স্পোর্টস ডেস্ক

নিজেদের সপ্তম বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশ ইরান। ১৯৭৮ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া ইরান এর আগে ছয়বার অংশ নিলেও কখনো গ্রুপ পর্ব টপকাতে পারেনি। ‘টিম মেল্লি’ নামে পরিচিত ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২১তম এই দল এবার ইতিহাস গড়তে চায়।
তবে এই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে মাঠের বাইরের রাজনীতি ও দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে। এবারের আসর উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—কানাডা, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৬টি মাঠে হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। জবাবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর হামলা চালায় তারা।
১২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, খেলোয়াড়দের জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া উচিত নয়। এর পরদিনই (১৩ মার্চ) ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী এক বিবৃতিতে জানান, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারা বিশ্বকাপে খেলবেন না। ৩১ মার্চ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইরান বিশ্বকাপে খেলবে।
গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বিতর্ক থামেনি। ৩০ এপ্রিল ফিফা কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে, ইরান বিশ্বকাপে খেলবে। এরপর ট্রাম্প তার আগের অবস্থান থেকে সরে বলেন, ‘তাদের (ইরান) খেলতে দিন।’
১৪ মে ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহদি তাজ জানান, ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখনও কোনো ভিসা ইস্যু করেনি। একই দিনে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিভাবাদি বলেন, বিশ্বকাপ বৈশ্বিক আয়োজন এবং একে কোনোভাবেই রাজনৈতিক অস্ত্র বানানো উচিত নয়।
শেষমেশ তুরস্কের আংকারায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও মাঠের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রয়েছে ইরান।
দলটির প্রধান কোচ হিসেবে আছেন অভিজ্ঞ আমির গ্যালেনোই। এর আগে ২০০৬-০৭ মেয়াদেও ইরানের ডাগআউট সামলেছেন তিনি। ২০২৩ সালে আবার দলের দায়িত্ব পান তিনি। তার অধীনে অভিজ্ঞ ও তরুণদের নিয়ে ইতিহাস গড়তে মরিয়া ইরান।
বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে ছয় ম্যাচে চার জয় ও দুই ড্র এবং তৃতীয় রাউন্ডে ১০ ম্যাচে সাত জয়, দুই ড্র ও এক পরাজয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে তারা। বাছাইপর্বে আক্রমণভাগে মেহদি তারেমির ফিনিশিং এবং সর্দার আজমুনের পারফরম্যান্সে টিম মেল্লিকে প্লে-অফের জটিলতায় পড়তে হয়নি।

বিশ্বকাপে ইরান খেলবে গ্রুপ ‘জি’-তে। আগামী ১৬ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২২ জুন বেলজিয়াম এবং ২৭ জুন মিসরের মুখোমুখি হবে তারা।
ইরানের মূল আকর্ষণ স্ট্রাইকার মেহদি তারেমি। গ্রিসের ক্লাব অলিম্পিয়াকোসের হয়ে খেলা এই ফুটবলার জাতীয় দলের হয়ে ১০২ ম্যাচে ৫৭ গোল করেছেন। এবারের বাছাইপর্বে তার পা থেকে এসেছে ১০ গোল। এছাড়া আক্রমণের বড় অস্ত্র ৯১ ম্যাচে ৫৭ গোল করা ‘ইরানি মেসি’ খ্যাত সর্দার আজমুন। মাঝমাঠে ও উইংয়ে অভিজ্ঞ আলিরেজা জাহানবাখশ দলের চালিকাশক্তি।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম ফেভারিট হলেও ইরানের ফর্ম নকআউটের আশা জাগাচ্ছে। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারলে এবং বেলজিয়ামকে আটকে দিতে পারলে, শেষ ম্যাচের আগেই ইরানের নকআউট নিশ্চিত হতে পারে।

নিজেদের সপ্তম বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ার দেশ ইরান। ১৯৭৮ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া ইরান এর আগে ছয়বার অংশ নিলেও কখনো গ্রুপ পর্ব টপকাতে পারেনি। ‘টিম মেল্লি’ নামে পরিচিত ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২১তম এই দল এবার ইতিহাস গড়তে চায়।
তবে এই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে মাঠের বাইরের রাজনীতি ও দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে। এবারের আসর উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—কানাডা, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৬টি মাঠে হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। জবাবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর হামলা চালায় তারা।
১২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, খেলোয়াড়দের জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া উচিত নয়। এর পরদিনই (১৩ মার্চ) ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী এক বিবৃতিতে জানান, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারা বিশ্বকাপে খেলবেন না। ৩১ মার্চ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইরান বিশ্বকাপে খেলবে।
গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বিতর্ক থামেনি। ৩০ এপ্রিল ফিফা কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে, ইরান বিশ্বকাপে খেলবে। এরপর ট্রাম্প তার আগের অবস্থান থেকে সরে বলেন, ‘তাদের (ইরান) খেলতে দিন।’
১৪ মে ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহদি তাজ জানান, ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখনও কোনো ভিসা ইস্যু করেনি। একই দিনে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিভাবাদি বলেন, বিশ্বকাপ বৈশ্বিক আয়োজন এবং একে কোনোভাবেই রাজনৈতিক অস্ত্র বানানো উচিত নয়।
শেষমেশ তুরস্কের আংকারায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও মাঠের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রয়েছে ইরান।
দলটির প্রধান কোচ হিসেবে আছেন অভিজ্ঞ আমির গ্যালেনোই। এর আগে ২০০৬-০৭ মেয়াদেও ইরানের ডাগআউট সামলেছেন তিনি। ২০২৩ সালে আবার দলের দায়িত্ব পান তিনি। তার অধীনে অভিজ্ঞ ও তরুণদের নিয়ে ইতিহাস গড়তে মরিয়া ইরান।
বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে ছয় ম্যাচে চার জয় ও দুই ড্র এবং তৃতীয় রাউন্ডে ১০ ম্যাচে সাত জয়, দুই ড্র ও এক পরাজয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে তারা। বাছাইপর্বে আক্রমণভাগে মেহদি তারেমির ফিনিশিং এবং সর্দার আজমুনের পারফরম্যান্সে টিম মেল্লিকে প্লে-অফের জটিলতায় পড়তে হয়নি।

বিশ্বকাপে ইরান খেলবে গ্রুপ ‘জি’-তে। আগামী ১৬ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২২ জুন বেলজিয়াম এবং ২৭ জুন মিসরের মুখোমুখি হবে তারা।
ইরানের মূল আকর্ষণ স্ট্রাইকার মেহদি তারেমি। গ্রিসের ক্লাব অলিম্পিয়াকোসের হয়ে খেলা এই ফুটবলার জাতীয় দলের হয়ে ১০২ ম্যাচে ৫৭ গোল করেছেন। এবারের বাছাইপর্বে তার পা থেকে এসেছে ১০ গোল। এছাড়া আক্রমণের বড় অস্ত্র ৯১ ম্যাচে ৫৭ গোল করা ‘ইরানি মেসি’ খ্যাত সর্দার আজমুন। মাঝমাঠে ও উইংয়ে অভিজ্ঞ আলিরেজা জাহানবাখশ দলের চালিকাশক্তি।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম ফেভারিট হলেও ইরানের ফর্ম নকআউটের আশা জাগাচ্ছে। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারলে এবং বেলজিয়ামকে আটকে দিতে পারলে, শেষ ম্যাচের আগেই ইরানের নকআউট নিশ্চিত হতে পারে।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৪ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১৭ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৮ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২১ ঘণ্টা আগে