স্ট্রিম সংবাদদাতা

শরতের স্নিগ্ধ রোদ। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। বাতাসে দুলছে শুভ্র কাশফুল। ভিন্ন আবেদন তৈরি করেছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের অদূরে বেলতলীর ভুড়ভুড়িয়া ছড়ার দুই পারের কাশবন। সবুজ চা-বাগানের মাঝে বিস্তীর্ণ কাশফুলের বাগান দেখতে ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে বেলতলী। বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিটিআরআই) আশপাশে উঁচু-নিচু টিলা ও বিস্তীর্ণ চা-বাগান। এসবের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ি ছড়া। বেলতলীর ভানুগাছ সড়কের গা ঘেঁষে প্রায় এক কিলোমিটারে ছড়ার দুই পাশের বালুচরে ফুটেছে কাশফুল।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে কাশফুল ফুটতে শুরু করে। সেপ্টেম্বরে বালুচর ছেয়ে থাকে। এ সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে ভানুগাছ সড়কে। অনেকেই পরিবার নিয়ে আসেন, প্রকৃতির মাঝে সময় কাটান ও ছবি তোলেন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সরেজমিন নানা বয়সীদের ভিড় পাওয়া যায় বেলতলীতে। সেখানে কেউ কাশবনের মধ্যে ছবি তুলছেন, কেউ ছড়ার পাড়ে হাঁটছেন। সড়কের পাশে গাড়ি থামিয়েও অনেককে কাশফুলের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায়।

কাশফুল দেখতে আসা সঞ্জয় সাহা, শিমুল হোসেন, মনিরা, কাকলী রায় ও পারমিতা দেবী জানান, বই পড়ে, ছবিতে কাশফুলের সৌন্দর্য সম্পর্কে জেনে মুগ্ধ হয়েছেন তারা। তবে সরাসরি কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করার অনুভূতি আলাদা। এজন্য সময় পেলেই এখানে ছুটে আসছেন।
হামিদুর রহমান ও শাওন আহমেদ বলেন, বাতাসে দুলতে থাকা কাশফুল, পাশের চা-বাগানের সবুজ– দুইয়ে মিলে জায়গাটি অনিন্দ সুন্দর হয়ে উঠেছে। শহরের ব্যস্ততা থেকে একটু দূরে এসে এমন পরিবেশে সময় কাটাতে ভালো লাগছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শরতে ভুড়ভুড়িয়া ছড়ার কাশবন শ্রীমঙ্গলের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠছে। তবে দর্শনার্থীরা কাশবনে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। গাছপালা নষ্ট করছেন। এসব ব্যাপারে পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা দরকার।

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সম্পাদক এসকে দাশ সুমন বলেন, ‘বিগত ৮-১০ বছর ধরে ভুড়ভুড়িয়া ছড়ার কাশফুলের বালুচরটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। শ্রীমঙ্গলে আসা পর্যটকেরাও এখানে প্রকৃতির স্পর্শ পেতে আসেন। কাশবন তাদের বাড়তি আনন্দ দেয়।’

শরতের স্নিগ্ধ রোদ। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। বাতাসে দুলছে শুভ্র কাশফুল। ভিন্ন আবেদন তৈরি করেছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের অদূরে বেলতলীর ভুড়ভুড়িয়া ছড়ার দুই পারের কাশবন। সবুজ চা-বাগানের মাঝে বিস্তীর্ণ কাশফুলের বাগান দেখতে ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে বেলতলী। বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিটিআরআই) আশপাশে উঁচু-নিচু টিলা ও বিস্তীর্ণ চা-বাগান। এসবের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ি ছড়া। বেলতলীর ভানুগাছ সড়কের গা ঘেঁষে প্রায় এক কিলোমিটারে ছড়ার দুই পাশের বালুচরে ফুটেছে কাশফুল।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে কাশফুল ফুটতে শুরু করে। সেপ্টেম্বরে বালুচর ছেয়ে থাকে। এ সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে ভানুগাছ সড়কে। অনেকেই পরিবার নিয়ে আসেন, প্রকৃতির মাঝে সময় কাটান ও ছবি তোলেন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সরেজমিন নানা বয়সীদের ভিড় পাওয়া যায় বেলতলীতে। সেখানে কেউ কাশবনের মধ্যে ছবি তুলছেন, কেউ ছড়ার পাড়ে হাঁটছেন। সড়কের পাশে গাড়ি থামিয়েও অনেককে কাশফুলের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায়।

কাশফুল দেখতে আসা সঞ্জয় সাহা, শিমুল হোসেন, মনিরা, কাকলী রায় ও পারমিতা দেবী জানান, বই পড়ে, ছবিতে কাশফুলের সৌন্দর্য সম্পর্কে জেনে মুগ্ধ হয়েছেন তারা। তবে সরাসরি কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করার অনুভূতি আলাদা। এজন্য সময় পেলেই এখানে ছুটে আসছেন।
হামিদুর রহমান ও শাওন আহমেদ বলেন, বাতাসে দুলতে থাকা কাশফুল, পাশের চা-বাগানের সবুজ– দুইয়ে মিলে জায়গাটি অনিন্দ সুন্দর হয়ে উঠেছে। শহরের ব্যস্ততা থেকে একটু দূরে এসে এমন পরিবেশে সময় কাটাতে ভালো লাগছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শরতে ভুড়ভুড়িয়া ছড়ার কাশবন শ্রীমঙ্গলের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠছে। তবে দর্শনার্থীরা কাশবনে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। গাছপালা নষ্ট করছেন। এসব ব্যাপারে পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা দরকার।

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সম্পাদক এসকে দাশ সুমন বলেন, ‘বিগত ৮-১০ বছর ধরে ভুড়ভুড়িয়া ছড়ার কাশফুলের বালুচরটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। শ্রীমঙ্গলে আসা পর্যটকেরাও এখানে প্রকৃতির স্পর্শ পেতে আসেন। কাশবন তাদের বাড়তি আনন্দ দেয়।’
.png)
-a0c892-256x144.webp)
২০০৯ সালে রোলান্ড এমিরিখের ‘২০১২’ সিনেমা যখন মুক্তি পেয়েছিল, তখন পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দৃশ্যগুলো আমাদের কাছে নিছক কল্পনাই মনে হয়েছিল। মাটি ফেটে যাচ্ছে, শহর ধসে পড়ছে, সমুদ্র ছুটে আসছে মানুষের বসতির দিকে। কোথাও মানুষ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়াচ্ছে, কোথাও কেউ প্রিয়জনকে খুঁজছে, আবার কেউ শেষবারের মতো সন্তানক
২৭ আগস্ট ২০২৬
‘আমি যদি মহৎ হই, তবে যেন আমাকে পুণ্যবানদের দলে গণ্য করা হয়; আর যদি খারাপ হই, তবে তাঁদের খাতিরে যেন আমাকে ক্ষমা করা হয়।’ কথাগুলো চতুর্দশ শতাব্দীর বিখ্যাত সুফি সাধক নিজামুদ্দিন আউলিয়ার। তাঁর আধ্যাত্মিক জীবন, কথোপকথন ও দর্শনের নানা দিক সংকলিত হয়েছে ‘ফাওয়াইদ উল ফুয়াদ’ বইয়ে। এতে উঠে এসেছে সেই সময়ের সু
২৩ আগস্ট ২০২৬
বুধবার সন্ধ্যা ৬টা। নীলক্ষেত বইয়ের বাজারে হন্তদন্ত হয়ে হাঁটছেন রবিউল ইসলাম। অফিস ছুটির পর ভিড়-বাসে চেপে বই কিনতে এসেছেন সদ্য স্কুলে ভর্তি হওয়া সন্তান আহনাফের জন্য। প্রথমে একটি দোকানে ঢুকে শিশুদের বই দেখতে চাইলেন। দোকানি একগাদা রূপকথার বই সামনে এনে রাখলেন। বইগুলো উল্টেপাল্টে দেখতে দেখতে রবিউলের ন
২১ আগস্ট ২০২৬
দেশজুড়ে আড়ংয়ের বর্তমানে ৩৪টি আউটলেট রয়েছে। ২০২৩–২৪ সালে আড়ংয়ের মোট বিক্রির পরিমাণ ছিল প্রায় ১,৬৪১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের ১,৫৩৫ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। আড়ংয়ের হিসাবভুক্ত মোট সম্পদের পরিমাণও প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকা। সারাদেশে রয়েছে ৮৩৫টির বেশি প্রোডাকশন ও সাব-সেন্টার।
১৯ আগস্ট ২০২৬