সুলতানি, মোগল ও ব্রিটিশ আমলে ঢাকার ঈদ কেমন ছিলঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। আনন্দ, মিলন আর ভাগাভাগির এই উৎসব যুগে যুগে নানা রূপে উদযাপিত হচ্ছে। আজকের দিনের ঈদ আয়োজনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা।
হিস্ট্রিএকাত্তরের ঈদ১৯৭১ সালের ২০ নভেম্বর, শনিবার। বর্ষপঞ্জির চিরায়ত নিয়মে অগ্রহায়ণের কুয়াশামাখা মেঘলা আকাশ আর ভয়ার্ত পরিবেশের মধ্য দিয়ে আকাশে উঠেছিল শাওয়ালের চাঁদ। মুসলিম বিশ্বের ইতিহাসে দিনটি ছিল এক পবিত্র উৎসবের, কিন্তু যুদ্ধবিধ্বস্ত বদ্বীপ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ওই এক ফালি চাঁদ কোনো আনন্দের বার্তা বয়ে আনেনি।
যে কারণে খাল খনন শুরু করেছিলেন জিয়াউর রহমানখাল কেবল পানিই বয়ে নেয় না, বরং তার স্রোতের সঙ্গে ভেসে চলে ইতিহাস, নেতৃত্বের দূরদর্শিতা এবং একটি জাতির আত্মনির্ভরতার স্বপ্ন। বাংলার কৃষিনির্ভর জনপদে খাল মানে জীবিকা ও সম্ভাবনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
সংসদীয় গণতন্ত্র: কেমন ছিল সাত দশকব্রিটেনের গণতন্ত্রের ইতিহাস যেখানে কয়েক শতাব্দীর, সেখানে সংসদীয় গণতন্ত্রের পথে আমাদের যাত্রা তো কেবল শুরু। ১৯৫৬ থেকে ২০২৬—দীর্ঘ ৭০ বছর তাই সংসদীয় গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনব্যবস্থার বিবর্তন নয়, বরং এটি দেশের রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংবিধানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার একটি দীর্ঘ ইতিহাস।
বাংলাদেশে কি বরাবরই ভাজাপোড়া দিয়ে ইফতারের প্রচলন ছিলরমজান মাস এলেই বাংলাদেশের চেনা দৃশ্যপট যেন বদলে যায়। ঘরে ঘরে শুরু হয় ইফতার তৈরির বিশাল আয়োজন। রাস্তার মোড়ে মোড়ে নানা পদের মুখরোচক খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আদি ইতিহাসনারী দিবস বা শ্রমজীবী নারী দিবস হলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সকল শ্রমজীবী মানুষের একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর দিন। এই দিন সর্বহারা নারীদের শক্তি আর তাদের সংগঠন কতখানি মজবুত হলো তা ঝালিয়ে নেওয়ার দিন।
বিশ্বের প্রাচীনতম ৬ বইয়ের দোকানএকটা বইয়ের দোকান হতে পারে শহরের চিন্তার আড্ডাখানা, তরুণদের বিতর্কের জায়গা, লেখকদের মিলনস্থল কিংবা কোনো বিপ্লবের নীরব সূচনা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কিছু বইয়ের দোকান আছে, যেগুলো শত বছর ধরে টিকে আছে ঝড়, যুদ্ধ, ভূমিকম্প আর সময়ের পরিবর্তনের মাঝেও। চলুন, ঘুরে আসি বিশ্বের পুরোনো ছয়টি বইয়ের দোকান থেকে
স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকায় মানচিত্র ছিল, এখন নেই কেন১৯৭১ সালের ২ মার্চ। বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। এদিনই প্রথম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আকাশে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার জাতীয় পতাকা, যা ছিল পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার এক বলিষ্ঠ ঘোষণা।
জাতীয় পতাকার রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিবর্তনজাতীয় পতাকা কেবল নির্দিষ্ট অনুপাতের একখণ্ড রঞ্জিত কাপড় নয়, জাতীয় পতাকা একটি জনপদের সামষ্টিক আকাঙ্ক্ষা, দীর্ঘ লড়াইয়ের নির্যাস এবং আত্মপরিচয়ের এক দৃশ্যমান ইশতেহার। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের বটতলায় প্রথম উত্তোলিত পতাকাটি ছিল এক রাষ্ট্রদ্রোহী বিদ্রোহের প্রকাশ, যা সময়ের পরিক্রমায়
একাত্তরে হাসপাতালেও থাবা বসিয়েছিল পাকিস্তানি জল্লাদরাঅগ্নিঝরা মার্চ চলছে। এই মাস যেমন বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জনের স্মারক, তেমনি তা পাকিস্তানি হানাদারদের চরম পৈশাচিকতারও সাক্ষী। ১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানি বাহিনী মেতে উঠেছিল এক সুপরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের সেই বর্বরোচিত আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু কেবল সম্মুখ সমরের যোদ্ধা বা রাজনৈতিক কর্মীরাই ছিল এমন নয়। বহু মান
একাত্তরে মসজিদেও গণহত্যা চালিয়েছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীঅগ্নিঝরা মার্চের শুরু। এই মাস আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনের সূচনালগ্ন। আবার সেই সাথে শোক ও দহনের স্মৃতিবাহক। ১৯৭১ সালের মার্চে বাংলার মানুষ যখন স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এক পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের এই পাশবিকতার সবচেয়ে করুণ আখ্যানটি সম্ভবত হলো
‘অগ্নিঝরা মার্চ’ শুরুআজ মার্চের প্রথম দিন। বসন্তের দখিনা হাওয়ার সঙ্গে আজ মিশে আছে এক বিশেষ গর্ব আর বিষাদমাখা ইতিহাস। আজ থেকে ৫৫ বছর আগে এই মার্চ মাসেই বাঙালির হাজার বছরের পরাধীনতার শিকল ভাঙার চূড়ান্ত সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। আজ সেই ‘অগ্নিঝরা মার্চের’ প্রথম দিন।
বইমেলার বিশ্ব মানচিত্র: কোন দেশে কখন বসে বইয়ের হাটপ্রতিবারের মত এবারও পর্দা উঠল অমর একুশে বইমেলার। বছরের এই সময়টার জন্য বইপ্রেমীরা উন্মুখ হয়ে থাকেন, যাতে নতুন বইয়ের ঘ্রাণে সারা বছর কাটিয়ে দেওয়া যায়। তবে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বেই বিভিন্ন সময় লেখক, পাঠক আর প্রকাশকদের মিলনমেলা বসে। চলুন জেনে নিই বিশ্বের এমন কিছু নামকরা বইমেলার গল্প।
ফিরে দেখা: যেভাবে শুরু হয়েছিল অমর একুশে বইমেলাআগামীকাল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব অমর একুশে বইমেলা। ফেব্রুয়ারি মাস এলেই বইমেলাকে ঘিরে তৈরি হয় এক অন্যরকম উৎসবের আমেজ।
ভাষা একবার মরলে আর ফেরে না—এই ধারণা ভুল?ভাষাবিজ্ঞানের চিরায়ত ধারণায় বলা হতো, কোনো ভাষা একবার তার শেষ স্থানীয় বক্তা বা নেটিভ স্পিকাকে হারালে, অর্থাৎ মৃত বা বিলুপ্ত হলে, তা আর কখনোই স্বাভাবিক কথ্যরপে ফিরে আসতে পারে না। কিন্তু গত শতকে ইউরোপের একটি প্রান্তিক ভাষা এই অসম্ভবকে সম্ভব করে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছে।
বরাক উপত্যকার ভাষা আন্দোলন: একষট্টি সালের ‘আরেক ফাল্গুন’বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার জন্য আরও একটি রক্তাক্ত ইতিহাস রচিত হয়েছিল ভারতের আসাম রাজ্যের বরাক উপত্যকায়। ১৯৬১ সালের ১৯ মে বরাকের রাজপথে প্রাণ দেওয়া ১১ ভাষা শহীদ আজ আমাদের কাছে বিস্মৃতির অতলে।
বিশ্বজুড়ে মাতৃভাষার জন্য রক্তক্ষয়ী সংগ্রামএকুশে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পলাশ-শিমুলের রঙে রাঙানো এক শোকাবহ অথচ গৌরবের দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার রাজপথে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারদের বুকের তাজা রক্তে লেখা হয়েছিল মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার। সেই রক্তস্রোত আজ বিশ্বস্বীকৃত।