জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

গল্প

অনেক ভোরের আলো

প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২৬, ২০: ০৪
স্ট্রিম গ্রাফিক

দুই হাতে অন্ধকারের কুয়াশা ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছি। বুঝতে পারছি না কেন এমন হলো? জীবন সহজ নয় দেখেছি, তাই বলে এমন নির্মম হতে পারে জানা ছিল না। আমলনামা লেখার সময় তিনি কি মানুষের মতামত নেন? না লিখে দেন নিজের খেয়াল-খুশি মতো? এই যে, যে জীবন আমি যাপন করেছি—আমার কোনো মতামত নেওয়া হয়েছিল? মানুষের ইচ্ছা অনিচ্ছার কোনো গুরুত্ব আছে তাঁর কাছে; যিনি এই মহাবিশ্বের একমাত্র মালিক মহান রাব্বুল আলামিন।

দেখতে পাচ্ছি অনেক দূর হতে একটি বিষণ্ন মেঘ এগিয়ে আসছে এবং আরও অন্ধকার হয়ে আসছে চারদিক; বড় অসহায় বোধ হল, ঠিক বুঝতে পারছি না, এমন এক গভীর নিঃসঙ্গতা উপলব্ধি করছি যা এর আগে কখনও অনুভব করিনি। এবং আমার মাথার ভেতর, মনে হচ্ছে অসংখ্য পোকা কিলবিল করছে; একবার ভাবলাম মাথাটা পরিষ্কার করে নেওয়া প্রয়োজন, কিন্তু পরক্ষণেই মনে হল কোনো কিছুই এখন আমার নিয়ন্ত্রণাধীন নয়—সামান্য মাছি কিংবা হাতি এসে মুখের ওপর প্রাকৃতিক কর্মসম্পাদন করলেও আমার কিছুই করার থাকবে না।

বাসে করে কোথাও যাচ্ছিলাম। কয়েকজন যুবক, জানি না, তারা কি আমাকে স্বর্গের গেলমান মনে করেছিল? যুবকেরা আমার ওপর চড়াও হয় এবং তাদের মনোবাসনা পূর্ণ করে চলন্ত বাস থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়; আর ঠিক তখন অন্য একটি গাড়ি ঝাপিয়ে পড়ে আমার ওপর। বাসে আর যারা ছিল সবাই চুপচাপ দেখছিল; যেন সার্কাস দেখছিল, সার্কাস তো কেবল দূরে থেকে নীরবে দেখার দৃশ্য।

মৃত্যুর পর প্রথমেই মনে হয়েছিল যে এখন সবাই আহা রে... আহা রে... বলে ছুঁটে আসবে। কেউ হাহাকার করে উঠবে, আহা! কার মায়ের পুত? কেউ হয়তো আকাশের দিকে তাকিয়ে বলবে, হে পরম করুনাময়, কারও ভাগ্যে তুমি এমন মৃত্যু লিখে দিও না! কিন্তু দেখতে পেলাম কেউ একবার ফিরেও তাকাল না। বুকের ভেতর অসীম এক শূন্যতা অনুভব হল। জীবন সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই দেখছি।

অনেকক্ষণ রাস্তার মাঝখানে পড়েছিল আমার প্রাণহীন দেহ। কেউ একবার ফিরেও তাকায়নি। অত্যন্ত সযত্নে আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে গেছে সব গাড়ি। পুলিশ যখন আসে, বুকের ভেতরে জ্বলে উঠেছিল একটুখানি আশার সলতে; মনে হচ্ছিল পুলিশ নিশ্চয়ই কাছে এসে দেখবে, জানতে চাইবে কেমন করে হল এই দুর্ঘটনা? কেন আমি এভাবে মরে গেলাম? এভাবে মরে যেতে খুব কষ্ট হয়েছে? দুনিয়াতে আমার কে কে আছে? তাদেরকে কিভাবে খবর দেওয়া যায়? দুঃখ করে বলবে, আহা! মুখ এমন থ্যাঁতলে গেছে! মরার সময় আপনজন বলতে কেউ পাশে ছিল না! মুখে একটু পানি দেওয়ার মতো কেউ ছিল না। কিন্তু শুনতে পেলাম—বাঞ্চোদরা ঘরে বইসা মরতে পারে না, রাস্তায় আইসা আমাগো ঝামেলায় ফালায়। তবে, পুলিশ আমাকে তাদের গাড়িতে তুলে নেয়।

শীতল পাটিতে শুয়ে আছি আমি। ভালোই। আমার গায়ের ওপর একটা চাদরও দেওয়া হয়েছে। রঙিন চাদর। রঙিন চাদর মৃতের সঙ্গে মানানসই কিনা জানি না। আমার ডান ও বাম পাশে বেঞ্চে কয়েকজন পুলিশ, প্রত্যেকের হাতে বন্দুক। প্রথমে মনে হয়েছিল আমি যাতে পালিয়ে যেতে না পারি, তাই পুলিশ বন্দুকের নল ধরে বসে আছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার এ ভুল ভাঙে। তাদের সামনে যে একটা মানুষের লাশ—আমার অস্তিত্বই যেন ভুলে গেছে; দেখছি, নানান ভাষায় কথা বলে তারা। কিছু তার বুঝি, কিছু বুঝতে পারি না। একটু ভয় ভয় লাগে। আমাকে ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে—গাড়িটা কি পোস্তগোলার দিকে যাচ্ছে? বুড়িগঙ্গা সেতু থেকে আমাকে ফেলে দেওয়া হবে? তারপর বুড়িগঙ্গায় ভেসে ভেসে আমি আমার শৈশবের পাণ্ডপ নদীর বুকে আশ্রয় নেব?

পাণ্ডপ নদীর কথা মনে আসতেই বুক ভেঙে কান্না আসে, বুকের গভীরে টের পাই পাণ্ডপের শীতলতা আর উত্তাপ। আমার মা কি সারা জীবন পাণ্ডপ নদীর দিকে চেয়ে থাকবেন? প্রতিদিন সকালবেলা একটি লঞ্চ যায়, ঢাকা থেকে, সকাল সাতটা কী সাড়ে সাতটায় লক্ষ্মীপাশা ঘাটে ভিড়ে। আমি কি ভাসতে ভাসতে আমাদের লক্ষ্মীপাশা ঘাটে গিয়ে উঠব? এবং কেমন করে যেন মা জেনে যাবেন, মায়েরা এমনই, সবকিছু আগে আগেই জানতে পারেন। সেদিন মায়ের চিঠি পেলাম, মা লিখেছেন, তোর জ্বর হয়েছিল বুঝি, রাতে কী আবোল-তাবোল বকতেছিলি, আমি ভাবলাম বোবা ভূতে ধরেছে; কিন্তু গায়ে হাত দিলে দেখি প্রচণ্ড জ্বর। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন। এর তিনদিন পরেই আমার জ্বর হয়। আমি এসেছি শুনে শিরিন কি ওর পড়ার টেবিল থেকে লাফিয়ে উঠানে পড়বে, এবং আমাকে জড়িয়ে ধরবে; মনে হবে দুই মাস পরে ঢাকা থেকে আসিনি, অনেক অনেক বছর পর, ধরা যাক দুইশো বছর পর কোনো এক ভিনদেশ থেকে এসেছি। বাবা এগিয়ে আসবেন আমাকে নিতে; বরাবরের মতো তিনি মনে করবেন একা একা আমি পথ চিনে বাড়ি পৌঁছতে পারব না।

জানি না কোথায় আমার গন্তব্য, না শীতলক্ষ্যা নদী? শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রায়ই মানুষের লাশ ভেসে ওঠার খবর শোনা যায়; একবার একই সঙ্গে সাতটি লাশ ভেসে ওঠে, সাতটি লাশ ভেসে উঠতে দেখে শীতলক্ষ্যা পাড়ের মানুষেরা ভয়ে কেঁপে উঠেছিল, অনেক দিন তাদের চোখেমুখে ছড়িয়ে ছিল ভয় আর দুঃস্বপ্নের রেখা। আমাদের মতোই, কিন্তু বটবৃক্ষের ছায়ায় বেড়ে ওঠা একজন মানুষ সাতজন মানুষকে মেরে ফেলে ভাসিয়ে দিয়েছে শীতলক্ষ্যায়।

চারদিক হতে ক্রমশ স্তিমিত হয়ে আসছে আলোর সমস্ত রঙ, সন্ধ্যা হয়ে এসেছে বুঝি। আবছা স্বপ্নের মতো দেখতে পাচ্ছি বাড়িতে আমার ঘরে পড়ার টেবিলের পাশে জানালায় নেমে এসেছে একটি শীতল মেঘ, যখন পশ্চিম আকাশে হেলে পড়েছে বিকেল বেলা; জানালায় হাত বাড়িয়ে আমি শীতল মেঘ ছুঁই, সত্যিই যেন, আর অমনি বয়ে যায় রিমঝিম বৃষ্টি। বৃষ্টিতে ভিজতে থাকা আমাকে কেউ দেখতে পায় না। অবশ্য ছোটবেলার আমার পড়ার টেবিলটা এখন নেই, জানালা আছে। একসময় বৃষ্টি থেমে যায়। দেখতে পাই, একটু একটু করে জমে উঠছে অন্ধকারের কুয়াশা; আমি কি আর কোনোদিন দেখতে পাব না আলোর রেখা?

বাবা কি আঁচ করতে পেরেছিলেন, কোনো এক শুভক্ষণে তিনি কি টের পেয়েছিলেন যে তার ধান বিক্রির টাকা, পরিশ্রম আর স্বপ্ন এমন বিফলে যেতে পারে; আর তাই বুঝি সব সময় সাবধান করে দিতেন, মিছিলে যাবি না, কারফিউর সময় হোস্টেলের জানালা দিয়ে উঁকি দিবি না। একবার নিজের দিকে তাকাই, নিজের মুখটি দেখতে চাই আমি, কিন্তু দেখতে পাই এক কিশোরের মুখ; সরল ও সুন্দর, নিষ্পাপ একটি মুখ ভেসে ওঠে আমার চোখের সামনে। দেখতে পাই এক কিশোর তার বাবার সঙ্গে আমাদের পশ্চিমের কোলায় কাদা মাটিতে সোনা ফলাতে বীজ বুনছে; বাবা কিশোরকে বলছে, এসব তুই পারবি না, বাড়িত যা, বাড়ি গিয়া পড়তে বস; কিশোর বলছে, পারুম আমি।

ঝলমলে একটু আলো এসে পড়ুক আমার মুখের ওপর, মন বলছে, কিন্তু ক্রমশ গভীর এক অন্ধাকার খাদে তলিয়ে যাচ্ছি। আজকাল, শুনেছি মানুষের লাশও বিক্রি হয়, হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি হওয়ার ঘটনা তো প্রায়ই শোনা যায়। পুলিশ আমাকে বিক্রি করে দেবে না তো? কোনো এক হাসপাতালে? তারপর চোখ, কিডনি, হৃৎপিণ্ড, মানুষের প্রয়োজনীয় যা সব খুলে রেখে ফেলে দেওয়া হবে অবশিষ্ট অংশ কোনো এক নর্দমায়? হাসপাতালকে কসাইখানাও বলা হয়ে থাকে। একবার পত্রিকায় এসেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লাশ আটকে রেখেছে, মৃতের আত্মীয়স্বজন হাসপাতালের ব্যায়ভার বহন করতে না পারায়। নাকি বেওয়ারিশ লাশ দাফনের দাতব্য সংস্থা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের উপর অর্পিত হবে আমার লাশের দায়িত্ব। বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে কবরে যেতে নিশ্চয়ই ভালো লাগবে না।

আমার একটা প্রেমিকা থাকতে পারত, থাকলে সে কি কষ্ট পেত? আর আসব না জেনেও কলা ভবনের সিঁড়িতে বসে থাকত আমার জন্য? গভীর এক দীর্ঘশ্বাসে মোচড় দিয়ে ওঠে ভেতরটা।

কতদিন মামা বাড়ি যাই না। লাল জামা পড়ে মামা বাড়ি যাওয়া, নানির হাতে দুধভাত খাওয়া সেই কিশোর কি জানত, হয়তো ভাবতেও পারেনি একদিন সে এখানে এসে পৌঁছবে। সে কি জানত জীবন এক চক্রশালা। এই শহরে সে পড়তে এসেছিল, উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে; এবং কবিতার খাতায় নাম লিখিয়েছিল, কবিতা লিখত সে, মশালমিছিলে যেত, গিটার কিনেছিল, টিএসসিতে ‘গণমুক্তির গানের দল’-এ যোগ দিয়েছিল। পূরণ হবে না তার উচ্চতর ডিগ্রির স্বপ্ন, কোথাও আর খুঁজে পাওয়া যাবে না তাকে, কবিতা লিখবে না, মশালমিছিলে যাবে না, গিটারে বাঁধবে না সুর—‘বন্ধু তোমার লাল টুকটুকে স্বপ্ন বেচো না।’

আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় প্রখর হয়ে উঠছে, মনে হচ্ছে; দূরে কোথাও শুনতে পাচ্ছি একটি সবুজ পাতা খসে পড়ার শব্দ, কোথাও কেঁপে উঠছে বিষণ্ন ছায়া। আমি আমার মায়ের মুখখানা দেখতে পাই। আমার কথা ভেবে ভেবে কষ্টে মায়ের বুক ভরে যাবে, সারাজীবন মা একটা দীর্ঘশ্বাস বয়ে বেড়াবেন। বাড়ি পর্যন্ত যদি পৌঁছে আমার প্রাণহীন দেহ, মা হয়তো অস্বীকার করবেন-বলবেন, এ আমার ছেলে না, এ আমার খোকন না, এ আমার খোকন না; বলে বলে আছাড় খেয়ে পড়বেন ঘরের খাডালে, উঠানে। কেউ তাকে ধরে রাখতে পারবে না। শেষবারের মতো আমাকে এক নজর দেখার জন্য গ্রামের মানুষজনে উঠান ভরে যাবে। আমার মায়ের আহাজারি দেখে কারও মনে হতে পারে, মায়ের আগে ছেলেকে নিয়ে যাওয়া—রাব্বুল আলামীন এ কাজটা না করলেও পারত। কারও মনে হবে এই বয়সে আমার মরে যাওয়া ঠিক হয়নি।

বেঁচে থাকলে বুড়ো বয়সে আমাকে দেখতে কেমন লাগত? এমনটা ভাবতেই দেখি বুড়ো হয়ে গেছি। পরনে গ্রামীণ চেকের লুঙ্গি, সাদা পাঞ্জাবি; কোনো এক পড়ন্ত বেলায় গ্রামে আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে হেঁটে নদীর কাছে যাচ্ছি। ছোটবেলার পাণ্ডপ নদীর পাড়ে মুক্ত বাতাসে একটু নিশ্বাস নেওয়ার জন্য, নদীর ওপারে খোলা আকাশ দেখার জন্য। আমি, না যেন বাবার মতো কেউ একজনকে দেখতে পাচ্ছি, হেঁটে নদীর দিকে যাচ্ছে। না স্বপ্ন, না সত্যিই যেন; এই গোলক ধাঁধায় এক কিশোর ঢুকে পড়ে। দেখতে পাই কিশোর আমার আগে আগে দৌঁড়ে যাচ্ছে; পরনে লাল জামা, হাফ প্যান্ট। ছোটবেলায় এমন লাল জামা আমারও ছিল। লাল জামা পড়ার অনেক দিনের শখ ছিল, এক ঈদে বাবা কুঁদের হাটখোলা থেকে জেলাপির মতো পেঁচানো ছাপার সুন্দর এক লাল জামা এনে দিয়েছিলেন। আমি আরও জোড়ে হাঁটতে থাকি। অন্ধকারের কুয়াশায় একবার হারিয়ে যায় কিশোর, আবার দেখতে পাই, আবার হারিয়ে যায়।

আমি কি কিশোরের কাছে পৌঁছতে চাই? ঐ কিশোরের কাছে রয়েছে কোনো এক স্বপ্নলোকের চাবি? একটা আলোড়ন বোধ করি, আমার সমস্ত রক্তপ্রবাহ উত্তাল হয়ে ওঠে; মনে হয় ঐ কিশোর আমাকে ডাকছে, কিশোরের ডাক শুনতে পাচ্ছি। আমি তো কিশোরের কাছে পৌঁছতে চাই না, খোলা আকাশের নিচে একটুখানি বসতে চাই। অন্ধকারের কুয়াশায় আবার হারিয়ে যায় কিশোর, এবং আবার দেখতে পাই তাকে। পেছনে ফিরে কিশোর আমার নাম ধরে ডাক দেয়, আমি সারা দিই, চিৎকার করে বলি যে, আ-স-ছি; এবং শুনতে পাই আমার চিৎকার প্রতিধ্বনি হয়ে আমার কাছে ফিরে আসে। কেমন যেন বিপন্ন বোধ করি আমি।

কোথায় গিয়ে থামবে পুলিশের এই গাড়ি—জানি না কোথায় আমার গন্তব্য। চারদিকে প্রচণ্ড অন্ধকার নামছে। আলোর একটু বিন্দু দেখার জন্য হাহাকার করে উঠে আমার বুকের ভেতরটা। একটুখানি ভোরের আলো। আমি কি আর দেখতে পাব না আলোর নাচন? নিস্তব্ধ অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে সবকিছু; নিশ্বাস নিতে পারি না আমি, কোথাও একটুখানি কমলা রঙের রোদ দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে আমার ভেতরটা। আমাদের গ্রাম, পাণ্ডপ নদী, মেঘ, বাতাস, কদম ফুল, ধানখেত; দেখতে পাচ্ছি ঢেকে যাচ্ছে সবকিছু নিস্তব্ধ অন্ধকারে। আর আমাদের ঘরের চৌকাঠে দাঁড়িয়ে আছেন মা, আঁচলভরা অনেক ভোরের আলো। বাড়িতে গেলে আমি ভোরের আলোয় স্নান করি। আমার জন্য একটু একটু করে জমিয়ে রাখেন মা ভোরের আলো, অনেক ভোরের আলো।

সম্পর্কিত