পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রা: আনন্দ উৎসব থেকে প্রতিবাদবছর ঘুরে আবারও ফিরে এলো বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। আর এই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ‘শোভাযাত্রা’। রঙিন মুখোশ, বিশালাকৃতির প্রতীকী ভাস্কর্য, ঢাকের তালে তালে মানুষের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে এটি যেন এক বর্ণিল সাংস্কৃতিক আয়োজন।
বাংলার সংস্কৃতিবৈশাখের রঙিন স্মৃতিতে অম্লান মাটির টেপা পুতুলবাবার আঙুল ধরে মেলা থেকে কিনে আনা টেপা পুতুল আমাদের অনেকেরই শৈশবের মধুর স্মৃতি। এই পুতুলগুলোর সঙ্গে যেমন আমাদের শৈশবের স্মৃতি মিশে আছে, তেমনি দেশের আবহমান সংস্কৃতির সঙ্গেও টেপা পুতুল আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে।
পয়লা বৈশাখ যে বার্তা দেয়বাংলা নববর্ষ নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়; গভীর এক সামাজিক চেতনা এবং ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারের ধারক, বাঙালির আত্মপরিচয়ের যথাযথ প্রকাশ। প্রতি বছর পয়লা বৈশাখ আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়, আর কোথায় আমাদের মিলনস্থল।
পয়লা বৈশাখ যেভাবে ‘করপোরেট উৎসব’ হলোপয়লা বৈশাখ একসময় ছিল মাঠের গন্ধমাখা এক উৎসব। নতুন ফসল, হালখাতা, গ্রাম্য মেলা—সব মিলিয়ে একটা সহজ, প্রাণের আয়োজন। এখন সেই বৈশাখ ঢুকে পড়েছে শহরের ব্যস্ত রাস্তায়, শপিং মলের ভিড়ে, করপোরেট ব্র্যান্ডিংয়ের আলোয়। বদলটা হঠাৎ হয়নি, ধীরে ধীরে হয়েছে। কিন্তু প্রশ্নটা থেকেই যায়—এই বদলে আমরা কী পেলাম, আর কী হারালাম
চৈত্রসংক্রান্তির লোকনৃত্যে বাংলার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিআজ চৈত্রসংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষদিন। বিদায় হবে ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। আগামীকাল সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩।
কৈশোরের বিঝু, যা দেখেছি, যা দেখিনিএখন আর সেই দিন, সেই খানা, সেই পরিবেশ নেই। তার পরিবর্তে অন্য পরিবেশ—শহুরে বলি আর গ্রামের বলি—সব পরিবেশ একাকার। দোকানে পাওয়া যাচ্ছে পাজন বা বিঝুর জন্য যা যা লাগবে তা।
হিন্দুস্তানি সংগীতের রূপান্তর: সাধনা থেকে বাজার ও আশা ভোসলেউপমহাদেশের সংগীতের ইতিহাস কেবল সুর পরিবর্তনের ইতিহাস নয়। এই ইতিহাস এক বিশাল সামাজিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের গল্প। এই পরিবর্তনটি ছিল সংগীতকে তার ‘সামাজিক ও মরমী শিকড়’ থেকে উপড়ে ফেলে একটি ‘বিচ্ছিন্ন পণ্যে’ রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।
৮০ বছরের ক্যারিয়ার, ২০ ভাষায় ১২ হাজারের বেশি গানভারতীয় সংগীত জগতের কিংবদন্তি আশা ভোসলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। কয়েক প্রজন্মের এই প্রিয় শিল্পীর মৃত্যুতে যেন সুরের একটি যুগের অবসান হলো। ৮০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ২০ ভাষায় ১২ হাজারেরও বেশি গান গেয়ে তিনি জয় করেছেন অগণিত মানুষের হৃদয়।
প্রকাশের ১৪০ বছরবাঙালি মুসলমানের ‘বিষাদ-সিন্ধু’মীর মশাররফের আগে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উপন্যাস রচনার ক্ষেত্রে যে ইউরোপীয় মডেল অনুসরণ করেছেন, সেখানে মশাররফের অবস্থান কোথায়? এই প্রশ্নটি ধরেই মূলত মীর মশাররফ হোসেনের খোঁজ করা দরকার। সেক্ষেত্রে তাঁর ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাসটিকে গ্রহণ করা যাক।
পাবনার রমা থেকে মহানায়িকা: রূপালি পর্দার ফ্যাশন আইকন সুচিত্রা সেনআজ ৬ এপ্রিল সুচিত্রা সেনের জন্মদিন। পাবনার সাধারণ রমা দাশগুপ্ত থেকে তিনি হয়ে উঠেছিলেন কলকাতার বাংলা সিনেমার মহানায়িকা। তাঁর সেই মিষ্টি রহস্যময় হাসি, বড় লকেট দেওয়া গলার চেন, টানা করে বাঁধা খোঁপা আর মায়াবী চোখ আজও মানুষকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে। বর্তমান প্রজন্মের অনেক তরুণী আজও শাড়ি পরার সময় সুচিত্রা সে
মাইজভান্ডারি ও গণসংগীতশিল্পী কবিয়াল রমেশ শীলকে কি আমরা মনে রেখেছিআজ ৬ এপ্রিল মাইজভান্ডারি ও গণসংগীতশিল্পী কবিয়াল রমেশ শীলের মৃত্যুদিন। তাঁর লেখা তিন শতাধিক মাইজভান্ডারি গান আধ্যাত্মিকতার দিক দিয়ে বেশ গভীর। এসব গানে তিনি মাইজভান্ডারি ধারার ভাব, ইতিহাস আর ঐতিহ্যকে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
সুমন সাজ্জাদসিনেমা দেখার দিনগুলোলাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন... ফ্ল্যাশব্যাক। আমরা এখন পিছিয়ে যাবো এই সময় থেকে অন্য এক সময়ে। বাংলাদেশের তখন দেড় দশক, যখন ঘরে ঘরে টিভি ছিল না, যখন শাড়ি দিয়ে ঘিরে দেয়া হতো মেয়েদের রিকশা, সোভিয়েত রাশিয়া তখনও ভাঙেনি, হকারেরা তখনও ঘরে ঘরে দিয়ে যায় ‘উদয়ন’, পত্রিকা বলতে সেই ‘ইত্তেফাক’ আর ‘বিচিত্রা’।
মার্লন ব্রান্ডো যেভাবে বদলে দিলেন অভিনয়ের ভাষাআজ সর্বকালের সেরা অভিনেতাদের একজন মার্লন ব্র্যান্ডোর জন্মদিন। তাঁকে মেথড অ্যাক্টিং-এর অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে ধরা হয়। আজ চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, এমনকি অনলাইন সিরিজেও আমরা যে বাস্তবধর্মী অভিনয় দেখি, এর ভিত্তি তৈরি হয়েছিল ব্রান্ডোর হাত ধরে।
গল্পঅনেক ভোরের আলোদুই হাতে অন্ধকারের কুয়াশা ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছি। বুঝতে পারছি না কেন এমন হলো? জীবন সহজ নয় দেখেছি, তাই বলে এমন নির্মম হতে পারে জানা ছিল না। আমলনামা লেখার সময় তিনি কি মানুষের মতামত নেন? না লিখে দেন নিজের খেয়াল-খুশি মতো? এই যে, যে জীবন আমি যাপন করেছি—আমার কোনো মতামত নেওয়া হয়েছিল?
উর্দু ছোটগল্পএকজন বারবনিতার চিঠিআমার বিশ্বাস, এর আগে আপনারা কোনো বারবনিতার চিঠি পাননি। সম্ভবত আজ পর্যন্ত আপনারা আমার মতো অন্য কোনো নারীর মুখও দেখেননি। আমি জানি আপনাদের এই চিঠি লেখা কতটা অশালীন। তাও আবার এমন খোলা চিঠি! কিন্তু কী করব, পরিস্থিতি আমাকে অসুহায় করেছ। আর এই দুই কিশোরীর দাবিও এতই তীব্র যে আমি এই চিঠি না লিখে পারলাম না।
রম্যগল্পঅপারেশন ড. ডেভিল হান্টসিকিউরিটি চিফ জানালো বিপদের সমূহ শঙ্কা। মানুষের কলোনিতে এক মশা-বিশেষজ্ঞের আবির্ভাব ঘটেছে—ড. বাশার। এই মশকবিজ্ঞানী পরামর্শ দিয়েছেন যেকোনো মূল্যে ইউনাইটেড স্টেটস অব মস্কোইটোকে ‘ডেস্ট্রয়’ করতে হবে।
গল্পতৃতীয় বন্ধুবিশ্বাস করবেন না কথাটা! কিন্তু সত্যিই কেউ আমাকে অলওয়েজ ফলো করে। বাজারের ব্যাগ নিয়ে যখন বের হই, সিঁড়ি দিয়ে নামছি তখন থেকে ফলো করা শুরু। থপথপ করে পিছনের দিকে আওয়াজ হয়। পিছনে হাজারবার তাকিয়েও কিছু দেখতে পারিনি; নাকি চোখের সমস্যা বুঝতে পারি না।