পাকিস্তানি জেনারেলদের স্ববিরোধিতার দলিলে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নকশা১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে পাঁচ দশকে জল কম ঘোলা করা হয়নি। কখনো ভারতীয় ষড়যন্ত্র, কখনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মূল অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই হত্যাকাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা ছিল, তা প্রমাণের জন্য আমাদের ভারতীয় বা বাংলাদেশি নথির প্রয়োজন নেই।
পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা: ভারতের প্রতি কি বার্তাযুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের এফ–১৬ যুদ্ধবিমান বহরের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ও আধুনিকায়ন সহায়তা অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রায় ৬৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা কারা করেছিলেন, পাকিস্তানি জেনারেলদের বই ঘেঁটে যা জানা গেলঅপরাধবিজ্ঞানে একটি তত্ত্ব আছে—‘মিউচুয়াল রিক্রিমিনেশন’ বা পারস্পরিক দোষারোপ। যখন কোনো অপরাধী চক্রের সদস্যরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে শুরু করে, তখন তাদের জবানবন্দি থেকেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। একাত্তরে পরাজয়ের পর পাকিস্তানি জেনারেলরা ঠিক এই কাজটিই করেছেন।
একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর কাদের হারিয়েছে বাংলাদেশ‘ঠক ঠক, ঠক ঠক! স্যার একটু বাইরে আসবেন?’—এই কথাটি কানে এলেই আমাদের মনে পড়ে একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি দুঃখজনক অধ্যায়। এই দিনেই আলবদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা করে হত্যা করেছিল। কারণ, তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।
বুদ্ধিজীবী কারা, একাত্তরে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল তাঁদেরমুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে যখন পুরো জাতি স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখনই বাংলাদেশের বুকে নেমে আসে এক ভয়াল অন্ধকার। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা মিলে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছিল এদেশের সূর্যসন্তানদের।
জেনারেল যখন নিজেই ধর্ষক: বাংকারের অন্ধকূপে নারী নির্যাতনের গোপন দলিল১৯৭১ সালের রণক্ষেত্র। চারদিকে লুটপাট আর নারী নির্যাতনের মহোৎসব। সাধারণ সৈনিকরা নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে কথা বলছে। তাদেরই একজন প্রশ্ন তুলল— ‘আমাদের কমান্ডার (জেনারেল নিয়াজী) নিজেই তো একজন ধর্ষক। তাহলে আমাদের থামাবে কে?’
পাকিস্তানি প্রোপাগান্ডায় আল-বদর: যুদ্ধাপরাধের আত্মস্বীকৃত দলিল১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের প্রাক্কালে, যখন ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় সুনিশ্চিত, ঠিক সেই অন্তিম লগ্নে আল-বদর বাহিনীর নেতারা তাদের চূড়ান্ত বার্তা বা ‘আখেরি খিতাব’ দেন। এই বার্তাটি ছিল বাঙালি জাতির জন্য চরম বিপজ্জনক এক ঘোষণা।
নিয়াজির কলমে রাজাকারদের ‘বীরত্ব’১৯৯৮ সাল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার প্রায় ২৭ বছর পর, পাকিস্তানের সামরিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করলেন লেফট্যানেন্ট জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজি। তিনি ছিলেন ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় আত্মসমর্পণকারী পাকিস্তানি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার।
বীরাঙ্গনাদের বন্ধু ডা. জিওফ্রে ডেভিস১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতার পরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার লক্ষাধিক নারীর পাশে দাঁড়ান অস্ট্রেলিয়ান চিকিৎসক ডা. জিওফ্রে ডেভিস। WHO-এর অনুরোধে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে এসে তিনি নির্যাতিত নারীদের চিকিৎসা, গর্ভপাত সেবা, পুনর্বাসন এবং চিকিৎসক টিম গড়ে তোলায় অসামান্য ভূমিকা রাখেন।
মুক্তিযুদ্ধে কাদার ভূমিকামুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পর্যালোচনায় সাধারণত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গেরিলা কৌশল কিংবা আধুনিক সমরাস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে বিশদ আলোচনা হলেও প্রকৃতির নীরব অথচ বিধ্বংসী ভূমিকা অনেক সময় আড়ালেই থেকে যায়।
যে প্রতিবেদন বদলে দিয়েছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি১৯৭১ সালের গণহত্যার প্রকৃত চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন পাকিস্তানি সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাস। সামরিক জান্তার নিয়ন্ত্রণে ঘেরা পাকিস্তান থেকে বের হয়ে লন্ডনে গিয়ে তিনি প্রকাশ করেন সেই ঐতিহাসিক রিপোর্ট—“Genocide”।
সীমান্তে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলিসীমান্তে পাকিস্তানের সেনাদের সঙ্গে আফগানিস্তানের সেনাদের ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষেই হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দিলেই মিলবে ‘নগদ পুরস্কার’, কী ছিল ৭১ সালের পত্রিকায়১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর একাধিক পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি। মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রেপ্তার করা অথবা তাঁদের যাতে নিশ্চিতভাবে ধরা যায় এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে তথ্য দিলে ১৪ মণ আমন চালের সমপরিমাণ টাকা পাওয়া যেত।
আসিম মুনির কি হয়ে উঠছেন পাকিস্তানের ‘রাজাদের রাজা’পাকিস্তানের ক্ষমতার কেন্দ্রে এক নতুন অধ্যায় রচিত হচ্ছে। ২৭তম সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির যে পরিমাণ ক্ষমতা অর্জন করেছেন, তা নিয়ে দেশ-বিদেশে চলছে তুমুল বিতর্ক।
ছিল না ডাক্তারি ডিগ্রি, তবুও একাত্তরে সার্জারি করে সুস্থ করেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের‘ফাদার, আপনি চলে যান। ওরা আপনাকে মেরে ফেলবে।’ শেলাবুনিয়ার গ্রামবাসী অনুরোধ করেন তাঁকে। শান্ত চোখে তাকালেন তিনি। ভাঙা ভাঙা বাংলায় বললেন, ‘আমার সন্তানেরা বিপদে, আর আমি বাবা হয়ে পালিয়ে যাব? আমি কোথাও যাব না। তোমাদের সঙ্গেই থাকব, তোমাদের সঙ্গেই মরব।’
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বোন, সুস্থ আছেনকারাবন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) তাঁর সঙ্গে দেখা করার পর বোন উজমা খানম এ তথ্য জানিয়েছেন।
লাইফ ম্যাগাজিনের জন সারের চোখে ১৯৭১ এর শরণার্থী শিবির১৯৭১ সালের জুন মাসে লাইফ ম্যাগাজিনের সাংবাদিক জন সার এবং ফটোগ্রাফার মার্ক গডফেরি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেছিলেন পূর্ব পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা। করিমপুর থেকে কৃষ্ণনগর—রাস্তার ধারের সেই মৃত্যুর মিছিল, কলেরার মহামারী এবং পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতার শিকার অসহায় মানুষের