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাচ্ছি, যে পানি পান করছি, এমনকি সকালে ঘুম থেকে উঠে যে টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজছি—সবখানেই ওত পেতে আছে এই নীরব ঘাতক। ভাবতে অবাক লাগলেও সত্যি যে, সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, বাজারে প্রচলিত প্রায় ৭৬ শতাংশ টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিক বা অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি রয়েছে।
তবে আতঙ্ক কেবল প্রসাধন বা পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীতেই সীমাবদ্ধ নেই। নিত্যদিনের খাদ্যতালিকার অপরিহার্য উপাদান যেমন—দুধ, দুগ্ধজাত পণ্য, সয়াবিন তেল, ফলমূল এমনকি মাংসের ভেতরেও মিলেছে এই বিষাক্ত কণার সন্ধান। আমাদের অজান্তেই প্লাস্টিকের এই ক্ষুদ্র কণাগুলো কীভাবে শরীরে প্রবেশ করছে এবং তা কতটা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে, তা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে এখনই গভীর পর্যালোচনা ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
যেসব সামগ্রীর মাধ্যমে প্লাস্টিক সরাসরি আমাদের পাকস্থলী বা রক্তে প্রবেশ করতে পারে, সেগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। দাঁত মাজার মতো একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের সাথে মাইক্রোপ্লাস্টিকের শরীরে প্রবেশ কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি এক মারাত্মক ঝুঁকির কারণ। শিশুরা অনেক সময়ই দাঁত মাজার সময় অজান্তে টুথপেস্ট গিলে ফেলে। ফলে সরাসরি বিষাক্ত প্লাস্টিক তাদের পেটে চলে যায়। এছাড়া বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রীর সৌন্দর্য বাড়াতে বা চকচকে করতেও এসব কণা ব্যবহার করা হয়। সরাসরি পেটে না গেলেও ত্বকের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে এগুলো শরীরে প্রবেশের দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি থেকেই যায়।
আমাদের চারপাশের পরিবেশ দূষণের একটি অন্যতম বড় কারণ হলো যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য নিক্ষেপ। আমরা যেখানে-সেখানে প্লাস্টিকের বোতল বা পলিথিন ফেলছি। রোদ-বৃষ্টিতে কালক্রমে সেগুলো ভেঙে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়ে মাটিতে মিশছে। সেই দূষিত মাটি থেকে প্লাস্টিক কণা ঘাস বা পশুখাদ্যের মাধ্যমে চলে যাচ্ছে গরুর পেটে। ফলাফলস্বরূপ, সেই গরুর দুধ ও মাংসেও প্লাস্টিকের কণা পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ, আমরা যে পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছি বলে আত্মতৃপ্তিতে ভুগছি, বাস্তবে তার মাধ্যমেই শরীরে প্লাস্টিক ঢোকাচ্ছি।
আরেকটি বড় চিন্তার বিষয় হলো প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার সংরক্ষণ। সাধারণ প্লাস্টিকের পাত্রে গরম খাবার রাখলে তা গলে সরাসরি খাবারের সাথে মিশে যায়। অন্তত খাবার প্যাকেজিং ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ‘ফুড গ্রেড’ প্লাস্টিক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা উচিত। তবে মনে রাখতে হবে, ফুড গ্রেড পাত্রেও দীর্ঘ সময় খাবার সংরক্ষণ করলে রাসায়নিক পরিবর্তনের ঝুঁকি সম্পূর্ণ এড়ানো যায় না।
অনেকের একটি ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে, পানি ফুটিয়ে পান করলে হয়তো মাইক্রোপ্লাস্টিক নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে অন্য কথা। তাপে প্লাস্টিক গলে যায় ঠিকই, তবে পানি ঠান্ডা হলে তা আবারও আগের অবস্থায় ফিরে আসে এবং পানের মাধ্যমে আমাদের পেটে প্রবেশ করে। এমনকি সাধারণ পানির ফিল্টারগুলো এই অতি ক্ষুদ্র কণাগুলো পুরোপুরি ছেঁকে আলাদা করতে পারে কি না, তা নিয়েও যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।
শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশের ফলাফল অত্যন্ত ভয়াবহ। যেহেতু এই কণাগুলো অতি ক্ষুদ্র, তাই এগুলো সহজেই রক্তের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে জমা হতে থাকে। এর ফলে শরীরে বাসা বাঁধে দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল সব রোগ।
লিভারে প্লাস্টিক কণা জমা হলে হেপাটাইটিস বা লিভার সিরোসিসের মতো প্রাণঘাতী রোগ হতে পারে। অন্যদিকে কিডনিতে জমা হলে ইনফেকশন থেকে শুরু করে পাথর হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে। রক্তের ধমনিতে বা রক্তনালির দেয়ালে এই কণা জমে গেলে ব্লক তৈরি হয়। মস্তিষ্কের রক্তনালিতে জমলে ব্রেইন স্ট্রোক এবং হার্টে জমলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। সর্বোপরি, কোষে কোষে এই বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতি ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে।
অধিকাংশ পণ্যের গায়ে অত্যন্ত ছোট অক্ষরে উপাদানগুলোর নাম লেখা থাকে, যা সাধারণ ক্রেতারা পড়েন না বা তাদের পক্ষে পড়া সম্ভবও হয় না। এটি একধরনের বাণিজ্যিক প্রতারণা। সরকারের উচিত এমন আইন প্রণয়ন করা, যেখানে পণ্যে ক্ষতিকর উপাদান (যেমন: অতিরিক্ত চিনি, লবণ, ট্রান্স-ফ্যাট বা মাইক্রোপ্লাস্টিক) থাকলে তা প্যাকেটের সামনের অংশে বড় ও স্পষ্ট করে বা বিশেষ সতর্কীকরণ চিহ্ন দিয়ে উল্লেখ করতে হবে। এরপরও যদি কেউ সেই পণ্য কেনেন, তবে তা ভোক্তার নিজস্ব দায়। পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে। কোনো পণ্য কেনার আগে সেটি স্বাস্থ্যসম্মত ও মাইক্রোপ্লাস্টিক মুক্ত কি না, তা যাচাই করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
প্লাস্টিক দূষণ রোধে শুধু জরিমানা করলেই হবে না, মানুষকে এর ভয়াবহতা সম্পর্কে ব্যাপকভাবে সচেতন করতে হবে। খাদ্যে প্লাস্টিক দূষণ রোধ বা জননিরাপত্তার বিষয়টি তদারকির মূল দায়িত্ব ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’ (বিএসএফআই)-এর। তবে এর সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ প্রায় ২০-২৫টি মন্ত্রণালয় ও দপ্তর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবি। তাদের নেতৃত্বেই অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে সরকারিভাবে জোরালো উদ্যোগ নিতে হবে। খাদ্যে বা নিত্যব্যবহার্য পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের এই নীরব আগ্রাসন এখনই থামাতে না পারলে, অদূর ভবিষ্যতে পুরো জাতিকে এর জন্য এক বিশাল স্বাস্থ্যগত ও অর্থনৈতিক মূল্য চোকাতে হবে।
.png)

এক সময় অধিকাংশ দেশে বাঘ পাওয়া গেলেও এখন বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ১৩টি দেশে একে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে গত ১০০ বছরে বাঘের সংখ্যা ৯৫ শতাংশ কমলেও গত বছরের তুলনায় এর সংখ্যা খানিকটা বেড়েছে। কিন্তু এই খানিক বেড়ে যাওয়ার ঘটনাটা আবার ব্যর্থতা ঢাকার মতো নয় তো?
৩ ঘণ্টা আগে
কৃষির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে শিক্ষিত তরুণদের ওপর। কিন্তু অনেক তরুণই কৃষিকাজকে লাভজনক পেশা হিসেবে দেখতে চান না। তাই কৃষক কার্ডে তরুণ উদ্যোক্তা এবং নারী কৃষকদের জন্য বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা থাকা উচিত।
৪ ঘণ্টা আগে
তেহরান ও ওয়াশিংটন সম্ভবত মনে করছে, সময় তাদের নিজেদের পক্ষেই আছে। কিন্তু যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই বাড়ছে এর মূল্য। আর সেই ক্রমবর্ধমান চাপই শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষকে আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
এক শতাব্দী আগে পৃথিবীতে বুনো বাঘ ছিল প্রায় এক লাখ। আজ তার মাত্র ৫ শতাংশের মতো বাঘ টিকে আছে। একসময় এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বাঘের বিচরণ থাকলেও বর্তমানে মাত্র ১৩টি দেশের বুনো পরিবেশে বাঘ বিচরণ করে।
৮ ঘণ্টা আগে