স্ট্রিম সম্পাদকীয়
গ্যাস সরবরাহে কিছুটা উন্নতির খবর মিললেও তা টেকসই হচ্ছে না মূলত দুই কারণে। ক্ষতিগ্রস্ত এলএনজি টার্মিনাল কাজ শুরু করলেও পুরোদমে সরবরাহ করতে পারছে না। অপর টার্মিনালটিই ভরসা। আর চালু গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ কমার খবরই বেশি। গ্যাসের যে চাহিদা দেখানো হয়, তার তুলনায়ও সরবরাহ ছিল অনেক কম। এর মধ্যে মাত্র দুটি টার্মিনালের একটি দীর্ঘদিন অকেজো থাকায় আমদানিকৃত গ্যাস সরবরাহেও বড় অবনতি ঘটেছে। এ ক্ষেত্রে আগের অবস্থায় ফিরতেও আরও কতটা সময় লাগবে, তা অস্পষ্ট।
গ্যাস সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায় শিল্প খাত টানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। রপ্তানিমুখী খাতে এর বেশি প্রভাব পড়ে কি না, সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে। এমনিতেই এ খাত চাপে রয়েছে। গ্যাস সংকটে স্বভাবতই কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। মাঝে লোডশেডিং সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। গ্রামাঞ্চল থেকে এটা ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীতে। যেসব শিল্প সরাসরি গ্যাসনির্ভর নয়; সেগুলোও বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত। কর্মসংস্থানে এর প্রভাব এখনই স্পষ্ট না হলেও শ্রমিক-কর্মচারীদের মাঝে বেড়েছে কাজ হারানোর শঙ্কা। উৎপাদনে ধসের কারণে অভ্যন্তরীণ বাজারেও পণ্য সরবরাহে সংকট দেখা দিতে পারে। এ অবস্থায় জ্বালানি পরিস্থিতি যথাসম্ভব দ্রুত সহনীয় করে আনার কোনো বিকল্প নেই।
গ্যাস সংকটে বাসাবাড়ি থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পাঞ্চলে বেড়েছে জ্বালানি বিকল্পায়নের প্রবণতা। তাতে সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বাড়ছে বৈ কমছে না। রান্নায় এলপিজি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। বিদ্যুৎ খাতে বাড়ছে কয়লানির্ভরতা। শিল্পকারখানা কোনোমতে চালু রাখতে ডিজেলসহ বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। যানবাহনে বেড়েছে সিএনজির বদলে এলপিজি ও জ্বালানি তেল ব্যবহারের প্রবণতা। ভাগ্য ভালো বলতে হবে, ডিজেলসহ জ্বালানি তেলের সংকট আপাতত পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
ভরা আমন মৌসুমে সারের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে এর বিতরণে সংকট সৃষ্টির কিছু খবর রয়েছে। সরকার চেষ্টা করছে অধিক উৎপাদনক্ষম সার কারখানা চালু রাখতে। তাতে আবার গ্যাসের সংকট দেখা দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে।
সরবরাহ অতিমাত্রায় হ্রাস পেলে গ্যাসের ‘রেশনিং’ও কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব দুটি এলএনজি টার্মিনালই পুরোদমে চালু করতে হবে। অতিরিক্ত দামে সংগ্রহ করতে হলেও বিদ্যমান কাঠামোয় এর আমদানির ধারা বজায় রাখার কোনো বিকল্প নেই। এ খাতে ভর্তুকি বৃদ্ধির উদ্বেগজনক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এটা কমাতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি চটজলদি সমাধান হলেও চলমান দুর্ভোগের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন।
সরকারকে আগে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা পেশ করতে হবে। সেটা আবার আমলানির্ভর হওয়া সঙ্গত হবে না। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট থেকে উত্তরণে অংশীজনরা নানা মত তুলে ধরছেন। জাতীয় স্বার্থে সেগুলো বিবেচনায় নিতে হবে নীতিনির্ধারকদের। অতীতে এ ক্ষেত্রে যে একদেশদর্শিতার পরিচয় দেওয়া হয়েছিল, তার বিষময় ফল ভোগের পর আমরা নিশ্চয় একটা ভারসাম্যপূর্ণ পথেই এগোতে চাইব।
গ্যাস-বিদ্যুৎ খাতে স্বস্তি ফেরানোটাই আপাতত লক্ষ্য। দুই ক্ষেত্রেই সরবরাহ যথাসম্ভব বাড়ানোর পাশাপাশি সেটা ধরে রাখা এবং এর অগ্রাধিকারভিত্তিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহারে জোর দিতে হবে। কঠোরভাবে রোধ করতে হবে অপচয় ও চুরি। আপাতত বিদ্যুৎ খাতে কয়লার ব্যবহার বাড়ানো এবং শিল্পে গ্যাসের বদলে বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিদ্যুতেরও একাংশ আমরা আমদানি করছি বলে এর সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে হবে। আর পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে সরকারের কর্মপ্রয়াস সম্পর্কে জনমনে অটুট রাখতে হবে আস্থা।

গ্যাস সরবরাহে কিছুটা উন্নতির খবর মিললেও তা টেকসই হচ্ছে না মূলত দুই কারণে। ক্ষতিগ্রস্ত এলএনজি টার্মিনাল কাজ শুরু করলেও পুরোদমে সরবরাহ করতে পারছে না। অপর টার্মিনালটিই ভরসা। আর চালু গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ কমার খবরই বেশি। গ্যাসের যে চাহিদা দেখানো হয়, তার তুলনায়ও সরবরাহ ছিল অনেক কম। এর মধ্যে মাত্র দুটি টার্মিনালের একটি দীর্ঘদিন অকেজো থাকায় আমদানিকৃত গ্যাস সরবরাহেও বড় অবনতি ঘটেছে। এ ক্ষেত্রে আগের অবস্থায় ফিরতেও আরও কতটা সময় লাগবে, তা অস্পষ্ট।
গ্যাস সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায় শিল্প খাত টানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। রপ্তানিমুখী খাতে এর বেশি প্রভাব পড়ে কি না, সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে। এমনিতেই এ খাত চাপে রয়েছে। গ্যাস সংকটে স্বভাবতই কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। মাঝে লোডশেডিং সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। গ্রামাঞ্চল থেকে এটা ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীতে। যেসব শিল্প সরাসরি গ্যাসনির্ভর নয়; সেগুলোও বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত। কর্মসংস্থানে এর প্রভাব এখনই স্পষ্ট না হলেও শ্রমিক-কর্মচারীদের মাঝে বেড়েছে কাজ হারানোর শঙ্কা। উৎপাদনে ধসের কারণে অভ্যন্তরীণ বাজারেও পণ্য সরবরাহে সংকট দেখা দিতে পারে। এ অবস্থায় জ্বালানি পরিস্থিতি যথাসম্ভব দ্রুত সহনীয় করে আনার কোনো বিকল্প নেই।
গ্যাস সংকটে বাসাবাড়ি থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পাঞ্চলে বেড়েছে জ্বালানি বিকল্পায়নের প্রবণতা। তাতে সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বাড়ছে বৈ কমছে না। রান্নায় এলপিজি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। বিদ্যুৎ খাতে বাড়ছে কয়লানির্ভরতা। শিল্পকারখানা কোনোমতে চালু রাখতে ডিজেলসহ বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। যানবাহনে বেড়েছে সিএনজির বদলে এলপিজি ও জ্বালানি তেল ব্যবহারের প্রবণতা। ভাগ্য ভালো বলতে হবে, ডিজেলসহ জ্বালানি তেলের সংকট আপাতত পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
ভরা আমন মৌসুমে সারের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে এর বিতরণে সংকট সৃষ্টির কিছু খবর রয়েছে। সরকার চেষ্টা করছে অধিক উৎপাদনক্ষম সার কারখানা চালু রাখতে। তাতে আবার গ্যাসের সংকট দেখা দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে।
সরবরাহ অতিমাত্রায় হ্রাস পেলে গ্যাসের ‘রেশনিং’ও কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব দুটি এলএনজি টার্মিনালই পুরোদমে চালু করতে হবে। অতিরিক্ত দামে সংগ্রহ করতে হলেও বিদ্যমান কাঠামোয় এর আমদানির ধারা বজায় রাখার কোনো বিকল্প নেই। এ খাতে ভর্তুকি বৃদ্ধির উদ্বেগজনক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এটা কমাতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি চটজলদি সমাধান হলেও চলমান দুর্ভোগের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন।
সরকারকে আগে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা পেশ করতে হবে। সেটা আবার আমলানির্ভর হওয়া সঙ্গত হবে না। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট থেকে উত্তরণে অংশীজনরা নানা মত তুলে ধরছেন। জাতীয় স্বার্থে সেগুলো বিবেচনায় নিতে হবে নীতিনির্ধারকদের। অতীতে এ ক্ষেত্রে যে একদেশদর্শিতার পরিচয় দেওয়া হয়েছিল, তার বিষময় ফল ভোগের পর আমরা নিশ্চয় একটা ভারসাম্যপূর্ণ পথেই এগোতে চাইব।
গ্যাস-বিদ্যুৎ খাতে স্বস্তি ফেরানোটাই আপাতত লক্ষ্য। দুই ক্ষেত্রেই সরবরাহ যথাসম্ভব বাড়ানোর পাশাপাশি সেটা ধরে রাখা এবং এর অগ্রাধিকারভিত্তিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহারে জোর দিতে হবে। কঠোরভাবে রোধ করতে হবে অপচয় ও চুরি। আপাতত বিদ্যুৎ খাতে কয়লার ব্যবহার বাড়ানো এবং শিল্পে গ্যাসের বদলে বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিদ্যুতেরও একাংশ আমরা আমদানি করছি বলে এর সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে হবে। আর পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে সরকারের কর্মপ্রয়াস সম্পর্কে জনমনে অটুট রাখতে হবে আস্থা।
.png)

নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ছয়জন যুক্ত হওয়ার ঘটনাও সবার নজর কাড়বে। বলা হচ্ছিল, সরকারের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় কিছু রদবদল আনা হবে। বড় রদবদল হয়েছে, তা অবশ্য বলা যাবে না। প্রকৃতপক্ষে নতুন চারজন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হয়েছেন।
২২ আগস্ট ২০২৬
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেতে যাচ্ছি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠনকারী বিএনপি থেকে মনোনয়ন লাভের পর তাঁর রাষ্ট্রপতি হওয়াটা অবশ্য ছিল সময়ের ব্যাপার। সেই পর্ব অতিক্রান্ত হয়েছে। অচিরেই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে শপথ
২০ আগস্ট ২০২৬
সার বিতরণ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়মে জড়িয়ে আছে। এতে রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ জোরালো। সরকার-নির্ধারিত মূল্যে জোগানোর কথা থাকলেও স্তরে স্তরে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে কৃষক প্রায়ই বাড়তি দামে সার কিনতে বাধ্য হন। এমন পরিস্থিতির অবসান ঘটানোর কথা বলেই সরকার নতুন সার বিতরণ নীতিমালা এনেছে।
১৯ আগস্ট ২০২৬
নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ চালু করেছে বিআরটিসি। নারী চালক ও নারী কন্ডাক্টর পরিচালিত এই বাসে শুধু নারী যাত্রী থাকবেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়ার ১৩টি পথে ১৪টি বাস দিয়ে শুরু হয়েছে সেবা।
১৮ আগস্ট ২০২৬