আশা ভোসলের গাওয়া জনপ্রিয় ১০ বাংলা গানপ্রিয় পাঠক, আপনার জন্য দেয়া হলো আশা ভোসলের গাওয়া ১০টি জনপ্রিয় বাংলা গানের তালিকা; শিল্পীকে মনে রেখে যোগ করতে পারেন আপনার প্লে-লিস্টে।
‘মনে হয়েছিল নরকে এসে পড়েছি’—সেই বিষাদ পেরিয়ে সুরের সাম্রাজ্যের ‘শেষ মুঘল’ আশা ভোসলেআশা ভোসলের প্রথম প্লেব্যাক ছিল ১৯৪৩ সালে। তখন বয়স মাত্র ১০ বছর। গানটি ছিল মারাঠি ছবি ‘মাঝা বাল’। গানের নাম ‘চলা চলা নব বালা’। এরপর ১৯৪৮ সালে ‘চুনারিয়া’ ছবির ‘সাওয়ান আয়া’ গান দিয়ে বলিউডের চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে অভিষেক ঘটে। তবে শুরুর পথটা মোটেও মসৃণ ছিল না।
জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসডিস্টোপিয়ান সিনেমার দুঃস্বপ্ন এখন আমাদের দৈনন্দিন বাস্তবতাডিস্টোপিয়ান সিনেমাগুলো কেবল বিনোদনের জন্য তৈরি হয়নি; এগুলো একধরণের সতর্কবার্তা বা ‘কশনারি টেল’। পরিচালকরা আমাদের দেখাতে চেয়েছিলেন, আমরা যদি এখনই সচেতন না হই, তবে আমাদের গন্তব্য কোথায়। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা সেই সতর্কবার্তাগুলোকে কেবল পপকর্ন খাওয়ার অনুষঙ্গ হিসেবেই দেখেছি।
জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসমুখ ও মুখোশের ৭০ বছর: চ্যালেঞ্জ থেকে জন্ম নেওয়া শিল্পবাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প আজ যে জায়গায় দাঁড়িয়ে তার শুরুটা ছিল একদম ভিন্ন বাস্তবতায়। নেই কোনো স্টুডিও, নেই প্রযুক্তিগত সুবিধা, নেই অভিজ্ঞ জনবল। শুধু ছিল একদল স্বপ্নবাজ মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি। সেই ইচ্ছার জোরেই নির্মিত হয় মুখ ও মুখোশ— বাংলার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র।
ফরহাদ মজহারের লেখাবেদের মেয়ে জোস্না: ছবিটি কেন এত দর্শক টেনেছে?বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসাসফল ছবি বেদের মেয়ে জোস্না মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৯ সালে। পরিচালক ছিলেন প্রয়াত তোজাম্মেল হক বকুল। সিনেমাটির বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে কবি ফরহাদ মজহার তাঁর সম্পাদিত অনিয়মিত পত্রিকা প্রতিপক্ষে একটি দীর্ঘ লেখা লিখেছিলেন। জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে সেই লেখাটি স্ট্রিম-এ প্রকাশিত হলো।
বিপ্লবের পর যেভাবে বদলে গেল ইরানের সিনেমা১৯৭৯ সালের ১ এপ্রিল। ইরানের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের দিন। দীর্ঘদিনের সংগ্রামের পর দেশটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। পতন ঘটে রেজা শাহ পাহলভির শাসনের। এই রাজনৈতিক বাকবদলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা লাগে ইরানের সংস্কৃতিতে। বিশেষ করে ইরানের চলচ্চিত্র জগতে এক অভাবনীয় পরিবর্তন আসে।
মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র মানেই কি আশি-নব্বইয়ের দশক?একটি বেসরকারি গণমাধ্যমে কাজ কাজ করেন ফাবিহা। তাঁর কাছে মুক্তিযুদ্ধের তিনটি চলচ্চিত্র বেছে নিতে বললে, তিনি শ্যামল ছায়া, ওরা ১১ জন এবং আগুনের পরশমণির নাম জানান।
ঈদের ছুটিতে দেখতে পারেন এই ৭ কালজয়ী বাংলা সিনেমাঈদের ছুটি মানেই ভরপেট খাওয়াদাওয়া, বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি কিংবা সিনেমা দেখা। পুরোনো দিনের বাংলা সিনেমার বিভিন্ন ক্লিপ রিলস হিসেবে আমরা ফেসবুক বা ইউটিউবে অনেকসময়ই দেখি। কেমন হয় এবারের ঈদে সেই সিনেমার পুরোটা পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেখলে?
স্মৃতিমাটির দোতলা বাড়ি আর ট্রেনের হুইসেলের সঙ্গে যে ঈদমোহাম্মদপুরের পশ্চিমের এদিকটায় এখনো আকাশ দেখা যায়। ভোর-সকালে পাখির ডাক শোনা যায়। পর্দা সরিয়ে জানালা খুলে দিলে একঝলক ঠান্ডা হাওয়া ঘরময় ছড়িয়ে পড়ে। এমন সকালে আলস্য জড়িয়ে শুয়ে থাকতে ভালো লাগে।
স্মৃতিনব্বইয়ের দশকে গ্রামের শিশুদের ঈদআমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ এলো ২০০৩ সালে। তখন আমার হাইস্কুল যাত্রা শেষের দিকে। কৈশোরের ওই সময়টার আগ পর্যন্ত আমাদের, মানে আমাদের একান্নবর্তী পরিবারের ভাই-বোনদের ঈদ অভিজ্ঞতা খানিকটা অন্যরকম। স্মৃতি হাতড়ে যা মেলে, তা এ নিমিষেই গল্প করা সম্ভব। তবে সেই আবেগ হয়তো আরব্য রজনীর গল্পের চেয়েও টানটান।
ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় ৬ সিনেমাশেষ পর্যন্ত যে কয়েকটি সিনেমা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে ‘প্রিন্স’, ‘দম’, ‘রাক্ষস’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, ‘প্রেশার কুকার’ এবং ‘পিনিক’।
অস্কার ২০২৬: সেরা চলচ্চিত্র ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ঘোষণা করা হয়েছে হলিউডের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কার পুরস্কার বিজয়ীদের নাম। আয়োজনের ৯৮তম আসর বসেছিল যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটার হলে।