‘যুদ্ধবিরতি’ আসলে গাজাকে দৃষ্টির আড়ালে ঠেলে দেওয়ার হাতিয়ারগাজার কেন্দ্রীয় অঞ্চল আল-বুরাইজ ক্যাম্পেবাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি সালাহ আল-মাবহু তাঁর ছোট ছেলে আব্দুর রাজ্জাককে নিয়ে আগুনের পাশে বসে আছেন। তাঁবুর পাশে জবুথবু হয়ে বসে একটু উষ্ণতার খোঁজ করছেন তাঁরা। এই দৃশ্য এখন গাজার প্রতিটি কোণেই দেখা যায়।
ইসরায়েলের লঙ্ঘনে গাজা যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাচ্ছে: কাতারের প্রধানমন্ত্রীকাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি সতর্ক করেছেন, গাজায় ইসরায়েলের প্রতিদিনের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন পুরো শান্তিচুক্তি প্রক্রিয়াকে বিপদের মুখে ফেলছে। তিনি দ্রুত চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এতে গাজায় চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের অবসান ঘটানো সম্ভব হবে।
আবারও যুদ্ধ বন্ধ করার ভুয়া দাবি করলেন ট্রাম্পচলতি বছরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আটটি যুদ্ধ নিজের মধ্যস্থতায় শেষ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই দাবি করেন।
ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা হতে পারে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগাজা পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পরিকল্পনার কারণে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এখন আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে অর্জিত বিশাল ক্ষমতার পর এটি তার জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।
পশ্চিম তীরের নূর শামস ক্যাম্পের ২৫টি বাড়ি ভেঙে ফেলছে ইসরায়েলফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের নূর শামস শরণার্থী শিবিরে ২৫টি আবাসিক ভবন ভেঙে ফেলতে যাচ্ছে ইসরায়েল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হবে।
শীতকালীন ঝড়ে গাজাবাসীদের দুর্দশা চরমেপ্রবল শীতকালীন ঝড়ের কারণে গাজায় শান্তি পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকা মানুষের দুর্দশা আরও বেড়েছে। জাতিসংঘ জানায়, বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন আট লাখেরও বেশি মানুষ। প্রবল বৃষ্টিতে শরণার্থী শিবিরগুলো প্লাবিত হয়েছে। বেশ কয়েকটি ভবনও ধসে পড়েছে।
পৃথিবীতে মানবাধিকার বলে কি আদতে কিছু আছেগাজার এই ধ্বংসলীলা জগতের সামনে রূঢ় প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। পৃথিবীতে মানবাধিকার বলে কি আদতে কিছু আছে? নাকি এটি কেবল শক্তিশালী দেশগুলোর সুবিধামতো ব্যবহারের জন্য তৈরি একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার?
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেই চলছে ইসরায়েল, আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান গাজারগাজায় ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরভাবে এগোতে পারছে না বলে জানিয়েছে হামাস। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৭৭ জন নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরা।
গাজার যুদ্ধবিরতি কেন খাদের কিনারেইসরায়েল গাজাকে নিরাপত্তা সমস্যা হিসেবে দেখছে, আর ফিলিস্তিনিরা একে দেখছে অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে। এই দুই দৃষ্টিভঙ্গির মেরুকরণ যতদিন না কমবে, ততদিন যেকোনো যুদ্ধবিরতিই হবে ক্ষণস্থায়ী।
ইসরায়েল-হামাস কি যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করছেহামাস শিগগিরই গাজায় থাকা শেষ ইসরায়েলি বন্দীর মরদেহ হস্তান্তর করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশের সুবিধার্থে তারা অস্ত্র ব্যবহারে ‘বিরতি’ নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।
৪০ বছরের মধ্যে প্রথম সরাসরি আলোচনায় লেবানন ও ইসরায়েললেবানন ও ইসরায়েল প্রায় ৪০ বছর পর প্রথমবার সরাসরি আলোচনায় বসেছে। বুধবার দক্ষিণ লেবাননের নাকউরা শহরে যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতিত্বে পরিচালিত যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ কমিটির বৈঠকে দুই দেশের বেসামরিক প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এতে দীর্ঘ চার দশকের অচলাবস্থা ভেঙে নতুন যোগাযোগের পথ খুলে যায়।
যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও গাজায় অন্তত ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত: জাতিসংঘআগের দিন ইসরায়েল পুরো উপত্যকা জুড়ে হামলা চালায়, যাতে সাত শিশু নিহত হয়। পিরেস বলেন, ‘এটা যুদ্ধবিরতির মধ্যে ঘটছে। এই দৃশ্য ভয়াবহ।’ তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শিশুর ছিল পরিবার, স্বপ্ন আর জীবন—যা নির্যাতনের মধ্যেই থেমে যাচ্ছে।