হরমুজ প্রণালি না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘গুঁড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পেরযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া’ হবে।
হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তায় প্রস্তুত ৬ দেশযুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপান জানিয়েছে, তারা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিতে ‘যথাযথ উদ্যোগে’ যুক্ত হতে প্রস্তুত রয়েছে।
হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলে ‘দোসর’ হতে হবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীঅবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলে মার্কিন মিত্রদের যুদ্ধাপরাধের ‘দোসর’ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
আপসে নারাজ তেহরান-ওয়াশিংটন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিতযুদ্ধবিরতির প্রশ্নে কোনো পক্ষই নরম হওয়ার লক্ষণ দেখাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে পাঠানো উত্তেজনা প্রশমন ও যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে দাবি করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা।
যুক্তরাষ্ট্র কি একাই হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে পারবেযুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়ালেও হরমুজ প্রণালি এখনো কার্যত অচল। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই জলপথ দিয়ে যায়। কিন্তু ইরান সরাসরি প্রচলিত অবরোধ না দিয়েও এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
এক্সপ্লেইনারইরানের ‘ক্ষেপণাস্ত্র দুর্গ’ কেশম দ্বীপে কী আছেমুক্তবাণিজ্য এবং পর্যটকদের স্বর্গরাজ্য কেশম এখন পরিণত হয়েছে এক সম্মুখসমরের দুর্গে। সেই সঙ্গে এই দ্বীপ হরমুজ প্রণালিতে মোতায়েন করা মার্কিন মেরিন সেনাদের কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু বা স্ট্র্যাটেজিক প্রাইজ হয়ে উঠেছে।
হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে আলোচনায় বসছে ইইউইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধান কায়া কালাস জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে ইউরোপের পক্ষ থেকে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনায় বসছে সদস্য দেশগুলো।
মধ্যপ্রাচ্যের আগুনে পুড়ছে এশিয়া : এক অপ্রত্যাশিত যুদ্ধের মাশুলইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলা কেবল মধ্যপ্রাচ্যেই আগুন জ্বালায়নি। এর ভয়াবহ ধাক্কা হরমুজ প্রণালি থেকে শুরু করে জাপান সাগর পর্যন্ত পুরো এশিয়া জুড়ে অনুভূত হচ্ছে। এই সংঘাত এশিয়ার আঞ্চলিক জ্বালানি ব্যবস্থার ভঙ্গুরতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।
হরমুজে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা: ট্রাম্পের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর দ্বিমতইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের জেরে ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সম্ভাব্য শত্রু মনে করা পক্ষের এক ফোঁটা তেলও পরিবহন করতে দেবে না।
হরমুজের আগুনে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সুযোগ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। রাতের আঁধার তখনো পুরোপুরি কাটেনি। আমেরিকা আর ইসরাইলের যুদ্ধবিমান একসঙ্গে ঢুকে পড়ে ইরানের আকাশে। অপারেশন 'এপিক ফিউরি'। মিসাইল আর বোমার আঘাত হতে থাকে ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে। বোমা পড়ে স্কুলে। নিহত হয় শত শত শিশু। সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও নিহত হন। পরদিন সকালে বিশ্বের মানুষ চোখ
হরমুজ প্রণালী সংকট: বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় বাংলাদেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ঝুঁকিএকবিংশ শতাব্দীতে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো অস্থিরতা মুহূর্তেই বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেয়। বর্তমানে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাত একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারে
কাতার থেকে বাংলাদেশের পথে এলএনজিবাহী ট্যাংকারসাময়িক বন্ধ থাকার পর কাতার আবার ট্যাংকারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) লোড করা শুরু করেছে। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।