স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংসদে ‘জুলাই বাস্তবায়ন আদেশ’ নিয়ে আলোচনায় আন্দালিব রহমান পার্থের বক্তব্যে টেবিল চাপড়ানো খালেদা জিয়াকে অপমান বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন লড়াই করে গেছেন। তিনি বলেছিলেন, যেদিন দেশে জনতার সরকার ক্ষমতায় আসবে সেদিন এই সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। আজ যারা আন্দালিব রহমান পার্থের বক্তব্যে টেবিল চাপড়েছেন, তারা বেগম জিয়াকে অপমান করেছেন।’
ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘ট্রেজারি বেঞ্চের যারা সংবিধান সংস্কারের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের মিলাচ্ছেন, তাঁরাও খালেদা জিয়াকে অপমান করেছেন কি না ভেবে দেখবেন।’
তিনি আরও বলেন, আন্দালিব রহমান পার্থের বক্তব্য অনুযায়ী, যেটুকু তাঁদের পক্ষে যাবে, সেটুকু তাঁরা মানেন আর যেটুকু বিপক্ষে যাবে সেটা তাঁরা মানবেন না। তাঁদের কথায় কখনো বিষয়গুলো সাংবিধানিক, আবার কখনো অসাংবিধানিক। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী সবটুকুই মানতে হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির এই সংসদ সদস্য বিগত ৬ আগস্টের ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, ‘শেখ হাসিনা পালানোর পর ৬ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মো. আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তখন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন—প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া যাবে না। তখন তো কোনো প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, তাহলে কোন সংবিধানের নিয়মে তিনি নিয়োগ পেয়েছিলেন তা আমি জানতে চাই।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘গত ৬ আগস্ট ছাত্র-জনতার রায়ের মাধ্যমেই বেগম জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করা হয়। যদি কঠোরভাবে এই সংবিধান মানা হতো, তবে বেগম জিয়া কারাগার থেকে বের হতে পারতেন না।’

সংসদে ‘জুলাই বাস্তবায়ন আদেশ’ নিয়ে আলোচনায় আন্দালিব রহমান পার্থের বক্তব্যে টেবিল চাপড়ানো খালেদা জিয়াকে অপমান বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন লড়াই করে গেছেন। তিনি বলেছিলেন, যেদিন দেশে জনতার সরকার ক্ষমতায় আসবে সেদিন এই সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। আজ যারা আন্দালিব রহমান পার্থের বক্তব্যে টেবিল চাপড়েছেন, তারা বেগম জিয়াকে অপমান করেছেন।’
ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘ট্রেজারি বেঞ্চের যারা সংবিধান সংস্কারের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের মিলাচ্ছেন, তাঁরাও খালেদা জিয়াকে অপমান করেছেন কি না ভেবে দেখবেন।’
তিনি আরও বলেন, আন্দালিব রহমান পার্থের বক্তব্য অনুযায়ী, যেটুকু তাঁদের পক্ষে যাবে, সেটুকু তাঁরা মানেন আর যেটুকু বিপক্ষে যাবে সেটা তাঁরা মানবেন না। তাঁদের কথায় কখনো বিষয়গুলো সাংবিধানিক, আবার কখনো অসাংবিধানিক। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী সবটুকুই মানতে হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির এই সংসদ সদস্য বিগত ৬ আগস্টের ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, ‘শেখ হাসিনা পালানোর পর ৬ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মো. আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তখন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন—প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া যাবে না। তখন তো কোনো প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না, তাহলে কোন সংবিধানের নিয়মে তিনি নিয়োগ পেয়েছিলেন তা আমি জানতে চাই।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘গত ৬ আগস্ট ছাত্র-জনতার রায়ের মাধ্যমেই বেগম জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করা হয়। যদি কঠোরভাবে এই সংবিধান মানা হতো, তবে বেগম জিয়া কারাগার থেকে বের হতে পারতেন না।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরে যাওয়া একেবারেই অনুচিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর জনগণ মানবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজনীতিতে আসার আগে তিনি ছিলেন শিক্ষক। সরকারি কলেজে ঢুকে অর্থনীতি পড়িয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, কাজ করেছেন প্রশাসনেও। একসময় ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।
৭ ঘণ্টা আগে
গণভোটের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চাইলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য গোপন ভোটের অধ্যাদেশ জারি করতে পারত বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহাকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
১০ ঘণ্টা আগে