স্ট্রিম প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে ‘হেনস্তার’ শিকার হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নগরের কাট্টলি এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সংগঠনের যুগ্ম সদস্য সচিব আসাদুর রহমানের পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর যুবদলের নেতৃত্বে এই ‘মব সন্ত্রাস’ করা হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, মনজুর আলম যখন ২০১০ ও ২০১৫ সালে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন, তখন কোনও প্রতিবাদ হয়নি। অথচ আজ তাকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর মব সন্ত্রাস চালানো স্পষ্ট দ্বিচারিতা ও রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার বহিঃপ্রকাশ।
এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর কাট্টলী এলাকায় মনজুর আলমের বাসায় যান হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সেখানে কয়েক ঘণ্টা অবস্থান করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, হাসনাত আবদুল্লাহ সাবেক মেয়রের বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বাইরে অবস্থান করা একদল লোক তাকে ঘিরে ধরেন। নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দিয়ে তারা হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে কৈফিয়ত চান—কেন তিনি আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ হিসেবে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বাসায় এসেছেন? বিশেষ করে যেখানে তিনি নিজেই সংসদে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হাসনাত আবদুল্লাহ হাত নেড়ে সবাইকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে অন্য এক ব্যক্তির হস্তক্ষেপে বিক্ষোভকারীরা সরে গেলে তিনি স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের সমন্বয়কারী সদস্য ও মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয় সাংবাদিকদের জানান, ব্যক্তিগত কাজে চট্টগ্রামে এসে সাবেক মেয়রের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন হাসনাত। তিনি বলেন, ‘এটি একটি শিষ্টাচারমূলক সাক্ষাৎ, এর বাইরে কিছু নয়।’
এ ব্যাপারে সাবেক মেয়র মনজুর আলম বলেন, ‘সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ আমার বাসায় এসেছিলেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে, এর বেশি কিছু নয়।’
তবে গুঞ্জন আছে, আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন মনজুর আলম। এ প্রেক্ষাপটে হাসনাত আবদুল্লাহর এই সফর নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও মনজুর আলম দাবি করেন, তাদের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি।
এদিকে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার এক ফেসবুক পোস্টে এই ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীরাই দীর্ঘকাল মনজুর আলমের সঙ্গে রাজনীতি করছেন। মূলত মনজুর আলম এনসিপির সমর্থনে মেয়র নির্বাচন করতে পারেন—এমন ভীতি থেকেই বিএনপির একটি পক্ষ এই মব সৃষ্টি করেছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি একদিকে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিচ্ছে, অন্যদিকে মব কালচার উৎসাহিত করছে।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থনে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন মনজুর আলম। তবে ২০১৫ সালের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে ভোটের দিনই নির্বাচন বর্জন করেন এবং রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৮ ও ২০২০ সালে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো পদ বা মনোনয়ন পাননি।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে ‘হেনস্তার’ শিকার হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নগরের কাট্টলি এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সংগঠনের যুগ্ম সদস্য সচিব আসাদুর রহমানের পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর যুবদলের নেতৃত্বে এই ‘মব সন্ত্রাস’ করা হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, মনজুর আলম যখন ২০১০ ও ২০১৫ সালে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন, তখন কোনও প্রতিবাদ হয়নি। অথচ আজ তাকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর মব সন্ত্রাস চালানো স্পষ্ট দ্বিচারিতা ও রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার বহিঃপ্রকাশ।
এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর কাট্টলী এলাকায় মনজুর আলমের বাসায় যান হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সেখানে কয়েক ঘণ্টা অবস্থান করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, হাসনাত আবদুল্লাহ সাবেক মেয়রের বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বাইরে অবস্থান করা একদল লোক তাকে ঘিরে ধরেন। নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দিয়ে তারা হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে কৈফিয়ত চান—কেন তিনি আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ হিসেবে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বাসায় এসেছেন? বিশেষ করে যেখানে তিনি নিজেই সংসদে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হাসনাত আবদুল্লাহ হাত নেড়ে সবাইকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে অন্য এক ব্যক্তির হস্তক্ষেপে বিক্ষোভকারীরা সরে গেলে তিনি স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের সমন্বয়কারী সদস্য ও মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয় সাংবাদিকদের জানান, ব্যক্তিগত কাজে চট্টগ্রামে এসে সাবেক মেয়রের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন হাসনাত। তিনি বলেন, ‘এটি একটি শিষ্টাচারমূলক সাক্ষাৎ, এর বাইরে কিছু নয়।’
এ ব্যাপারে সাবেক মেয়র মনজুর আলম বলেন, ‘সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ আমার বাসায় এসেছিলেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে, এর বেশি কিছু নয়।’
তবে গুঞ্জন আছে, আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন মনজুর আলম। এ প্রেক্ষাপটে হাসনাত আবদুল্লাহর এই সফর নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও মনজুর আলম দাবি করেন, তাদের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি।
এদিকে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার এক ফেসবুক পোস্টে এই ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীরাই দীর্ঘকাল মনজুর আলমের সঙ্গে রাজনীতি করছেন। মূলত মনজুর আলম এনসিপির সমর্থনে মেয়র নির্বাচন করতে পারেন—এমন ভীতি থেকেই বিএনপির একটি পক্ষ এই মব সৃষ্টি করেছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি একদিকে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিচ্ছে, অন্যদিকে মব কালচার উৎসাহিত করছে।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থনে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন মনজুর আলম। তবে ২০১৫ সালের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে ভোটের দিনই নির্বাচন বর্জন করেন এবং রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৮ ও ২০২০ সালে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো পদ বা মনোনয়ন পাননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করছে বিএনপি। আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হবে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ কার্যক্রম।
১৮ ঘণ্টা আগে
জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে কোনো সরকারই দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার কৌশলে গড়িমসি করছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদ অনুযায়ী সংস্কারে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন দাবিতে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে
চীন সরকারের আমন্ত্রণে দেশটি সফরে গেছে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভোরে দলটি চীনে পৌঁছায়।
১ দিন আগে