মতামত/এশিয়ার গণতন্ত্রের লড়াই সতর্কবার্তা দিচ্ছে বিশ্বকে
লেখা:জেমস গোমেজ, এশিয়া সেন্টার

এশিয়ায় এখন নতুন ধরনের রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা গড়ে উঠছে। প্রতিযোগিতাটি দেখা যাচ্ছে মূলত উন্মুক্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থা আর ‘নিয়ন্ত্রিত’ রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে। এখানে শুধু নাগরিকদের দমিয়ে রাখা হয় না, বরং নানা কৌশলে তাদের চিন্তাভাবনা, মতামত এবং রাজনৈতিক আচরণকেও প্রভাবিত করার চেষ্টা চলে।
এশিয়ায় গণতন্ত্র এখন কোন পথে এগোচ্ছে, তা শুধু গণতন্ত্র বনাম স্বৈরতন্ত্রের পুরোনো দ্বন্দ্ব দিয়ে আর ব্যাখ্যা করা যায় না। আসল লড়াইটা এখন হচ্ছে মানুষ কীভাবে রাজনীতিতে অংশ নিচ্ছে, সেই পুরো কাঠামোটা নিয়ে। কে প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করছে, কে গড়ে তুলছে জনমানসের বয়ান, আর তথ্যের পুরো পরিবেশটাই বা কার হাতে।
আজ ১৫ সেপ্টেম্বর, বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালিত হচ্ছে। এই দিনে গণতন্ত্রের অবস্থা বিষয়ক আলোচনা সাধারণত প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে রক্ষা করা যায়, সেদিকেই বেশি মনোযোগ দেয়। কিন্তু এশিয়ার জন্য এ বছরের দিনটি হওয়া উচিত আরও বেশি আত্মসমালোচনা ও বাস্তবতা পর্যালোচনার একটি সুযোগ। কারণ, এই অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ এখন শুধু গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকিয়ে রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বরং ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচালিত রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের একটি নতুন কাঠামোর সঙ্গে গণতন্ত্রকে কীভাবে মানিয়ে নেওয়া যায়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
এ অঞ্চলে যে নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে, তা সরাসরি রুদ্ধ রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে উন্মুক্ত ব্যবস্থার নয়; বরং উন্মুক্ত ব্যবস্থার সঙ্গে ‘নিয়ন্ত্রিত’ রাজনৈতিক ব্যবস্থার। নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় সংসদ, নির্বাচন, আদালত, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মতো প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়াগুলো কাগজে-কলমে থাকলেও, তাদের কাজের সীমা নির্ধারিত হয় একটি নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত তথ্যপরিবেশের মাধ্যমে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে কাজ করবে এবং মানুষ কোন বিষয়ে কথা বলবে—তার পরিসরও সংকুচিত হয়ে আসে।
একসময় মনে করা হতো, এ ধরনের ‘নিয়ন্ত্রিত’ ব্যবস্থা শুধু এশিয়ারই বৈশিষ্ট্য। কিন্তু এখন পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন পক্ষও ক্রমে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করছে। ফলে এশিয়ায় যে লড়াই চলছে, সেটিই বৈশ্বিক গণতন্ত্রের জন্য আগাম সতর্কবার্তা হয়ে উঠছে।
পুরোনো ব্যবস্থায় অগণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের কৌশল ছিল মানুষকে কথা বলতে না দেওয়া। নতুন মডেলে কৌশলটি ভিন্ন। এখানে তথ্যের পরিবেশকে এত বেশি তথ্য, বিভ্রান্তি ও মিথ্যা দিয়ে ভরিয়ে দেওয়া হয় যে শেষ পর্যন্ত নাগরিকরাই রাজনৈতিকভাবে কী বলা বা করা গ্রহণযোগ্য, তার সীমা নিজেদের মধ্যে গ্রহণ করে নেন। সমস্যাটি আর শুধু সেন্সরশিপ নয়। সমস্যা হলো ‘জ্ঞানভিত্তিক বিভ্রান্তি’—অর্থাৎ মানুষকে এমন মিথ্যা তথ্য বিশ্বাস করানো, যার ভিত্তিতে তারা সিদ্ধান্ত নেয় এবং কাজ করে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নাগরিকদের সরাসরি দমন করার বদলে তাদের পদ্ধতিগতভাবে প্রভাবিত করার এই পরিবর্তনকে আরও দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে। ডিপফেক, কৃত্রিমভাবে তৈরি রাজনৈতিক কনটেন্ট, নির্দিষ্ট ছোট ছোট জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে রাজনৈতিক বার্তা পাঠানো, স্বয়ংক্রিয় প্রভাব বিস্তারের কার্যক্রম এবং অ্যালগরিদমের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট তথ্যকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া—এসব এখন বড় পরিসরে মানুষের রাজনৈতিক ধারণা ও আচরণকে প্রভাবিত করতে পারে।
এই কৌশল শুধু কর্তৃত্ববাদী সরকারগুলোই ব্যবহার করছে না। রাজনৈতিক দল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বিদেশি নেটওয়ার্ক এবং দেশের ভেতরের বিভিন্ন উদ্যোক্তাও এতে যুক্ত। তবে কোন দেশে কীভাবে এই প্রভাব তৈরি হচ্ছে, তা এক নয়। ফলে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এ প্রক্রিয়া ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক গতিপথ তৈরি করছে।
এশিয়া একসঙ্গে কর্তৃত্ববাদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে—বিষয়টি এত সরল নয়। বরং তথ্যের কারসাজিকে ঘিরে অঞ্চলটি বিভিন্ন ধরনের ভিন্ন রাজনৈতিক গতিপথে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। থাইল্যান্ডের নির্বাচনী ব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় অনলাইন বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রভাব এবং মালয়েশিয়ায় তরুণদের মধ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার নিয়ে এশিয়া সেন্টার তাদের ‘স্টেট-স্পনসর্ড অনলাইন ডিসইনফরমেশন: ইমপ্যাক্ট অন ইলেক্টোরাল ইন্টেগ্রিটি ইন থাইল্যান্ড’ এবং ‘ইয়ুথ অ্যান্ড ডিসইনফরমেশন ইন মালয়েশিয়া: স্ট্রেংদেনিং ইলেক্টোরাল ইন্টেগ্রিটি’ প্রতিবেদনে এমন গতিপথ নথিভুক্ত করেছে।
এই ভিন্নতা দেখায়, এশিয়া একসঙ্গে কর্তৃত্ববাদের দিকে যাচ্ছে না। তথ্যের কারসাজির কারণে অঞ্চলটি ভিন্ন ভিন্ন পথে পরিবর্তিত হচ্ছে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বুঝতে এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তথ্যের কারসাজি গণতন্ত্রকে বদলে দিচ্ছে, আর এই পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এশিয়ার নাগরিক সমাজ কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এশিয়া সেন্টারের ২০২৩ সালের মাঠপর্যায়ের গবেষণাটি রাউটলেজ প্রকাশিত ‘ফেক নিউজ অ্যান্ড ইলেকশন্স ইন সাউথইস্ট এশিয়া: ইমপ্যাক্ট অন ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ বইয়ে স্থান পেয়েছে। ওই গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, তথ্য, রাজনৈতিক দল, রাষ্ট্রীয় পক্ষ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং নির্বাচনী প্রতিষ্ঠানকে প্রভাবিত করার প্রবণতা গণতন্ত্রের জন্য একটি মৌলিক হুমকি তৈরি করছে।
এরপর ২০২৫ সালে এশিয়া সেন্টার এমন কিছু মূল্যায়ন করে, যেখানে দেখা হয়—নির্বাচন কি সত্যিই গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে, নাকি উল্টো কর্তৃত্ববাদকে আরও শক্তিশালী করার উপায় হয়ে উঠছে। সেখানে ফলাফল ছিল স্পষ্ট: শুধু একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না। এসব অনুসন্ধান তারা ‘কিয়োটো রিভিউ অব সাউথইস্ট এশিয়া’তে ‘ইরোডিং ইলেক্টোরাল ইন্টেগ্রিটি: রিজন্স ফর ডেমোক্রেটিক ব্যাকস্লাইডিং ইন সাউথইস্ট এশিয়া’ শিরোনামের লেখায় প্রকাশ করেছে।
শুধু নির্বাচন নয়, একটি দেশের শাসনব্যবস্থা, নাগরিক অংশগ্রহণ, অন্তর্ভুক্তি, আইনি সুরক্ষা এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা—এসব বিষয় বিবেচনা করেও এশিয়া সেন্টার নাগরিক সমাজকে গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে দেখে। এটি শুধু এনজিও খাত নয়। গবেষণা ও মূল্যায়নগুলো দেখায়, গণতন্ত্র শুধু নির্বাচনের সময় টিকে থাকে না; নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়েও গণতন্ত্রের চর্চা হয়।
এশিয়া সেন্টারের ‘অনলাইন কনটেন্ট রেগুলেশনস ইন দ্য এশিয়া-প্যাসিফিক: লিমিটিং সিভিল সোসাইটিজ ক্যাপাসিটি টু হোল্ড গভর্নমেন্টস অ্যাকাউন্টেবল’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিকে কঠোর নিয়ন্ত্রণমূলক আইন ও বিধিনিষেধ, অন্যদিকে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা—দুইয়ের সমন্বয়ে নাগরিক সমাজের কাজের পরিসর ক্রমে সংকুচিত হচ্ছে। এর ফলে সরকারকে জবাবদিহির মধ্যে রাখার ক্ষেত্রে নাগরিক সমাজের সক্ষমতাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তরুণদের নেতৃত্বে রাজনৈতিক আন্দোলনের মধ্যেই ২০২৫ সালে এশিয়া সেন্টার ‘ইয়ুথস, ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল লেজিটিমেসি ইন এশিয়া’ শীর্ষক একটি সম্মেলনের আয়োজন করে। সেখানে তরুণদের অংশগ্রহণকে গণতন্ত্রের ক্ষয় ঠেকানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধক হিসেবে আলোচনা করা হয়।
সম্মেলনে উঠে আসে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ—রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণের পথে থাকা বাধাগুলো দ্রুত সরাতে হবে। শুধু নির্বাচনের সময় ভোটার হিসেবে তরুণদের দেখলে হবে না; তাদের সক্রিয় রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও সামনে আনতে হবে।
২০২৬ সালে দেখা যাচ্ছে, ভারত, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কায় তরুণদের নেতৃত্বে সংস্কারের আন্দোলনগুলো গণতন্ত্রকে স্থায়ীভাবে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। তাই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—এশিয়ার গণতন্ত্র কি নতুন একটি প্রজন্মের হাত ধরে নিজেদের নতুন করে শক্তিশালী করতে পারবে?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান এই চ্যালেঞ্জকে আরও জটিল করে তুলছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে এআই রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রচলিত কাঠামোও বদলে দিচ্ছে এবং নতুন নতুন বাধা তৈরি করছে। একই সঙ্গে জাতিগত পরিচয়, ধর্ম, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মতো বিভিন্ন বিভাজনকে আরও তীব্র করে তুলছে এআই। এর ফলে সমাজে গভীর মেরুকরণ তৈরি হচ্ছে।
তবে এআই শুধু সমস্যা তৈরি করছে না। গণতন্ত্রের পরিসর আরও বড় করার একটি বড় সুযোগও এটি তৈরি করছে। কারণ, এআই গণতন্ত্র কীভাবে কাজ করে—নাগরিক, তথ্য, সরকার, নির্বাচন ও নাগরিক সমাজের মধ্যকার সম্পর্ক—এসব ব্যবস্থাই নতুন করে ভাবার সুযোগ দিচ্ছে।
বহুত্ববাদ, জবাবদিহি এবং অহিংস রাজনৈতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণতন্ত্র মেরুকরণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। এখন এশিয়ার সামনে মূল প্রশ্ন হলো—এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং নতুন বাস্তবতায় কাজ করতে সক্ষম এমন কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলন কি এই অঞ্চলে তৈরি হয়েছে?
ভালো দিক হলো, এশিয়ায় এখনো গণতন্ত্র নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ছে। ২০২৬ সালে এশিয়া আঞ্চলিক ফোরামে গ্লোবাল ডেমোক্রেসি কোয়ালিশনের (জিডিসি) সদস্যরা বলেন, এখন প্রয়োজন আরও বেশি সমন্বয় এবং বিদ্যমান সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহার। এর মধ্যে গণতন্ত্রের কাজে এআই ব্যবহারের বিষয়টিও রয়েছে।
এই লক্ষ্যেই এশিয়া সেন্টার নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর ডিজিটাল রূপান্তরে সহায়তার জন্য একটি এআই হাব প্রতিষ্ঠা করেছে। এর আগে একটি মতামতধর্মী লেখায় তারা তাদের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে বলেছে, নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলো যেন এআই বিপ্লবের শুধু দর্শক হয়ে না থাকে; বরং এই পরিবর্তনকে সক্রিয়ভাবে প্রভাবিত ও গড়ে তোলার ভূমিকায় থাকে।
এশিয়ার গণতন্ত্রের জন্য অন্য কোথাও তৈরি করা আরেকটি ‘উদ্ধার প্যাকেজ’ প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন এশিয়ার নিজস্ব গণতান্ত্রিক ভিত্তি—স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত গবেষণা, নাগরিক শিক্ষা, তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা, এআই সম্পর্কে সচেতনতা, তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সীমান্ত পেরিয়ে নাগরিক সমাজের সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নাগরিকদের আরও শক্তিশালী সম্পর্ক।
সংক্ষেপে, এশিয়ার গণতন্ত্র গভীর এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ শুধু নির্ভর করবে না কর্তৃত্ববাদী সরকারগুলো দমন-পীড়ন আরও বাড়াবে কি না, কিংবা গণতান্ত্রিক সরকারগুলো উদারনৈতিক মূল্যবোধ রক্ষা করতে পারবে কি না—তার ওপর। এখন প্রশ্নটি আরও বড়।
প্রশ্ন হলো, পুরোনো রাজনৈতিক ও তথ্যব্যবস্থাকে যারা বদলে দিতে চাইছে, তারা পুরো ব্যবস্থাটিকে নতুনভাবে সাজিয়ে ফেলার আগেই আমরা কি ডিজিটাল যুগের জন্য একটি নতুন গণতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করতে পারব?
- জেমস গোমেজ: রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও এশিয়া সেন্টারের আঞ্চলিক পরিচালক
- এশিয়া সেন্টার: নাগরিক সমাজ গবেষণা প্রতিষ্ঠান
(দ্য ডিপ্লোম্যাট থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন মাহজাবিন নাফিসা)
.png)

-7c29dd-256x144.webp)






